📌 শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হিন্দু সম্প্রদায়ের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেছেন, 'ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার'। তিনি ধর্মীয় একতা ও সামাজিক সুবিচারের গুরুত্ব জোরালোভাবে তুলে ধরেছেন
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হিন্দু সম্প্রদায়সহ সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে একটি বিশেষ বাণী প্রকাশ করেছেন। তিনি ধর্মীয় একতার ও সামাজিক সুবিচারের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দেওয়া এই বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, 'ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার। ধর্ম যার যার নিরাপত্তা পাবার অধিকার সবার'।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হিন্দু সম্প্রদায়ের শুভেচ্ছা জানান এবং বলেন, 'ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার'।
- 📌 তিনি দেবী দুর্গার পূজার তাৎপর্য বর্ণনা করে বলেন, 'অশুভ শক্তির বিনাশ ও সত্য ও সুন্দরের আরাধনা এই উৎসবের অনন্য মাত্রা'।
- 📌 প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'বাংলাদেশের বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষ তাদের ধর্ম পালন করবে, যা দেশের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধের প্রতীক'।
- 📌 তিনি সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচারের গুরুত্ব জোরালোভাবে তুলে ধরেন এবং বলেন, 'মানবতার কল্যাণ সব ধর্মের মূল শিক্ষা'।
- 📌 প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বার্তায় সমৃদ্ধ হয়ে উঠুক আমাদের সমাজ'।
📰 বিস্তারিত
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বাণীতে বলা হয়েছে, শারদীয় দুর্গাপূজা বিশ্বের হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। তিনি দেবী দুর্গার পূজার তাৎপর্য বর্ণনা করে বলেছেন, 'হিন্দু ধর্মমতে, দেবী দুর্গা স্বর্গলোক থেকে মর্ত্যলোকে আসেন এবং ভক্তদের কল্যাণ সাধন করে শত্রুর বিনাশ ও সৃষ্টিকে লালন করেন'। তিনি বলেন, 'অশুভ শক্তির বিনাশ এবং সত্য ও সুন্দরের আরাধনা এই উৎসবের তাৎপর্য অনন্য'।
প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, 'দেশের বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষ প্রতিটি গোষ্ঠী-গোত্র-সম্প্রদায় ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে তাদের ধর্ম পালন করবে। ধর্মীয় উৎসব পালন করা বাংলাদেশের ধর্মীয়, সামাজিক মূল্যবোধ ও সংস্কৃতির সৌন্দর্য প্রকাশ করে'। তিনি আরও বলেন, 'ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক বা সামাজিক কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে একজন বাংলাদেশি হিসেবে বিভিন্ন ধর্ম-গোত্র-সম্প্রদায়ের মানুষের পারস্পরিক বন্ধুত্ব, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ব প্রস্ফুটিত হয়'।
তিনি সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচারের গুরুত্ব জোরালোভাবে তুলে ধরেন এবং বলেন, 'সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার সব ধর্মের মূল উপজীব্য। মানবতার কল্যাণ সব ধর্মের অন্যতম মূল শিক্ষা'। প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'তাই যার যার ধর্মীয় বিধান ও সংস্কৃতি অনুশীলনের পাশাপাশি মানুষে মানুষে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সম্মান ও সহমর্মিতা বজায় রেখে সমাজে শান্তির পরিবেশ বহাল রাখা সবার জন্য জরুরি'।
"ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার। ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাবার অধিকার সবার।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!