📌 দীর্ঘ ৩৫ বছর পর প্রথম প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে উন্মুক্ত ব্যালট পদ্ধতি গ্রহণ করেছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দীন
রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন জানিয়েছেন, আগামী ২০ আগস্ট অনুষ্ঠিতব্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটাররা কে কাকে ভোট দিচ্ছেন তা উপস্থিত সবার কাছে দৃশ্যমান থাকবে। নির্বাচন কমিশনের নিজ কার্যালয়ে বুধবার বিকেলে আয়োজিত এ ব্রিফিংয়ে তিনি নির্বাচনের পুরো প্রক্রিয়া ও প্রস্তুতি সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রথমবারের মতো উন্মুক্ত ব্যালট পদ্ধতি প্রয়োগ করা হবে
- 📌 নির্বাচনের ভোটার সংখ্যা ৩৪৯ জন, যারা সংসদের বিভক্তি নম্বর অনুযায়ী ভোট দেবেন
- 📌 ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২০ আগস্ট বিকেল ২টা থেকে ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদ ভবনে
- 📌 দুই প্রার্থী ড. অলি আহমদ ও মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা অনুষ্ঠিত হবে
- 📌 ভোট গণনা হবে তাৎক্ষণিকভাবে এবং ফলাফল ঘোষণা করবেন সিইসি নিজে
📰 বিস্তারিত
সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দীন জানান, দীর্ঘ ৩৫ বছর পর প্রথমবারের মতো প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজনের জন্য সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন। তিনি বলেন, সাধারণত নির্বাচন কমিশনের জ্যেষ্ঠ সচিবরা ব্রিফিং করেন, তবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ক্ষেত্রে আইন অনুযায়ী সিইসিকেই নির্বাচনী কর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে হয়। তাই তিনি নিজেই সংবাদ মাধ্যমের সামনে নির্বাচনের সব তথ্য তুলে ধরছেন।
তিনি আরও জানান, সাবেক রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন গত ২৪ জুলাই পদত্যাগ করার পর সংবিধান ও বিদ্যমান আইন অনুযায়ী নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হয়। বাংলাদেশে সর্বশেষ ১৯৯১ সালে সাংসদীয় পদ্ধতিতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছিল।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ আগস্ট মনোনয়নপত্র দাখিলের দিনে তিনটি মনোনয়নপত্র জমা পড়ে। এর মধ্যে ১১ দলীয় ঐক্যের পক্ষে দুটি মনোনয়ন জমা দেওয়া হয় ড. অলি আহমদের নামে এবং বিএনপির পক্ষে একটি মনোনয়ন জমা দেওয়া হয় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নামে। পরবর্তীতে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে দুই প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীর মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
"নির্বাচনের পুরো প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক করতে নির্বাচন কমিশন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ভোটাররা কে কাকে ভোট দিচ্ছেন তা উপস্থিত সবার কাছে দৃশ্যমান থাকবে, যা নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করবে।"
সিইসি জানান, ভোটার তালিকা অনুযায়ী মোট ভোটার সংখ্যা ৩৪৯ জন। ভোটগ্রহণ শেষে তাৎক্ষণিকভাবে ভোট গণনা শুরু হবে এবং ফলাফলের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবেন তিনি নিজে। নির্বাচন চলাকালীন সময়ে সংসদ সদস্যরা কক্ষে উপস্থিত থাকতে পারবেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাতীয় সংসদ ভবন, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দীন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ভোটার ৩৪৯ জন, ভোটগ্রহণ সময়কাল ৩ ঘণ্টা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!