📌 চাকরি ছেড়ে ব্যবসায় নামেন ফোয়ারা ফেরদৌস। অনলাইন থেকে শুরু করে নিজস্ব দোকান প্রতিষ্ঠা করেন তিনি। টাঙ্গাইলের শাড়িতে নিজস্ব নকশা ও স্ক্রিনপ্রিন্ট যোগ করে আলাদা পরিচিতি পান। এখন পটের বিবিতে শাড়ির পাশাপাশি স্কার্ফ, ব্যাগসহ বিভিন্ন পণ্য বিক্রি হচ্ছে। কর্মক্ষেত্রেও যুক্ত হচ্ছেন নতুনরা
ফোয়ারা ফেরদৌস চাকরি ছেড়ে নিজেই গড়ে তুলেছেন স্বপ্নের ফ্যাশন সাম্রাজ্য ‘পটের বিবি’। অনলাইন থেকে শুরু করে নিজস্ব দোকান প্রতিষ্ঠা করে তিনি এখন বড় ব্র্যান্ডের সঙ্গে পাল্লা দিচ্ছেন। ২০১৫ সালের মে মাসে অনলাইনে পটের বিবির যাত্রা শুরু হলেও ২০১৯ সালের আগস্টে লালমাটিয়ার সি ব্লকের নিজস্ব দোকান চালু করেন তিনি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চাকরি ছেড়ে ব্যবসায় নামেন ফোয়ারা ফেরদৌস, শুরু করেন পটের বিবির যাত্রা
- 📌 অনলাইনে শাড়ি বিক্রি শুরু করলেও পরে নিজস্ব দোকান প্রতিষ্ঠা করেন লালমাটিয়ায়
- 📌 টাঙ্গাইল থেকে শাড়ি এনে শুরুতে অনলাইনে বিক্রি করলেও পরে নিজস্ব নকশা ও স্ক্রিনপ্রিন্ট যোগ করেন
- 📌 করোনাকালে দোকান সাময়িক বন্ধ রাখলেও পরে আবার চালু করেন
- 📌 বর্তমানে পটের বিবিতে শাড়ির পাশাপাশি স্কার্ফ, ব্যাগ ও শিশুদের পোশাক বিক্রি হচ্ছে
- 📌 স্টুডিও পরিচালনা থেকে কারিগর মিলিয়ে কর্মী রয়েছেন ১৫ জন
📰 বিস্তারিত
ফোয়ারা ফেরদৌসের পটের বিবির যাত্রা শুরু হয়েছিল অনলাইন থেকে। একাধিকবার চাকরি পরিবর্তনের পর ব্যবসায় নামার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। শাড়ি নিয়ে ব্যবসা করার লক্ষ্যে অনলাইনে পটের বিবির যাত্রা শুরু হয় ২০১৫ সালের মে মাসে। প্রথম দিকে টাঙ্গাইল থেকে শাড়ি সংগ্রহ করে ক্রেতাদের সামনে তুলে ধরতেন তিনি। ছয় মাসের মধ্যেই ভালো সাড়া পান তিনি। ক্রেতাদের আগ্রহ দেখে ব্যবসা নিয়ে আরও গভীরভাবে ভাবতে শুরু করেন ফোয়ারা। নিজস্ব নকশা ও রং ব্যবহার করে শাড়ি তৈরির দিকে মনোযোগ দেন তিনি। ব্লক ও স্ক্রিনপ্রিন্টের মতো নতুন প্রযুক্তিও যোগ করেন তার শাড়িতে।
২০১৯ সালের আগস্টের ২ তারিখে লালমাটিয়ার সি ব্লকের নিজস্ব দোকান চালু করেন ফোয়ারা। দোকান চালু করার পর প্রাথমিকভাবে ভালো সাড়া পেলেও করোনাকালে সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হয় দোকানটি। সাত-আট মাস পর আবার চালু করেন তিনি। ফোয়ারা জানান, অনলাইন থেকে অফলাইনে যাওয়ার ইচ্ছা ছিল না তার। তবে ক্রেতাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ ও নতুন শাড়ির গল্প ভাগ করে নেওয়ার জন্য দোকান দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।
দোকান চালু করার পর পটের বিবির কাজের পরিধি আরও বেড়েছে। শুরুতে শুধু শাড়ি বিক্রি হলেও এখন যুক্ত হয়েছে স্কার্ফ, ব্যাগ, শিশুদের পোশাক ও নোটবুক। দেশের বাইর থেকেও অর্ডার আসছে নিয়মিত। কর্মক্ষেত্রেও যুক্ত হচ্ছেন নতুনরা। বর্তমানে স্টুডিও পরিচালনা থেকে শুরু করে কারিগরি কাজ মিলিয়ে পটের বিবিতে কর্মরত রয়েছেন ১৫ জন। ফোয়ারা ফেরদৌস বলেন, ‘দোকান চালু করার পর ক্রেতাদের সঙ্গে আন্তরিক সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। নতুন পণ্য উপস্থাপন ও অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।’
“দোকান হলেও কেনাকাটার বাইরে জায়গাটি অনেক কাজেই ব্যবহার করা হচ্ছে। ক্রেতাদের সঙ্গে কথোপকথন, শাড়ি নিয়ে তাঁদের অভিজ্ঞতা, নতুন ভাবনা পাওয়া, আন্তরিক সম্পর্ক তৈরি হওয়া, নতুন কোনো পণ্য উপস্থাপন করা, মাঝেমধ্যে ক্রেতাদের একসঙ্গে নিয়ে আসার মতো অসংখ্য বিষয় করা যাচ্ছে।”
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: লালমাটিয়া, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফোয়ারা ফেরদৌস
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ জন কর্মী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০১৫ সালের মে মাস
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০১৯ সালের আগস্টের ২ তারিখ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!