📌 জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে সাংসদীয় কমিটি গঠন ও ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ বিল উত্থাপনে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। সম্পত্তি হস্তান্তর ও মানবাধিকার সুরক্ষা-সংক্রান্ত বিলসহ বেশ কয়েকটি আইনের খসড়া প্রস্তুত রয়েছে
জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে সাংসদীয় কমিটিগুলো গঠনকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হতে যাওয়া অধিবেশনটি ৫, ৭ বা ১০ দিনের সংক্ষিপ্ত অধিবেশন হতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন। প্রয়োজন হলে অধিবেশনের মেয়াদ বাড়ানো হবে বলেও জানান তিনি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন শুরু হতে যাচ্ছে
- 📌 সাংসদীয় কমিটিগুলো গঠনে বিরোধী দলের সদস্যদের নাম পাওয়া মাত্রই চূড়ান্ত করা হবে
- 📌 অধিবেশনটি সংক্ষিপ্ত হলেও প্রয়োজন হলে মেয়াদ বাড়ানো হবে
- 📌 তৃতীয় অধিবেশনে ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ বিল উত্থাপিত হতে পারে
- 📌 সম্পত্তি হস্তান্তর ও গুম-মানবাধিকার সুরক্ষা-সংক্রান্ত বিল অন্যতম
- 📌 সম্পত্তি হস্তান্তর আইনে বাবা-মায়ের জীবিত থাকা পর্যন্ত ভোগদখলের অধিকার সংরক্ষিত থাকবে
- 📌 সংবিধান সংশোধনের জন্য ১৭ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠনের প্রস্তাব রয়েছে
- 📌 বিএনপি থেকে ৭ ও জামায়াত থেকে ৫ সদস্য নিয়ে কমিটি গঠনের প্রস্তাব
📰 বিস্তারিত
সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি জানিয়েছেন, তৃতীয় অধিবেশনে সাংসদীয় কমিটিগুলো গঠনে বিরোধী দলের সদস্যদের নাম পাওয়া মাত্রই সংশ্লিষ্ট কমিটিগুলো চূড়ান্ত করা হবে। অধিবেশনটি সংক্ষিপ্ত হলেও প্রয়োজন হলে মেয়াদ বাড়ানো হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। অধিবেশনটি ৫, ৭ বা ১০ দিনের হতে পারে বলে তিনি জানান।
তিনি বলেন, তৃতীয় অধিবেশনে প্রায় ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ বিল উত্থাপিত হতে পারে। এর মধ্যে সম্পত্তি হস্তান্তর, গুম ও মানবাধিকার সুরক্ষা-সংক্রান্ত বিল উল্লেখযোগ্য। সম্পত্তি হস্তান্তর-সংক্রান্ত প্রস্তাবিত আইনের বিষয়ে তিনি বলেন, বাবা-মা সন্তানকে সম্পত্তি লিখে দিলেও তাঁরা জীবিত থাকা পর্যন্ত ওই সম্পত্তির ভোগদখল ও ব্যবহারের অধিকার বজায় থাকবে। এর মাধ্যমে সম্পত্তি হস্তান্তরের পর বাবা-মায়ের প্রতি সন্তানের অবহেলা রোধের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
সংবিধান সংশোধন প্রসঙ্গে নূরুল ইসলাম বলেন, জুলাই সনদের ধারাবাহিকতায় জনগণ নির্বাচনী ইশতেহার দেখেই ভোট দিয়েছেন এবং তাঁদের ওপর আস্থা রেখেছেন। সেই আস্থার ভিত্তিতেই তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হন। দেশের স্বার্থে প্রয়োজন হলে নতুন আইন প্রণয়ন এবং বিদ্যমান আইনে পরিবর্তন আনা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। সংবিধানের একটি কমা, দাঁড়ি কিংবা সেমিকোলনের পরিবর্তনও সংবিধান সংস্কারের অংশ বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, সংবিধান সংশোধনের জন্য ১৭ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠনের প্রস্তাব রয়েছে। এতে বিএনপি থেকে সাতজন এবং জামায়াত থেকে পাঁচজন সদস্য রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। অন্যান্য ছোট দল থেকেও একজন করে সদস্য রাখার প্রস্তাব রয়েছে। বিরোধী দল তাদের সদস্যদের নাম দিলে তাঁদেরও কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
"সংসদের বাইরে অস্থিরতা সৃষ্টি না করে বিরোধী দল যেন জনগণের সমস্যা ও দেশের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সংসদে তুলে ধরে আলোচনা ও বিতর্কের মাধ্যমে সমাধানের পথ বের করে, সেই প্রত্যাশা করি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাতীয় সংসদ ভবন, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নূরুল ইসলাম মনি (চিফ হুইপ)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ (বিল), ১৭ (কমিটি সদস্য), ৭৬ (ভারতের সংবিধান সংশোধন), ১০৬ (ভারতের সংবিধান সংশোধনের সংখ্যা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!