📌 দুর্যোগ ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১৯ নভেম্বর লালমনিরহাটে ‘আলোকিত লালমনিরহাট’ আন্দোলনের কার্যক্রম সরাসরি দেখতে আসবেন। এই আন্দোলনের মাধ্যমে জেলাটিকে মাদক, জুয়া ও বাল্যবিবাহমুক্ত করার লক্ষ্যে সরকারি ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সমন্বিত প্রচেষ্টা চলছে
দুর্যোগ ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু ঘোষণা করেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১৯ নভেম্বর লালমনিরহাটে ‘আলোকিত লালমনিরহাট’ সামাজিক আন্দোলনের কার্যক্রম সরাসরি পর্যবেক্ষণ করতে আসবেন। এই সফরে তিনি আন্দোলনের বাস্তবায়ন ও সফলতার মূল্যায়ন করবেন বলে জানানো হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৯ নভেম্বর লালমনিরহাট সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘আলোকিত লালমনিরহাট’ আন্দোলনের কার্যক্রম দেখতে।
- 📌 এই আন্দোলনের মাধ্যমে লালমনিরহাট জেলাকে মাদক, জুয়া, ক্যাসিনো, যৌতুক ও বাল্যবিবাহমুক্ত করার লক্ষ্য রয়েছে।
- 📌 ৭ নভেম্বর রাত সাড়ে ৮টায় পাটগ্রাম উপজেলার সাহেব ডাঙা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সভায় ত্রাণমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
- 📌 আন্দোলনে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, ইউএনও, শিক্ষক, ইমাম, ছাত্র, সাংবাদিক, খেলোয়াড় ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা যুক্ত রয়েছেন।
- 📌 ৪ জুলাই মহামান্য রাষ্ট্রপতি এই আন্দোলনের উদ্বোধন করেছিলেন।
- 📌 প্রধানমন্ত্রী এই আন্দোলনের উপর একটি ডকুমেন্টারি তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন, যা অন্যান্য জেলার এমপিদের দেখিয়ে সারা দেশে কার্যকর করা হবে।
- 📌 ‘জাগো বাহে তিস্তা বাঁচাই’ আন্দোলনের সাফল্য তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, চীন, নেদারল্যান্ডস ও ভারত যৌথভাবে লালমনিরহাটে কাজ করতে আগ্রহী।
- 📌 ২০২৭ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ শুরু হবে।
📰 বিস্তারিত
দুর্যোগ ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, ‘আলোকিত লালমনিরহাট’ আন্দোলন কোনো রাজনৈতিক প্রচারণা নয়। এটি একটি সমাজসেবামূলক কর্মসূচি, যেখানে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, ইউএনও, স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, ইমাম, ছাত্র, সাংবাদিক, খেলোয়াড় ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা একত্রিতভাবে অংশগ্রহণ করছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, এই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে লালমনিরহাটকে একটি রোল মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হবে।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের এই উদ্যোগে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী উভয়েই সরাসরি যুক্ত আছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, গত ৪ জুলাই মহামান্য রাষ্ট্রপতি এই আন্দোলনের শুভ উদ্বোধন করেছিলেন। চার মাসের মাথায় প্রধানমন্ত্রী সশরীরে লালমনিরহাটে এসে কার্যক্রমের বাস্তবায়ন দেখতে আসছেন। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে এমন কোনো কর্মসূচি নেই যেখানে রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকারপ্রধান উভয়েই সরাসরি যুক্ত থাকেন।
ত্রাণমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী এই আন্দোলনের উপর একটি ডকুমেন্টারি তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন। এই ডকুমেন্টারি অন্যান্য জেলার এমপিদের দেখিয়ে সারা দেশে এই আন্দোলনের কার্যকরকরণের লক্ষ্যে ব্যবহার করা হবে। তিনি ‘জাগো বাহে তিস্তা বাঁচাই’ আন্দোলনের সাফল্য তুলে ধরেন এবং বলেন, এই আন্দোলনের সুবাদে দেশ-বিদেশে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। বর্তমানে চীন, নেদারল্যান্ডস ও ভারত যৌথভাবে লালমনিরহাটে কাজ করতে আগ্রহী।
সামাজিক অবক্ষয় ও নৈতিক শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, বড় ভবন বা স্কুল বানালেই শিক্ষার উদ্দেশ্য সফল হয় না। তিনি স্বেচ্ছাসেবকদের নীতিবোধ ও আদর্শ নিয়ে সমাজ পুনর্গঠনে কাজ করার দিকনির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, পোশাকের চেয়ে চরিত্রের সৌন্দর্য বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
সভায় জেলা প্রশাসক রাশেদুল হক প্রধান সভাপতিত্ব করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন লালমনিরহাট-১ (হাতীবান্ধা-পাটগ্রাম) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার হাসান রাজীব প্রধান, পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান, জেলা পরিষদের প্রশাসক এ কে এম মমিনুল হক এবং পাটগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারজানা আখতার। এছাড়া পাটগ্রাম উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার ৮১টি ওয়ার্ডের স্বেচ্ছাসেবীদের বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেন ত্রাণমন্ত্রী।
"এই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে লালমনিরহাট জেলাকে মাদক, জুয়া, ক্যাসিনো, যৌতুক ও বাল্যবিবাহমুক্ত করা হবে এবং এটি সারা দেশের জন্য একটি রোল মডেল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: লালমনিরহাট জেলা, পাটগ্রাম উপজেলা, সাহেব ডাঙা স্টেডিয়াম
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: দুর্যোগ ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, মহামান্য রাষ্ট্রপতি, জেলা প্রশাসক রাশেদুল হক প্রধান, সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার হাসান রাজীব প্রধান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯ নভেম্বর, ৭ নভেম্বর, ৪ জুলাই, ৮টি ইউনিয়ন, ১টি পৌরসভা, ৮১টি ওয়ার্ড
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!