📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিশু অধিকার দিবস ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানে বলেছেন, শিশুদের মানবিক বাংলাদেশ গড়তে প্রকৃতি ও পশুপাখির প্রতি মানবিক হওয়ার শিক্ষা দিতে হবে। তিনি শিশুদের সৃজনশীলতা বিকাশ ও পরিবেশ সচেতনতারও আহ্বান জানান
ঢাকায় শিশু অধিকার দিবস-২০২৬ ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে আজ (৬ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত প্রধান অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিশুদের মানবিক বাংলাদেশ গড়তে প্রকৃতি ও পশুপাখির প্রতি মানবিক হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, শুধু পড়াশোনা বা খেলাধুলায় পারদর্শ্য থাকা যথেষ্ট নয়—মানবিকতা ও পরিবেশ সচেতনতা শিশুদের জন্য অপরিহার্য।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৬ অক্টোবর ঢাকার বাংলাদেশ শিশু একাডেমিতে শিশু অধিকার দিবস ও একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বক্তৃতা দেন
- 📌 প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিশুদের মানবিক বাংলাদেশ গড়তে প্রকৃতি ও পশুপাখির প্রতি মানবিক হওয়া অপরিহার্য
- 📌 তিনি শিশুদের উদ্দেশে বলেন, ‘আশপাশের গাছপালা ও পশুপাখির প্রতি দয়া দেখাতে হবে’
- 📌 অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘শিশুদের মধ্যে প্রকৃতি ও পশুপাখির প্রতি মমত্ববোধ তৈরি করতে হবে’
- 📌 ২০২৭-২৮ সাল থেকে সরকার প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিশুদের শিল্প-সংস্কৃতি ও খেলাধুলার সুযোগ বৃদ্ধির উদ্যোগ নেবে
- 📌 প্রধানমন্ত্রী নিজের শৈশবের স্মৃতি তুলে ধরেন এবং বলেন, ‘আমাদের এই বাংলাদেশকে মানবিক দেশে পরিণত করতে হবে’
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি ও শিশু অধিকার দিবস উপলক্ষ্যে আজ সকালে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিশুদের মানবিকতা ও পরিবেশ সচেতনতার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, শুধু পড়ালেখা বা খেলাধুলায় পারদর্শ্য থাকা যথেষ্ট নয়—মানবিকতা ও প্রকৃতির প্রতি দয়া দেখানো শিশুদের জন্য অপরিহার্য। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তোমাদের এই দেশের প্রকৃতি ও পশুপাখির প্রতি মানবিক হতে হবে। তোমরা যদি মানবিক হতে পার, হয়তো আমরা হতে পারিনি, যেমনটি হওয়া উচিত ছিল।’
প্রকৃতির প্রতি দায়িত্ববোধের কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘আশপাশের গাছপালা ও প্রকৃতির যত্ন নিতে হবে। কোনো গাছ যদি ধীরে ধীরে বেড়ে ওঠে, তাহলে সেটিকে পানি দেওয়া ও যত্ন নেওয়ার মাধ্যমে বড় হতে সহযোগিতা করতে হবে।’ পশুপাখির প্রতি দয়া দেখানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তুমি চেষ্টা কর পশুপাখির প্রতি কাইন্ড হওয়ার জন্য, তাকে সহযোগিতা করার জন্য’।
অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সন্তানদের মধ্যে প্রকৃতি ও পশুপাখির প্রতি মমত্ববোধ তৈরি করতে হবে। সবাই মিলে শিশুদের মধ্যে এই বোধ তৈরি করতে পারলে একদিন একটি মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে’। তিনি বলেন, ‘আমরা যদি প্রকৃতির প্রতি সদয় হই, অবশ্যই প্রকৃতিও আমাদের প্রতি সদয় হবে’।
পরিবেশ সচেতনতার কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা না ফেলার বিষয়ে শিশুদের সচেতন হতে হবে এবং বড়দেরও সচেতন করতে হবে’। তিনি বলেন, ‘রাস্তাঘাটে ময়লা ফেললে আজকের শিশুরাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে’।
শিশুদের সৃজনশীলতা বিকাশের ওপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কেউ কবিতা আবৃত্তি করতে পারে, কেউ গান বাজাতে পারে—যার যে বিষয়ে আগ্রহ, সেটি ভালোভাবে শেখার চেষ্টা করতে হবে’। তিনি নিজের গিটার শেখার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন এবং বলেন, ‘আমি যেটা শেষ করতে পারিনি, তোমরা সেটা শেষ করো’।
২০২৭-২৮ সাল থেকে সরকার প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিশুদের শিল্প, সংস্কৃতি ও খেলাধুলার সুযোগ বৃদ্ধির উদ্যোগ নেবেন বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘প্রতিটি শিশু তার পছন্দের বিষয়ে শেখার সুযোগ পাবে। আজকের শিশুর ভবিষ্যৎ মজবুত হওয়া মানে জাতির ভবিষ্যৎ মজবুত হওয়া’।
"আমরা যদি প্রকৃতির প্রতি সদয় হই, অবশ্যই প্রকৃতিও আমাদের প্রতি সদয় হবে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ শিশু একাডেমি
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ অক্টোবর, ৫০ বছর, ২০২৭-২৮ সাল
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!