📅 ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট বিক্রির অভিযোগে ইনফ্লুয়েন্সারসহ দুইজন গ্রেপ্তার

পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট বিক্রির অভিযোগে ইনফ্লুয়েন্সারসহ দুইজন গ্রেপ্তার

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ঢাকার ডিবি পুলিশ সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগ পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট তৈরির অভিযোগে ইনস্টাগ্রাম ইনফ্লুয়েন্সার সুমাইয়া সাঈদ (২৫) ও তাঁর সহযোগী খাজা সাকলাইন ফারুককে গ্রেপ্তার করেছে। একই ঘটনায় তাঁর বাবাকেও মামলায় আসামি করা হয়েছে

ঢাকার ডিবি পুলিশের সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট তৈরির অভিযোগে ইনস্টাগ্রাম ইনফ্লুয়েন্সার সুমাইয়া সাঈদ (২৫) ও তাঁর প্রধান সহযোগী খাজা সাকলাইন ফারুককে গ্রেপ্তার করেছে। একই ঘটনায় সুমাইয়ার বাবা মো. আবু সাঈদকেও মামলায় আসামি করা হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট তৈরির অভিযোগে ইনস্টাগ্রাম ইনফ্লুয়েন্সার সুমাইয়া সাঈদ (২৫) গ্রেপ্তার
  • 📌 তাঁর প্রধান সহযোগী খাজা সাকলাইন ফারুককেও একই অভিযোগে গ্রেপ্তার
  • 📌 সুমাইয়ার বাবা মো. আবু সাঈদকে মেয়ের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে অবহিত থাকার অভিযোগে আসামি করা হয়েছে
  • 📌 অভিযান চালানো হয় বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা ও বাড্ডা লিংক রোড এলাকায়

📰 বিস্তারিত

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট তৈরির অভিযোগে ইনস্টাগ্রাম ইনফ্লুয়েন্সার সুমাইয়া সাঈদ (২৫) ও তাঁর প্রধান সহযোগী খাজা সাকলাইন ফারুককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগ। অভিযানের সময় তাঁদের কাছ থেকে দুটি স্মার্টফোন জব্দ করা হয়। ডিবির উপকমিশনার (ডিসি) মো. তরিকুল ইসলাম জানান, একটি চক্র বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে পর্নোগ্রাফিক ভিডিও ও ছবি তৈরির মাধ্যমে বিজ্ঞাপন প্রচার করত। পরে নির্দিষ্ট টেলিগ্রাম গ্রুপ ও চ্যানেলে অর্থের বিনিময়ে এসব কনটেন্ট বিক্রি করা হতো।

গ্রাহকদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ে বিকাশ ও নগদসহ মোবাইল আর্থিক সেবার অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করা হতো। প্রাপ্ত তথ্য ও প্রযুক্তিগত অনুসন্ধানের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। ১১ আগস্ট বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় অভিযান চালিয়ে সুমাইয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই দিন রাতে বাড্ডা লিংক রোড এলাকা থেকে খাজা সাকলাইন ফারুককে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর কাছ থেকেও একটি স্মার্টফোন জব্দ করা হয়েছে।

ডিবির দাবি, গ্রেপ্তার দুজনের কাছ থেকে জব্দ করা ডিভাইসের প্রাথমিক তথ্য বিশ্লেষণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পর্নোগ্রাফিক কনটেন্টের বিজ্ঞাপন, বিক্রি এবং এর সঙ্গে আর্থিক লেনদেনের সংশ্লিষ্টতার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে এই কর্মকাণ্ডের সঙ্গে আরও কয়েকজনের যুক্ত থাকার তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। তাঁদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

"এ ঘটনায় পর্নোগ্রাফি মামলা করা হয়েছে। মামলায় সুমাইয়ার বাবা মো. আবু সাঈদকেও আসামি করা হয়েছে। মেয়ের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে অবহিত থেকেও তিনি তাঁর উপার্জনে সম্মতি দিয়েছেন এবং অর্থ গ্রহণ করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিস্তারিত তথ্যও তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা হচ্ছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা মহানগর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সুমাইয়া সাঈদ, খাজা সাকলাইন ফারুক, মো. আবু সাঈদ, মো. তরিকুল ইসলাম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ বছর, ১১ আগস্ট, ২টি স্মার্টফোন, ৬৮ বছর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖