📌 রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম গণতন্ত্রের মূল স্তম্ভ হিসেবে গণমাধ্যমের ভূমিকা তুলে ধরেন। তিনি সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে পেশাগত স্বার্থ রক্ষায় সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান এবং অন্যায় চাকুরিচ্যুতি, সহিংসতা ও ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়নের দাবিতে পেশাদার সংগঠনগুলোর ভূমিকা জোরালোভাবে সমর্থন করেন
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম গণতন্ত্রের মূল স্তম্ভ হিসেবে গণমাধ্যমের ভূমিকা তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় গণমাধ্যমের সর্বাধিক ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে যদি তা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের সাথে কাজ করে। সোমবার (১৯ অক্টোবর) বঙ্গভবনে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের সাথে সাক্ষাৎকালে তিনি এই কথা বলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **গণতন্ত্রের পillar গণমাধ্যম**: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মূল স্তম্ভ হিসেবে গণমাধ্যমের ভূমিকা তুলে ধরেন।
- 📌 **সাংবাদিকদের ঐক্য ও পেশাগত স্বাধীনতা**: তিনি সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে নিজেদের পেশাগত স্বার্থ রক্ষায় সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান।
- 📌 **অন্যায় চাকুরিচ্যুতি ও সহিংসতার বিরুদ্ধে**: অন্যায়ভাবে চাকুরিচ্যুতি, ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়ন এবং সাংবাদিকদের ওপর সহিংসতার বিচার নিশ্চিত করতে পেশাদার সংগঠনগুলোর ভূমিকা জোরালোভাবে সমর্থন করেন।
- 📌 **ডিআরইউ-এর কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড**: ডিআরইউ প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতিকে সংগঠনের পরিচিতি ও সদস্যদের কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের বিষয়ে অবহিত করেন।
- 📌 **‘বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড’ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণ**: ডিআরইউ ‘বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতিকে প্রধান অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানায়।
📰 বিস্তারিত
বঙ্গভবনে সোমবার দুপুরে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলামের সঙ্গে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের সাক্ষাৎকালে গণতন্ত্রের মূল স্তম্ভ হিসেবে গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয়। তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় গণমাধ্যমের সর্বাধিক ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে যদি তা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের সাথে কাজ করে। রাষ্ট্রপতি সাংবাদিকদের নিজেদের পেশাগত স্বার্থ রক্ষায় সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “সকল গণমাধ্যমকর্মী ও সংগঠনকে ঐক্যবদ্ধভাবে নিজেদের পেশাগত স্বার্থ সংরক্ষণে সোচ্চার হতে হবে।”
রাষ্ট্রপতি অন্যায়ভাবে সাংবাদিকদের চাকুরিচ্যুতি, ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়ন এবং সহিংসতার বিচার নিশ্চিত করতে পেশাদার সংগঠনগুলোর ভূমিকা জোরালোভাবে সমর্থন করেন। তিনি সাংবাদিকদের নিজেদের পায়ে শক্ত হয়ে দাঁড়ানোর ওপর জোর দেন। সাক্ষাৎকালে ডিআরইউ প্রতিনিধিদল সংগঠনের পরিচিতি ও সদস্যদের জন্য পরিচালিত কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের বিষয়ে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। তারা সংগঠনের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনায় রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা কামনা করেন।
এছাড়া, ডিআরইউ ‘বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতিকে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ জানায় প্রতিনিধিদল।
"সকল গণমাধ্যমকর্মী ও সংগঠনকে ঐক্যবদ্ধভাবে নিজেদের পেশাগত স্বার্থ সংরক্ষণে সোচ্চার হতে হবে। সাংবাদিকদের নিজেদের পায়ে শক্ত হয়ে দাঁড়ানোর ওপর জোর দেন রাষ্ট্রপতি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বঙ্গভবন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম
- 📌 সংগঠন: ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!