📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ব্যক্তিগত উদ্যোগে কাজ করা মানুষের ভূমিকা দেশ ও সমাজের কল্যাণে অপরিসীম গুরুত্বপূর্ণ। তিনজন অনুপ্রেরণাদায়ী ব্যক্তির সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি তাদের উদ্যোগের প্রশংসা ও সহযোগিতার আশ্বাস দেন
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ বুধবার বিকেলে সচিবালয়ে তিনজন অনুপ্রেরণাদায়ী ব্যক্তির সঙ্গে সাক্ষাৎকালে বলেছেন, ‘দেশ ও সমাজের কল্যাণে ব্যক্তিগত উদ্যোগে কাজ করা মানুষের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের উদ্যোগ অন্যদেরও ভালো কাজে এগিয়ে আসতে উৎসাহিত করবে।’ প্রধানমন্ত্রী তাদের জীবনসংগ্রাম ও ব্যতিক্রমী উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সচিবালয়ে তিনজন উদ্যোগী ব্যক্তির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন, তাদের কাজের প্রশংসা করেন এবং সহযোগিতার আশ্বাস দেন
- 📌 নায়লা শারাফ বুয়েট থেকে পাস করে সরকারি চাকরি ত্যাগ করে শিক্ষকতা বেছে নেন এবং সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য নিজস্ব শিক্ষা উপকরণ তৈরি করেন
- 📌 মো. আলতাফ হোসেন (দুই হাত না থাকা সত্ত্বেও) পা দিয়ে লেখালেখি শিখে ১৪৫ শিক্ষার্থী নিয়ে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন
- 📌 রেজাউল কিবরিয়া বাবুল নিজ উদ্যোগে হাজার হাজার গাছ লাগানোর মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণে অবদান রাখেন
- 📌 প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশ গঠনে আপনাদের মতো মানুষের অনেক প্রয়োজন’
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ সচিবালয়ে আজ বুধবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তিনজন অনুপ্রেরণাদায়ী ব্যক্তির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এদের মধ্যে ছিলেন বুয়েট থেকে পাস করে প্রাথমিক শিক্ষকতা বেছে নেওয়া নায়লা শারাফ, দুই হাত না থাকা সত্ত্বেও বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা মো. আলতাফ হোসেন এবং পরিবেশ সংরক্ষণে অবদান রাখা রেজাউল কিবরিয়া বাবুল। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু জানান, সাক্ষাৎকালে অনুপ্রেরণাদায়ী ব্যক্তিরা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। প্রধানমন্ত্রী তাদের জীবনসংগ্রাম ও ব্যতিক্রমী উদ্যোগের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনেন এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
নায়লা শারাফের ব্যতিক্রমী পেশা নির্বাচন বিশেষভাবে আলোচিত হয়। তিনি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে পড়াশোনা শেষ করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরে সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে যোগ দেন। পরে জনতা ব্যাংকে কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করেন। ৩৪তম বিসিএসে উত্তীর্ণ হওয়া সত্ত্বেও তিনি সরকারি চাকরি ত্যাগ করে শিক্ষকতা পেশা বেছে নেন। গত সাত বছর ধরে তিনি নেত্রকোনার পাঁচআননপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন। বিশেষ করে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পাঠদান সহজ করতে তিনি নিজেই শিক্ষা উপকরণ ও ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি করেন।
নরসিংদীর মো. আলতাফ হোসেনের জীবনসংগ্রামও বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। জন্ম থেকেই তার দুই হাত নেই। তবে তিনি পা দিয়ে লেখালেখি শিখে ২০০৭ সালে নরসিংদীর পাঁচদোনায় ‘প্রতিভা দুঃখু মিয়া কিন্ডারগার্টেন স্কুল’ প্রতিষ্ঠা করেন। নিজের সঞ্চয় ও পৈতৃক জমি বিক্রির অর্থ দিয়ে গড়ে তোলা এই বিদ্যালয়ে বর্তমানে ১৪৫ জন শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছেন এবং ১০ জন শিক্ষক কর্মরত আছেন। পা দিয়ে তিনি লেখালেখি ও বিদ্যালয়ের কার্যক্রম পরিচালনা করেন।
"দেশ গঠনে আপনাদের মতো মানুষের অনেক প্রয়োজন। আপনাদের মতো সবাই এগিয়ে এলে দেশ গঠন সহজ হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ সচিবালয়, নেত্রকোনার পাঁচআননপুর, নরসিংদীর পাঁচদোনা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তারেক রহমান, নায়লা শারাফ, মো. আলতাফ হোসেন, রেজাউল কিবরিয়া বাবুল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৪তম বিসিএস, ১৪৫ জন শিক্ষার্থী, ১০ জন শিক্ষক
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!