📌 পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা মো. শাহ আলম মোল্লাকে মারধর করে গুরুতর জখম করার অভিযোগ তুলেছেন তাঁর পরিবার। ঘটনার বিবরণে বলা হয়েছে, তাঁর ডান পায়ের গোড়ালি ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে
পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার বালিয়াতলী ইউনিয়নের চৌরাস্তা এলাকায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকে মারধর করে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে। গত শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে ঘটনাটি ঘটে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম মো. শাহ আলম মোল্লা (৬৭), যিনি উপজেলার বালিয়াতলী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 শাহ আলম মোল্লাকে মারধর করে ডান পায়ের গোড়ালি ভেঙে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ
- 📌 তাঁর শরীর ও মাথায় বিভিন্ন স্থানে জখমের চিহ্ন পাওয়া গেছে
- 📌 ঘটনার বিবরণ দিয়েছেন তাঁর পুত্রবধূ রুনা বেগম
- 📌 অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মজিবুর রহমান
- 📌 উন্নত চিকিৎসার জন্য শাহ আলম মোল্লাকে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে
📰 বিস্তারিত
শাহ আলম মোল্লার পরিবারের অভিযোগ, তাঁকে গাছের গুঁড়ি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়েছে। তাঁর ডান পায়ের গোড়ালি ভেঙে দেওয়া হয়েছে বলে প্রাথমিক চিকিৎসায় জানা গেছে। এছাড়া তাঁর মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারধরের চিহ্ন রয়েছে। ঘটনার সময় তিনি বালিয়াতলীর চৌরাস্তা বাজারে কেনাকাটা করতে গিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন তাঁর পুত্রবধূ রুনা বেগম।
রুনা বেগম আরও জানান, তাঁর শ্বশুরের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বাড়িতে দোয়া-মিলাদের আয়োজন করা হয়েছিল। ঘটনার সময় তিনি নিজেও উপস্থিত ছিলেন। তিনি দাবি করেন, বিএনপির কর্মী রুম্মান, তৌহিদ, দীন ইসলামসহ সাত থেকে আটজন তাঁর শ্বশুরকে মারধর করেন। এরপর তাঁর ডান পায়ের গোড়ালি ভেঙে দেওয়া হয়।
অভিযোগ অস্বীকার করে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মজিবুর রহমান বলেন, ‘আমার কোনো লোক এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়। রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের জন্য শাহ আলম মোল্লা আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করেছেন।’ তিনি আরও জানান, ঘটনার সঙ্গে তাঁর কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।
কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা কর্মকর্তা পলি সাহা জানান, শাহ আলম মোল্লাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তাঁর শরীর ও মাথায় জখমের চিহ্ন রয়েছে। তবে তাঁর ডান পায়ের আঘাত গুরুতর হওয়ায় তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
‘আমার কোনো লোক এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়। কে বা কারা এই হামলা করেছে, তা আমি জানি না।’ — মজিবুর রহমান, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কলাপাড়া, পটুয়াখালী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. শাহ আলম মোল্লা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৭ বছর, ৩ নম্বর ওয়ার্ড
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!