📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির চারা বাঁচাতে প্রতি তিন মাস পর হালনাগাদ তথ্য নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় তিনি চারা সরবরাহ ও শিশু-কিশোরদের সম্পৃক্ততার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেছেন
দেশব্যাপী সবুজায়নের অংশ হিসেবে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির চারা বাঁচাতে সর্বোচ্চ নজরদারি নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতি তিন মাস পর গাছের চারা সম্পর্কিত হালনাগাদ তথ্য নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। সচিবালয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে অনুষ্ঠিত সভায় তিনি এই নির্দেশনা প্রদান করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির** চারা বাঁচাতে প্রধানমন্ত্রী প্রতি তিন মাস পর হালনাগাদ তথ্য নেওয়ার নির্দেশ দেন
- 📌 **৩ কোটি ৫৭ লাখ চারা** রোপণ হয়েছে; ১৩ জুন কর্মসূচি শুরু থেকে এ পর্যন্ত সারা দেশে গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে
- 📌 **৫০৩টি নার্সারি** স্থাপনের পরিকল্পনা; নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী সবুজ কর্মসংস্থান বাস্তবায়নের লক্ষ্যে
- 📌 **শিশু-কিশোরদের** বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে সম্পৃক্ত করার জন্য পরিবেশ মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ
- 📌 **পার্বত্য অঞ্চলসহ উজাড় বনভূমি** বৃক্ষরোপণের আওতায় আনার গুরুত্বারোপ
- 📌 **মা গাছ সংরক্ষণ, সুন্দরবনের সুরক্ষা ও ছাদবাগান সম্প্রসারণ** বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়
📰 বিস্তারিত
সকাল ১০টায় সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সভাপতিত্ব করেন। পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর পরিবেশবিষয়ক বিশেষ সহকারী সাইমুম পারভেজ ও মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহমিদা খানম সভায় অংশগ্রহণ করেন। সভায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অগ্রগতির তথ্য উপস্থাপন করা হয়, যেখানে জানানো হয় গত ১৩ জুন কর্মসূচি শুরু থেকে এ পর্যন্ত **৩ কোটি ৫৭ লাখ চারা** সারা দেশে রোপণ করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী সভায় বলেন, ‘আমি এসব গাছের সম্পর্কে জানতে চাই। এসব চারা বাঁচিয়ে রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে। প্রতি তিন মাস পর রোপিত বৃক্ষের হালনাগাদ তথ্য সরবরাহ করার নির্দেশ দিচ্ছি।’ তিনি সিগনেচার প্রজেক্ট হিসেবে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিকে এগিয়ে নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘এটা আমার সিগনেচার প্রজেক্ট হতে পারে, কিন্তু এটার উপকার আমরা সকলেই পাব। আপনারা যদি মনে করেন এটার উপকার আমরা সবাই পাব, তাহলে আমি মনে করি আপনাদের সকলের এগিয়ে আসা উচিত।’
প্রধানমন্ত্রী শিশু-কিশোরদের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে সম্পৃক্ত করার জন্য পরিবেশ মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, ‘বাচ্চাদের পরিবেশ বিষয়ে সচেতন করে তুলতে হবে। আমি নিজেও যখন বাচ্চাদের সাথে দেখা করি, আমি বলি যে তোমার বার্থডেতে তুমি একটা গাছ রোপণ করবে। এভাবে বিষয়টা এনকারেজ করা উচিত। যদি ১০০ জন করলে ৫০ জন করবে, ২৫ জন করলে সেটাও অনেক।’
সভায় পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু জানান, **৫০৩টি নার্সারি** স্থাপনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘এই নার্সারি নির্বাচনী ইশতেহারে উল্লেখিত সবুজ কর্মসংস্থানের অঙ্গীকার বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখবে।’ প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘পরিবেশ বিষয়ে মানুষকে যত সচেতন করা যাবে, পরিবেশ রক্ষার কাজ তত সহজ হবে। আমি মনে করি, সব সময় অনুশাসন দিয়ে সবকিছু হয় না। আমাদের দেশে সবাই এক্সপেক্ট করে যে সরকার সবকিছু করবে। কিন্তু আমরা সকলে মিলে যদি চেষ্টা করি কম ময়লা করতে, তাহলে পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা সহজ হবে।’
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, **মা গাছ সংরক্ষণ, সুন্দরবনের সুরক্ষা ও আওতা বাড়ানো, প্রণোদনামূলক ছাদবাগান সম্প্রসারণ** বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী প্রত্যেকের নিজের দায়িত্বের বাইরে গিয়ে দেশের জন্য কাজ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘দেশটা আমাদের সবার। শুধু ৯টা-৫টা নয়, তার বাইরেও কিছু করার চেষ্টা করতে সবার প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।’
"আমি মনে করি, সব সময় অনুশাসন দিয়ে সবকিছু হয় না। আমাদের দেশে সবাই এক্সপেক্ট করে যে সরকার সবকিছু করবে। কিন্তু আমরা সকলে মিলে যদি চেষ্টা করি কম ময়লা করতে, তাহলে পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা সহজ হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সচিবালয়, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, সাইমুম পারভেজ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ কোটি (বৃক্ষরোপণ), ৩ কোটি ৫৭ লাখ (চারা রোপণ), ৫০৩টি (নার্সারি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!