📌 ঢাকার পল্লবী বিহারি শিবিরে পানির পাম্প স্থাপনকে কেন্দ্র করে জামায়াত ও বিএনপিপন্থিদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলে পাঁচ রাউন্ড ফাঁকা গুলিবর্ষণ ও ককটেল নিক্ষেপের অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে
ঢাকার পল্লবী বিহারি শিবির এলাকায় পানির পাম্প স্থাপনকে কেন্দ্র করে জামায়াত ও বিএনপিপন্থিদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থলে কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলিবর্ষণ ও ককটেল নিক্ষেপের অভিযোগ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। শনিবার বিকেল ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পল্লবী বিহারি শিবিরে মৃতদেহ গোসলখানায় পানির পাম্প স্থাপনকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের বিরোধ
- 📌 স্থানীয় জামায়াত কর্মী মানিকের নেতৃত্বে প্রায় ৫০-৬০ জন এবং বিএনপিপন্থি নেতা সোহেল ও বিহারি সংগঠনের নেতা সাদাকাত খান ফাক্কুর নেতৃত্বে প্রায় ২০০-২৫০ জনের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
- 📌 ঘটনাস্থলে পাঁচ রাউন্ড ফাঁকা গুলিবর্ষণ ও ককটেল নিক্ষেপের অভিযোগ
- 📌 পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাসান বাসির জানান, কেউ আহত হননি বলে ধারণা
📰 বিস্তারিত
পল্লবী বিহারি শিবির এলাকায় মৃতদেহ গোসলখানা নির্মাণের সময় পানির পাম্প স্থাপনকে কেন্দ্র করে প্রথমে বিহারি সম্প্রদায়ের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। পরবর্তীতে তা জামায়াত ও বিএনপিপন্থিদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মানিকের নেতৃত্বাধীন জামায়াত কর্মী দল এবং সোহেল ও সাদাকাত খান ফাক্কুর নেতৃত্বাধীন বিএনপিপন্থি দলের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে পাঁচ রাউন্ড ফাঁকা গুলিবর্ষণ ও ককটেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে বলে পুলিশ জানায়।
পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান বাসির বলেন, ‘পানির পাম্প স্থাপন নিয়ে বিরোধ শুরু হয়। বিষয়টি মূলত বিহারি সম্প্রদায়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল, কিন্তু পরে তা দুই পক্ষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে।’ তিনি আরও জানান, ঘটনাস্থলে ঢিল ছোড়াছুড়ির ঘটনা ঘটলেও কেউ আহত হননি বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, বর্তমানে ক্যাম্প এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সতর্ক অবস্থায় রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
‘পানির পাম্প স্থাপন নিয়ে বিরোধ শুরু হয়। বিষয়টি মূলত বিহারি-বিহারিদের মধ্যে ছিল। পরে এর জেরে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ ছড়িয়ে পড়ে।’ — পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাসান বাসির
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পল্লবী বিহারি শিবির, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মানিক (জামায়াত কর্মী), সোহেল (বিএনপিপন্থি নেতা), সাদাকাত খান ফাক্কু (বিহারি সংগঠনের নেতা), হাসান বাসির (পল্লবী থানার ওসি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০-৬০ জন (জামায়াত কর্মী), ২০০-২৫০ জন (বিএনপিপন্থি দল), ৫ রাউন্ড ফাঁকা গুলিবর্ষণ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!