📅 ৫ অক্টোবর ২০২৬, ২:৫৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

রাবিতে সাংবাদিক-শিক্ষার্থী হামলায় সিসিটিভি ফুটেজ অদৃশ্য: অভিযোগের পেছনে হল প্রাধ্যক্ষ ও ছাত্রদল

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: জিয়াউর রহমান জিয়াউর রহমান
রাবিতে সাংবাদিক-শিক্ষার্থী হামলায় সিসিটিভি ফুটেজ অদৃশ্য: অভিযোগের পেছনে হল প্রাধ্যক্ষ ও ছাত্রদল

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ অদৃশ্য হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। হল প্রাধ্যক্ষ ও ছাত্রদলকে জড়িত করে অভিযোগ করা হচ্ছে। হামলায় ১০ জন আহত হয়েছেন

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শহীদ জিয়াউর রহমান হলের সামনে সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ অদৃশ্য হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে হল প্রাধ্যক্ষ ড. মাহবুবুর রহমান ও ছাত্রদলকে জড়িত করে দাবি করা হচ্ছে। হামলার সময় হলের সামনে অবস্থিত সিসিটিভি ক্যামেরায় ধারণ হওয়া ফুটেজ পরে অদৃশ্য হয়ে যায়। সাংবাদিকরা দাবি করছেন, ফুটেজ মুছে ফেলা হয়েছে ঘটনার প্রকৃত চিত্র ও সংশ্লিষ্টদের পরিচয় আড়াল করার জন্য।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 রাবি শহীদ জিয়াউর রহমান হলের সামনে সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় সিসিটিভি ফুটেজ অদৃশ্য হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
  • 📌 হল প্রাধ্যক্ষ ড. মাহবুবুর রহমান ও ছাত্রদলকে অভিযোগে জড়িত করে দাবি করা হচ্ছে।
  • 📌 হামলায় চার সাংবাদিকসহ অন্তত ১০ জন আহত হন।
  • 📌 রাকসুর জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার ও রাকিবুল ইসলামের মন্তব্য নিয়ে ছাত্রদল নেতা এম আহসান হাবীবের ফেসবুক পোস্টের মন্তব্য কেন্দ্রবিন্দুতে ঘটনা শুরু হয়।
  • 📌 উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) ড. আবদুল আলীম বলেছেন, তথ্য সংরক্ষিত আছে এবং তদন্ত কমিটি তথ্য সংগ্রহ করছে।

📰 বিস্তারিত

গত রোববার রাত সাড়ে ৮টায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হলের সামনে সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায় ছাত্রদল নেতা-কর্মীরা। এই হামলায় চার সাংবাদিকসহ অন্তত ১০ জন আহত হন। সাংবাদিকদের অভিযোগ, হামলার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলের সামনে অবস্থিত সিসিটিভি ক্যামেরায় ধারণ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পরে ওই ফুটেজ আর পাওয়া যায়নি। তারা দাবি করছেন, ফুটেজ মুছে ফেলা হয়েছে ঘটনার প্রকৃত চিত্র ও সংশ্লিষ্টদের পরিচয় আড়াল করার জন্য।

হল প্রাধ্যক্ষ ড. মাহবুবুর রহমান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘সংস্কার কাজ চলমান থাকায় তখন সিসিটিভির সংযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল। ফুটেজ ডিলিট করার অভিযোগ পুরোপুরি মিথ্যা।’ অন্যদিকে উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) ড. আবদুল আলীম বলেন, ‘তথ্যগুলো সংরক্ষিত আছে। অভিযোগ যে কেউ করতে পারে। ডকুমেন্টসের কোনো অভাব নেই। তদন্ত কমিটি যেখান থেকে তথ্য সংগ্রহ করার সেখান থেকে করছে।’

হামলার পেছনে রাকসুর জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারকে নিয়ে ছাত্রদল নেতা এম আহসান হাবীবের একটি ফেসবুক পোস্টের মন্তব্যকে কেন্দ্র করে ঘটনা শুরু হয়। আহসান হাবীবের দাবি, ওই পোস্টের মন্তব্যে রাকসুর সহসাংস্কৃতিক সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম তাঁর মা ও বোনকে নিয়ে গালিগালাজ করেছেন। অন্যদিকে রাকিবুলের দাবি, তাঁকে মারধরের হুমকি দিয়ে অবস্থান জানাতে চেয়েছিলেন আহসান হাবীব। পরে দুজনই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের অবস্থান জানিয়ে পাল্টাপাল্টি পোস্ট করেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই গতকাল রাতে হামলার ঘটনা ঘটে।

"সংস্কার কাজ চলমান থাকায় তখন সিসিটিভির সংযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল। ফুটেজ ডিলিট করার অভিযোগ পুরোপুরি মিথ্যা।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, শহীদ জিয়াউর রহমান হল
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড. মাহবুবুর রহমান, এম আহসান হাবীব, রাকিবুল ইসলাম, ড. আবদুল আলীম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ জন আহত, সাড়ে ৮ টা রাত

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖