📅 ৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২৪ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

২০ বছর ধরে পুলিশ ফাঁড়ির কারণে বন্ধ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চরাঞ্চলের মানুষের চিকিৎসা সংকট

২০ বছর ধরে পুলিশ ফাঁড়ির কারণে বন্ধ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চরাঞ্চলের মানুষের চিকিৎসা সংকট

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পাবনার বেড়া উপজেলার ঢালার চর ইউনিয়নের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ২০০৬ সাল থেকে পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপিত রয়েছে। ২০ বছর পরও ফাঁড়ি সরানো না হওয়ায় স্বাস্থ্যকেন্দ্র বন্ধ রয়েছে এবং স্থানীয়রা চিকিৎসা সংকটে পড়ছেন। স্থানীয়রা দাবি করছেন, পুলিশ ফাঁড়ি অন্য স্থানে স্থানান্তরিত করা উচিত এবং স্বাস্থ্যকেন্দ্রের কার্যক্রম পুনরায় শুরু করা দরকার

পাবনার বেড়া উপজেলার ঢালার চর ইউনিয়নে ২০ বছর ধরে পুলিশ ফাঁড়ির কারণে স্বাস্থ্যকেন্দ্রের কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। যোগাযোগবিচ্ছিন্ন ও দুর্গম এই চরাঞ্চলের মানুষের জন্য চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না। স্থানীয়রা দাবি করছেন, পুলিশ ফাঁড়ি অন্য সরকারি ভবনে স্থানান্তরিত করা এবং স্বাস্থ্যকেন্দ্রের কার্যক্রম পুনরায় শুরু করা দরকার।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২০০৩ সালে ২৬ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র বর্তমানে বন্ধ রয়েছে
  • 📌 ২০০৬ সাল থেকে স্থাপিত পুলিশ ফাঁড়ি ২০ বছর পরও সরানো হয়নি
  • 📌 স্থানীয় স্বাস্থ্যকর্মীরা সপ্তাহে মাত্র দুই দিন চিকিৎসা সেবা দিচ্ছেন একটি বাড়িতে
  • 📌 অসুস্থ রোগীদের জন্য ৩০ থেকে ৬০ কিলোমিটার দূরত্ব পাড়ি দিতে হয় বেড়া উপজেলা বা পাবনা সদরে
  • 📌 গর্ভবতী নারীদের জন্য জরুরি চিকিৎসা সেবা পাওয়ার সুযোগ নেই
  • 📌 বেড়া উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসার শাহজাহান সিরাজ বলেছেন, পুলিশ বিভাগকে বারবার জানানো হলেও কোনো কাজ হয়নি
  • 📌 জেলা পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ বলেছেন, স্বাস্থ্য বিভাগ বিকল্প ভবনে পুলিশ ফাঁড়ির কার্যক্রম চালাবে

📰 বিস্তারিত

পাবনার বেড়া উপজেলার ঢালার চর ইউনিয়ন একটি যোগাযোগবিচ্ছিন্ন ও দুর্গম চরাঞ্চল। এই ইউনিয়নে ২০০৩ সালে ২৬ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়েছিল স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র। কিন্তু ২০০৬ সালের নভেম্বর মাসে পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপিত হওয়ার পর থেকে স্বাস্থ্যকেন্দ্রের কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। স্থানীয়রা দাবি করছেন, পুলিশ ফাঁড়ি অন্য সরকারি ভবনে স্থানান্তরিত করা এবং স্বাস্থ্যকেন্দ্রের কার্যক্রম পুনরায় শুরু করা দরকার।

বর্তমানে স্বাস্থ্যকর্মীরা সপ্তাহে মাত্র দুই দিন একটি বাড়িতে চিকিৎসা সেবা দিচ্ছেন। জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন হলে রোগীদের ৩০ থেকে ৬০ কিলোমিটার দূরত্ব পাড়ি দিতে হয় বেড়া উপজেলা বা পাবনা সদরে। এমনকি যমুনা নদী পাড়ি দিয়ে মানিকগঞ্জ বা রাজবাড়ীর হাসপাতালে যেতে হয়। এই দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়ার কারণে অসুস্থ রোগীদের অবস্থা আরো খারাপ হয়ে পড়ছে।

ঢালার চর ইউনিয়নের বাসিন্দা ইসমাইল হোসেন বলেন, “পরিবারের একজন অসুস্থ হয়ে পড়লে ৩০ থেকে ৬০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে জেলা সদর অথবা বেড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে চিকিৎসা সেবা নিতে হয়। বিভিন্ন সময় আমার পরিবার বা আত্মীয়-স্বজন আরো বেশি অসুস্থ হয়ে পড়ে। দ্রুত আমাদের স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি চালু করার দাবি করছি।”

গর্ভবতী নারীদের জন্য এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রের গুরুত্ব আরও বেশি। ঢালার চরের বাসিন্দা কুলসুম বেগম বলেন, “গর্ভবতী নারীদের গুরুত্বপূর্ণ হলে একটি স্বাস্থ্য কেন্দ্র। জরুরি প্রয়োজনে এই কেন্দ্র থেকে বিভিন্ন সেবা নেওয়া যায়। কিন্তু বর্তমানে এই সুযোগ নেই। বড় কোনো হাসপাতালে নিতে গেলে দীর্ঘ সময় পথ পাড়ি দিতে হয়, এতে রোগীর অবস্থা আরো খারাপ হয়ে যায়। অতিদ্রুত স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি চালুর দাবি করছি।”

বেড়া উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসার শাহজাহান সিরাজ জানান, “পুলিশ বিভাগকে বার বার জানিয়েও কোনো কাজ হয়নি। স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে পুলিশ ফাঁড়ি সরানো যায়নি।” অন্যদিকে জেলা পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ বলেছেন, “স্বাস্থ্য বিভাগ স্বাস্থ্যসেবা চালু করতে চাইলে বিকল্প ভবনে পুলিশ ফাঁড়ির কার্যক্রম চালানো হবে।”

"পুলিশ ফাঁড়ি অন্য কোনো সরকারি ভবনে স্থানান্তরিত করা উচিত এবং স্বাস্থ্যকেন্দ্রের কার্যক্রম পুনরায় শুরু করা দরকার"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢালার চর ইউনিয়ন, বেড়া উপজেলা, পাবনা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইসমাইল হোসেন, কুলসুম বেগম, শাহজাহান সিরাজ, আবু আশ্রাফ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ বছর, ২৬ লাখ টাকা, ৩০-৬০ কিলোমিটার

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖