📌 কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বাংলা উচ্চারণ নিয়ে শ্রেণিকক্ষে মন্তব্য করার অভিযোগে পুলিশ হেফাজতে থাকা শিক্ষককে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সম্মানসূচক বাড়ি পৌঁছে দেওয়া হয়। শিক্ষক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং বলেন, প্রধানমন্ত্রী ভিন্নমত ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেছেন
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বাংলা উচ্চারণ নিয়ে শ্রেণিকক্ষে মন্তব্য করার অভিযোগে পুলিশ হেফাজতে থাকা প্রাগপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক গোলাম কিবরিয়া লালনকে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সম্মানসূচক বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১১টায় এই ঘটনা ঘটে। দৌলতপুর থানার ওসি খালেদুর রহমান এবং উপজেলা সহকারী কমিশনার প্রদীপ কুমার দাশ উপস্থিত ছিলেন এই ঘটনায়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে পুলিশ শিক্ষক গোলাম কিবরিয়া লালনকে সম্মানের সঙ্গে বাড়িতে পৌঁছে দিয়েছে
- 📌 শিক্ষক লালন বলেন, তিনি প্রধানমন্ত্রীর বাংলা উচ্চারণ নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন, কিন্তু তার উদ্দেশ্য ছিল শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করা
- 📌 প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন জানান, প্রধানমন্ত্রী ভিন্নমত ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেছেন
- 📌 শিক্ষক লালন জানান, তিনি এবং তার পরিবার প্রধানমন্ত্রীর এই মানবিক সিদ্ধান্তে চিরকৃতজ্ঞ
- 📌 শিক্ষককে হেফাজতে নেওয়ার পর স্থানীয় বাসিন্দারা মব তৈরির চেষ্টা করেছিল, কিন্তু পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে
📰 বিস্তারিত
প্রাগপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক গোলাম কিবরিয়া লালনকে দৌলতপুর উপজেলার প্রাগপুর পশ্চিমপাড়া এলাকার মৃত সামছুদ্দিন আহমেদের ছেলে। তিনি দশম শ্রেণির বাংলা ক্লাসে শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করার সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বাংলা উচ্চারণ নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন। শিক্ষার্থীদের মধ্যে কিছুটা উত্তেজনা সৃষ্টি হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা মব তৈরির চেষ্টা করে। এরপর পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে শিক্ষককে হেফাজতে নেয়।
শিক্ষক লালন জানান, ‘আমি শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর বাংলা উচ্চারণ নিয়ে মন্তব্য করেছিলাম। তবে পরদিন স্থানীয় ব্যক্তিরা স্কুলে এসে বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ তোলেন এবং বাইরে চিৎকার-চেঁচামেচি করে একটি মব তৈরির পরিস্থিতি তৈরি হয়। তখন আমার নিরাপত্তার স্বার্থেই পুলিশ আমাকে থানায় নিয়ে যায়। পুলিশ কোনো ধরনের দুর্ব্যবহার করেনি, বরং অত্যন্ত মানবিক ও সম্মানের সঙ্গে আমাকে বসিয়ে রেখেছিল।’
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে শিক্ষককে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে দৌলতপুর থানার ওসি খালেদুর রহমান বলেন, ‘আমি নিজে পুলিশ ফোর্স নিয়ে তাঁকে সম্মানের সঙ্গে তাঁর বাড়িতে পৌঁছে দিয়েছি।’ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ও উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন জানান, প্রধানমন্ত্রী সংক্ষুব্ধ হয়ে শিক্ষককে ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী মনে করেন, মতের ভিন্নতা থাকতেই পারে এবং প্রত্যেক মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি ও মতামত তাঁর নিজস্ব। কারও মতের সঙ্গে একমত না হলেও তাঁর মতপ্রকাশের অধিকারকে সম্মান করা উচিত। ভিন্নমত ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার প্রতি সম্মানই গণতন্ত্রের শক্তি।’
"আমি অত্যন্ত আবেগাপ্লুত হয়ে পড়ি। তাঁর এই মহানুভবতা ও মানবিক সিদ্ধান্তে আমি ও আমার পরিবার চিরকৃতজ্ঞ।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: প্রাগপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়, দৌলতপুর উপজেলা, কুষ্টিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শিক্ষক গোলাম কিবরিয়া লালন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, ওসি খালেদুর রহমান, উপজেলা সহকারী কমিশনার প্রদীপ কুমার দাশ, মুখপাত্র মাহ্দী আমিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ সেপ্টেম্বর (বুধবার), সাড়ে ১১ টা রাত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!