📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খুলনা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের উদ্ভাবিত বর্জ্য থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদন প্রকল্প দেখেন। প্রকল্পে 'হাইড্রোথার্মাল লিকুইফ্যাকশন' প্রযুক্তি ব্যবহার করে ৫০-৫৫% বায়োক্রুড উৎপাদন সম্ভব হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বাস্তবায়নে সহযোগিতা আশ্বাস দেন এবং ১০০-১২০ কোটি টাকার প্রকল্পের সম্ভাবনা তুলে ধরেন
শনিবার (১০ অক্টোবর) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত একটি প্রদর্শনীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) গবেষকদের উদ্ভাবিত বর্জ্য থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদন প্রকল্পের প্রদর্শনী দেখেন। গবেষকরা তাদের উদ্ভাবিত 'হাইড্রোথার্মাল লিকুইফ্যাকশন' (এইচটিএল) প্রযুক্তি এবং মানববর্জ্য, পয়ঃশোধনাগারের বর্জ্য, রান্নাঘরের বর্জ্য ও কৃষিজ অবশিষ্টাংশ থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদনের সম্ভাবনা প্রধানমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান** শনিবার (১০ অক্টোবর) কুয়েটের গবেষকদের উদ্ভাবিত বর্জ্য থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদন প্রকল্পের প্রদর্শনী দেখেন এবং বাস্তবায়নে সহযোগিতা আশ্বাস দেন।
- 📌 গবেষকরা **হাইড্রোথার্মাল লিকুইফ্যাকশন (এইচটিএল) প্রযুক্তি** ব্যবহার করে **৫০ থেকে ৫৫ শতাংশ** পর্যন্ত বায়োক্রুড উৎপাদন সম্ভব করেছেন।
- 📌 **১০ বছর** ধরে পরিচালিত গবেষণায় ডিজেলসমৃদ্ধ বায়োক্রুড উৎপাদনেও সাফল্য পেয়েছেন গবেষকরা।
- 📌 **১ থেকে ৩ টন** বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ সক্ষম একটি পাইলট প্ল্যান্ট স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।
- 📌 প্রকল্প বাস্তবায়নে **১০০ থেকে ১২০ কোটি টাকা** প্রয়োজন। বাণিজ্যিকভাবে সম্প্রসারণ হলে **১০ থেকে ১৫ শতাংশ** আমদানিকৃত অপরিশোধিত তেল প্রতিস্থাপন সম্ভব।
- 📌 **৬ হাজার ৫০০ থেকে ১৩ হাজার কোটি টাকা** সমমূল্যের বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হতে পারে।
📰 বিস্তারিত
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে গবেষকরা তাদের উদ্ভাবিত প্রযুক্তির কার্যক্রম এবং বাস্তবায়ন পরিকল্পনা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) অধ্যাপক ড. মো. খালেকুজ্জামান প্রধানমন্ত্রীকে মানববর্জ্য, পয়ঃশোধনাগারের বর্জ্য, রান্নাঘরের বর্জ্য এবং কৃষিজ অবশিষ্টাংশ থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদনের প্রযুক্তি সম্পর্কে অবহিত করেন। গবেষণায় **১০ বছর** ধরে কাজ করে গবেষকরা উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছেন।
গবেষকরা জানান, পরবর্তী ধাপে **১ থেকে ৩ টন** বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ সক্ষম একটি পাইলট প্ল্যান্ট স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। এই প্ল্যান্টের মাধ্যমে প্রযুক্তিটির কার্যকারিতা, উৎপাদন ব্যয় এবং বাণিজ্যিক সম্ভাবনা যাচাই করা হবে। প্রকল্প বাস্তবায়নে আনুমানিক **১০০ থেকে ১২০ কোটি টাকা** প্রয়োজন হবে বলে জানানো হয়।
গবেষকদের মতে, এই প্রযুক্তিটি বাণিজ্যিকভাবে সম্প্রসারণ করা সম্ভব হলে দেশে **১০ থেকে ১৫ শতাংশ** আমদানিকৃত অপরিশোধিত তেল প্রতিস্থাপন সম্ভব। এতে বছরে **৬ হাজার ৫০০ থেকে ১৩ হাজার কোটি টাকা** সমমূল্যের বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হতে পারে। তবে এ সম্ভাবনা বাস্তবায়নের জন্য প্রযুক্তিটির বৃহৎ পরিসরে কার্যকারিতা ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা যাচাই প্রয়োজন বলে উল্লেখ করা হয়।
"প্রযুক্তিটি সফলভাবে বাণিজ্যিক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হলে দেশের জ্বালানি তেলের সংকট ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সমস্যা সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজধানী তেজগাঁও, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, ড. মো. খালেকুজ্জামান (কুয়েট অধ্যাপক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০-৫৫%, ১০ বছর, ১-৩ টন, ১০০-১২০ কোটি টাকা, ১০-১৫%
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!