📌 চীনের উত্তর ও দক্ষিণ রাজবংশের সময় থেকে হাঁস রোস্টের লিখিত উল্লেখ পাওয়া যায়। ইউয়ান রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা কুবলাই খান রাজকীয় খাদ্যতালিকায় এই খাবারটিকে অন্তর্ভুক্ত করেন। বর্তমান বেইজিংয়ে স্থানান্তরিত হওয়ার পর পিকিং ডাকের জনপ্রিয়তা বাড়ে এবং জনসাধারণের খাবার হয়ে ওঠে
চীনের ঐতিহ্যবাহী খাবার পিকিং ডাকের উৎপত্তি এবং জনপ্রিয়তা সম্পর্কে একটি আকর্ষণীয় ইতিহাস রয়েছে। এই বিশেষ রান্নার পদ্ধতিতে হাঁসের চামড়া সহ মাংস রোস্ট করা হয়, যা সোনালি মচমচে হয়ে ওঠে। এই খাবারটি প্রথম লিখিতভাবে চীনের উত্তর ও দক্ষিণ রাজবংশের সময়কালের একটি রান্নার বইয়ে উল্লেখ পাওয়া যায়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১২৭১ সালে মঙ্গোল নেতা কুবলাই খান ইউয়ান রাজবংশ প্রতিষ্ঠা করলে হাঁস রোস্ট রাজকীয় খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়
- 📌 ১৩৩০ সালে সম্রাটের প্রধান পুষ্টিবিদ হু সিহুই তাঁর রান্নার বইয়ে হাঁস রোস্টের রেসিপি তালিকাভুক্ত করেন
- 📌 ১৪২১ সালে সম্রাট ইয়ংলে রাজধানী নানজিং থেকে পিকিং (বর্তমান বেইজিং) স্থানান্তরিত করলে রাজপ্রাসাদের শেফরা এই রেসিপিটি নিয়ে যান
- 📌 পিকিং ডাক তৈরি হয় হোয়াইট বেইজিং ডাক দিয়ে, যা জনপ্রিয় হয়ে ওঠে পঞ্চদশ শতাব্দী থেকে রেস্তোরাঁর মাধ্যমে
- 📌 হাঁসের চামড়া আলাদা করে কেটে চিনি বা রসুনের সসে ডুবিয়ে খাওয়া হয়
- 📌 হাঁসের বাকি অংশ দিয়ে সবজি সহ একটি সুস্বাদু স্যুপ তৈরি করা হয়
📰 বিস্তারিত
হাঁস রোস্টের ইতিহাস চীনের উত্তর ও দক্ষিণ রাজবংশের সময়কালে শুরু হয়। এই ঐতিহ্যবাহী খাবারটি প্রথম লিখিতভাবে একটি রান্নার বইয়ে উল্লেখ পাওয়া যায়। ১২৭১ সালে মঙ্গোল নেতা কুবলাই খান ইউয়ান রাজবংশ প্রতিষ্ঠা করলে এই খাবারটি রাজকীয় খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়। এরপর ১৩৩০ সালে সম্রাটের প্রধান পুষ্টিবিদ ও চিকিৎসক হু সিহুই তাঁর রান্নার বইয়ে হাঁস রোস্টের রেসিপি তালিকাভুক্ত করেন।
১৪২১ সালে সম্রাট ইয়ংলে রাজধানী নানজিং থেকে পিকিং (বর্তমান বেইজিং) স্থানান্তরিত করলে রাজপ্রাসাদের শেফরা এই রেসিপিটি নিয়ে যান। এরপর পিকিং তথা বর্তমান বেইজিংয়ে বড় আকারের হোয়াইট বেইজিং ডাক দিয়ে এই পদটি তৈরি শুরু হয়, যা ‘পিকিং ডাক’ নামে পরিচিতি পায়। পঞ্চদশ শতাব্দী থেকে ধীরে ধীরে জনসাধারণের খাবার হয়ে ওঠে এই বিশেষ রেসিপিটি।
পিকিং ডাক তৈরি করার সময় হাঁসের চামড়া আলাদা করে কেটে সামান্য চিনি বা রসুনের সসে ডুবিয়ে খাওয়া হয়। পাতলা করে কাটা হাঁসের মাংস, শসা, পেঁয়াজপাতা এবং মিষ্টি শিমের সস নরম ও পাতলা গমের রুটিতে মুড়িয়ে রোল বানিয়ে খাওয়া হয়। হাঁসের বাকি হাড় ও চামড়া দিয়ে সবজি সহ একটি সুস্বাদু এবং ঘন স্যুপ তৈরি করে শেষ পাতে দেওয়া হয়।
"ছবি সৌজন্য: হোয়াট টু কুক টুডে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চীন (উত্তর ও দক্ষিণ রাজবংশের সময়কাল), বেইজিং (পিকিং)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কুবলাই খান, হু সিহুই, সম্রাট ইয়ংলে
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২৭১, ১৩৩০, ১৪২১
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!