📌 পটুয়াখালী জেলা রাজস্ব প্রশাসনের অফিস সহায়ক পদে লিখিত পরীক্ষায় অন্য ব্যক্তির নামে অংশ নেওয়ার অভিযোগে জহিরুল ইসলাম (২৩) আটক হন। মৌখিক পরীক্ষায় হাতের লেখার অসঙ্গতি ও ভাইভা প্রশ্নে সফল উত্তর না দেওয়ার কারণে ধরা পড়ে তিনি
পটুয়াখালী জেলা রাজস্ব প্রশাসনের অফিস সহায়ক পদে লিখিত পরীক্ষায় অন্য ব্যক্তির নামে অংশ নেওয়ার অভিযোগে জহিরুল ইসলাম (২৩) আটক হন। মৌখিক পরীক্ষায় হাতের লেখার অসঙ্গতি ও প্রশ্নের সঠিক উত্তর না দেওয়ার কারণে কর্মকর্তারা তাঁকে আটক করেন। গত শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে মৌখিক পরীক্ষা দেওয়ার সময় তাঁকে ধরা পড়ে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পটুয়াখালী জেলা রাজস্ব প্রশাসনের অফিস সহায়ক পদে লিখিত পরীক্ষায় অন্য ব্যক্তির নামে অংশ নেওয়ার অভিযোগে জহিরুল ইসলাম (২৩) আটক হন।
- 📌 লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৫৯ জনের মধ্যে জহিরুলকে মৌখিক পরীক্ষায় ডাকা হয়, কিন্তু হাতের লেখার অসঙ্গতি ও ভাইভা প্রশ্নে সফল উত্তর না দেওয়ার কারণে ধরা পড়ে তিনি।
- 📌 জহিরুল পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার নওমালা ইউনিয়নের বটকাজল এলাকার আমির হোসেন হাওলাদারের ছেলে।
- 📌 জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের কর্মকর্তারা লিখিত পরীক্ষার খাতার হাতের লেখা যাচাই করে অসঙ্গতি দেখতে পান। জিজ্ঞাসাবাদের সময় জহিরুল স্বীকার করেন যে, লিখিত পরীক্ষায় অন্য একজন তাঁর হয়ে অংশ নিয়েছিলেন।
- 📌 পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান জানান, জহিরুলের বিরুদ্ধে মামলা করার প্রস্তুতি চলছে।
📰 বিস্তারিত
গত শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত পটুয়াখালী সরকারি কলেজের বাণিজ্য ভবনে জেলা রাজস্ব প্রশাসনের ২০তম গ্রেডের অফিস সহায়ক পদে নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ১০টি শূন্য পদে প্রায় ৩ হাজার ৯০০ জন প্রার্থী অংশ নেন। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৫৯ জনকে গতকাল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে মৌখিক পরীক্ষার জন্য ডাকা হয়।
মৌখিক পরীক্ষা দেওয়ার সময় কর্মকর্তারা জহিরুলের হাতের লেখার সঙ্গে লিখিত পরীক্ষার খাতায় থাকা হাতের লেখার অসঙ্গতি দেখতে পান। এছাড়াও ভাইভা বোর্ডের প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তর না দেওয়ার কারণে তাঁর বিষয়ে সন্দেহ হয়। পরে লিখিত পরীক্ষার খাতার হাতের লেখা যাচাই করে কর্মকর্তারা অসঙ্গতি দেখতে পান। জিজ্ঞাসাবাদের সময় জহিরুল স্বীকার করেন যে, লিখিত পরীক্ষায় অন্য একজন তাঁর হয়ে অংশ নিয়েছিলেন।
পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান জানান, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের অফিস সহায়ক নিয়োগ পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে জহিরুলকে আটক করা হয়েছে। লিখিত পরীক্ষায় তাঁর হয়ে অন্য একজন পরীক্ষা দিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করার প্রস্তুতি চলছে।
"জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের অফিস সহায়ক নিয়োগ পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে জহিরুলকে আটক করা হয়েছে। লিখিত পরীক্ষায় তাঁর হয়ে অন্য একজন পরীক্ষা দিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, পটুয়াখালী সরকারি কলেজের বাণিজ্য ভবন, পটুয়াখালী সদর থানা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জহিরুল ইসলাম (২৩), মনিরুজ্জামান (ওসি), কর্মকর্তারা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৩ বছর (জহিরুলের বয়স), ২৬ সেপ্টেম্বর (আটকের তারিখ), ২৫ সেপ্টেম্বর (লিখিত পরীক্ষার তারিখ), ১০:০০-১১:০০ (পরীক্ষার সময়), ২০তম গ্রেড, ১০টি পদ, ৩ হাজার ৯০০ জন প্রার্থী, ৫৯ জন মৌখিক পরীক্ষায় ডাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!