📅 ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পাসপোর্ট অফিসে লাইনের যুদ্ধ: কেন ছবি তোলার আগে এত কষ্টের পথ!

পাসপোর্ট অফিসে লাইনের যুদ্ধ: কেন ছবি তোলার আগে এত কষ্টের পথ!

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পাসপোর্ট অফিসে ছবি তোলার জন্য লাইনে দাঁড়ানোর সময়ে এনআইডি ভেরিফিকেশন থেকে শুরু করে কাগজপত্র অ্যাপ্রুভ পর্যন্ত অসহ্য কষ্টের সাক্ষাত। ফেসওয়াশ, ময়েশ্চারাইজার, সানস্ক্রিন মেখে যাওয়ার পরও পাসপোর্টের ছবি কেন এত খারাপ আসে, তা নিয়ে লেখক নিজের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেন

পাসপোর্টের ছবি তোলার জন্য ঢাকার আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসে যাওয়ার পর লেখককে অপেক্ষা, লাইন, এবং অসহ্য কষ্টের একটি দীর্ঘ যাত্রার সাক্ষাত হয়। ফেসওয়াশ, ময়েশ্চারাইজার, সানস্ক্রিন মেখে এবং চুলে জেল দিয়ে যাওয়ার পরেও পাসপোর্ট অফিসের ছবি তোলার প্রক্রিয়া কতটা জটিল, তা লেখক নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বর্ণনা করেছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১১টা টার স্লটে ছবি তোলার জন্য গেলেও এনআইডি ভেরিফিকেশন করতে হলে ৩০২ নম্বর রুমে যেতে হয়, যেখানে লাইন ছিল পাক্কা দুই ঘণ্টা লম্বা।
  • 📌 ১০৫ নম্বর রুমে পুরুষদের লাইনে দাঁড়ানোর সময় লেখককে ধমক দিয়ে বলা হয়, ‘এটা মহিলাদের লাইন, আপনি এখানে কী করেন?’
  • 📌 ৩টা টার লাঞ্চের সময়ে অফিসার ফিরে আসার পর ৪টা টায় এনআইডি ভেরিফিকেশন শেষ হয়, কিন্তু টোকেন নেওয়ার পর ২৩০ নম্বর টোকেনের জন্য ১৪৫ নম্বর পর্যন্ত লাইনে দাঁড়াতে হয়।
  • 📌 ৫০৫ নম্বর রুমে ছবি তোলার সময় লেখককে লাইনে দাঁড়াতে হয় সন্ধ্যা ছয়টার পর, যখন তার অবস্থা ছিল ‘ক্ষুধা-তৃষ্ণা গরমে ক্লান্ত, অবসন্ন, হতাশ’।
  • 📌 সন্ধ্যা সাতটায় ছবি তোলার সময় লেখকের অবস্থা ছিল এমন যে তার নিজের ছবি দেখে মনে হয় ‘পত্রিকার নিউজের সাথে দেওয়া গাঁজা গ্রেপ্তারকৃত যুবকের ছবি’।

📰 বিস্তারিত

লেখক আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসে ১১টা টার স্লটে ছবি তোলার জন্য গিয়েছিলেন। কিন্তু প্রথমেই জানতে পারেন যে, এনআইডি ভেরিফিকেশন করতে হবে ৩০২ নম্বর রুমে। সেখানে লাইন ছিল পাক্কা দুই ঘণ্টা লম্বা। লাইনে দাঁড়িয়ে লেখককে অবশেষে এনআইডি ভেরিফিকেশন করতে হয়। কাউন্টারের কর্মকর্তা জিজ্ঞেস করেন, ‘আপনি কি মহিলা?’ লেখককে ধমক দিয়ে বলা হয় যে, ‘এটা মহিলাদের লাইন, আপনি এখানে কী করেন?’

লেখক বুঝতে পারেন যে, তিনি ভুল রুমে এসেছিলেন। ১০৫ নম্বর রুমে পুরুষদের লাইনে দাঁড়ানোর সময়ও লাইন ছিল বিশাল। অফিসার লাঞ্চে যাওয়ার সময়ে লেখককে লাইনে দাঁড়াতে হয় দেড় ঘণ্টা। লাঞ্চের পর ৩টা টায় অফিসার ফিরে আসেন, এবং লেখক ৪টা টায় এনআইডি ভেরিফিকেশন শেষ করেন।

টোকেন নেওয়ার পর লেখককে জানানো হয় যে, ২৩০ নম্বর টোকেনের জন্য ১৪৫ নম্বর পর্যন্ত লাইনে দাঁড়াতে হবে। কাগজপত্র অ্যাপ্রুভ করতে গিয়ে লেখককে জানানো হয় যে, ঢাকায় থাকার প্রমাণ হিসেবে বাড়িভাড়ার চুক্তিপত্র লাগবে। শুধু কারেন্ট বিলেই হবে না। লেখক আবার বাসায় গিয়ে চুক্তিপত্র নিয়ে আসেন।

ছবি তোলার জন্য ৫০৫ নম্বর রুমে গিয়ে লেখককে লাইনে দাঁড়াতে হয় সন্ধ্যা ছয়টার পর। সেখানে লাইন ছিল এমন যে, লেখককে লাইনে দাঁড়াতে হয় সন্ধ্যা সাতটার পর। তার অবস্থা ছিল ‘ক্ষুধা-তৃষ্ণা গরমে ক্লান্ত, অবসন্ন, হতাশ’। তার নিজের ছবি দেখে মনে হয় ‘পত্রিকার নিউজের সাথে দেওয়া গাঁজা গ্রেপ্তারকৃত যুবকের ছবি’।

"আমি নিয়মিত সব ধরনের নেশায় জড়িত নই, কিন্তু এই ছবি দেখে কার বলার সাধ্য আছে?"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিস, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: লেখক (মহিলা)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১টা, ১০টা, ৩০২, ১০৫, ২৩০, ৫০৫

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖