📅 ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পলাশীর যুদ্ধের সত্য: জগৎশেঠ ও মির জাফরের বিশ্বাসঘাতকতা কীভাবে ইংরেজদের বিজয় সৃষ্টি করেছিল?

পলাশীর যুদ্ধের সত্য: জগৎশেঠ ও মির জাফরের বিশ্বাসঘাতকতা কীভাবে ইংরেজদের বিজয় সৃষ্টি করেছিল?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ১৭৫৭ সালের পলাশীর যুদ্ধে ইংরেজদের বিজয়ের পিছনে ছিল জগৎশেঠ ও মির জাফরের বিশ্বাসঘাতকতা। প্রথম আলোর প্রকাশিত একটি গবেষণামূলক লেখায় উঠে এসেছে এই প্রহসনের সত্যিকারের ঘটনাবলী, যেখানে নবাব সিরাজের বিরুদ্ধে অর্থলোভী শেঠদের ভূমিকা ও ইংরেজদের সৈন্য সংখ্যা সম্পর্কে অজানা তথ্য প্রকাশ পেয়েছে

১৭৫৭ সালের পলাশীর যুদ্ধে ইংরেজদের বিজয়ের পিছনে ছিল জগৎশেঠ ও মির জাফরের বিশ্বাসঘাতকতা। প্রথম আলোর প্রকাশিত একটি গবেষণামূলক লেখায় উঠে এসেছে এই প্রহসনের সত্যিকারের ঘটনাবলী, যেখানে নবাব সিরাজ-উদ-দৌলার বিরুদ্ধে অর্থলোভী শেঠদের ভূমিকা ও ইংরেজদের সৈন্য সংখ্যা সম্পর্কে অজানা তথ্য প্রকাশ পেয়েছে। এই লেখাটি প্রথম আলোর সাহিত্য সাময়িকী ২০০৭ সালের ২১ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত হয়েছিল এবং এখন অনলাইনে পাঠকদের জন্য উপলব্ধ করা হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 পলাশীর যুদ্ধে ইংরেজদের মোট সৈন্য সংখ্যা ছিল মাত্র ৩ হাজার ১৫০ জন — ৬০০ পদাতিক, ৫০ নৌ সৈন্য, ১৫০ গোলন্দাজ এবং ২ হাজার ১০০ দক্ষিণ ভারতীয় সিপাহি।
  • 📌 নবাব সিরাজ-উদ-দৌলার বাহিনীতে ছিল ৫০ হাজার পদাতিক, ১৫ হাজার অশ্বারোহী এবং ৫০টি কামান — কিন্তু ইংরেজরা তাদের সংখ্যা কমিয়ে ২০ হাজার বলে দাবি করেছিল।
  • 📌 জগৎশেঠ ও মির জাফর সিরাজের বিরুদ্ধে বিশ্বাসঘাতকতা করে ইংরেজদের বিজয় সৃষ্টি করেছিল। ইংরেজ লেখক কর্নেল মেলিসন লিখেছেন, ‘পলাশীর যুদ্ধে বিজয় লাভের কারণ ছিল বিশ্বাসঘাতকতা, যা নায়কদের গৌরবকে ম্লান করে দিয়েছে’।
  • 📌 নবাব মুর্শিদ কুলি খানের সাত কোটি টাকা জগৎশেঠের কাছে ছিল, কিন্তু তার দৌহিত্র নবাব সরফরাজ খান টাকার দাবি করলে শেঠরা তাকে হত্যা করে।
  • 📌 ইংরেজদের প্রধান কর্নেল ক্লাইভের সঙ্গে ছিল মাত্র ৬টি কামান, কিন্তু যুদ্ধে তিনি শুধু দুটি কামান ব্যবহার করেছিলেন।

📰 বিস্তারিত

১৭৫৭ সালের ২৩ জুন পলাশীর আম্রকাননে সংঘটিত পলাশীর যুদ্ধে ইংরেজদের বিজয়ের পিছনে ছিল জগৎশেঠ ও মির জাফরের বিশ্বাসঘাতকতা। এই যুদ্ধে ইংরেজ বাহিনীর প্রধান কর্নেল ক্লাইভের অধীন ছিল মাত্র ৩ হাজার ১৫০ জন সৈন্য — ৬০০ পদাতিক, ৫০ নৌ সৈন্য, ১৫০ গোলন্দাজ এবং ২ হাজার ১০০ দক্ষিণ ভারতীয় সিপাহি। এর মধ্যে অতি অল্পসংখ্যক পর্তুগিজ সৈন্যও ছিল। ইংরেজ ইতিহাসবিদ এডওয়ার্ড থর্নটন তার ‘দ্য হিস্ট্রি অব দ্য ব্রিটিশ এম্পায়ার ইন ইন্ডিয়া’ গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন, ক্লাইভের সঙ্গে ছিল মোট ৬টি কামান।

বিপরীতে, নবাব সিরাজ-উদ-দৌলার বাহিনীতে ছিল ৫০ হাজার পদাতিক, ১৫ হাজার সুশিক্ষিত অশ্বারোহী এবং ৫০টি কামান। যুদ্ধের সময় ক্লাইভের সৈন্যরা হতাশ হয়ে পিছু হটতে বাধ্য হলেও, মির জাফর ও জগৎশেঠের বিশ্বাসঘাতকতা ইংরেজদের বিজয় সৃষ্টি করে। ইংরেজ লেখক কর্নেল মেলিসন তার ‘ডিসাইসিভ ব্যাটলস অব ইন্ডিয়া’ গ্রন্থে লিখেছেন, ‘পলাশীর যুদ্ধে বিজয় লাভের কারণ ছিল বিশ্বাসঘাতকতা, যা নায়কদের গৌরবকে ম্লান করে দিয়েছে’।

জগৎশেঠরা অর্থলোভী ছিলেন এবং নবাব মুর্শিদ কুলি খানের সাত কোটি টাকা তাদের কাছে ছিল। কিন্তু নবাব সরফরাজ খান টাকার দাবি করলে শেঠরা তাকে হত্যা করে। নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা জগৎশেঠদের অর্থোপার্জনের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন, যার কারণে তারা ইংরেজদের সহায়তা করেছিল। ইংরেজদের প্রধান কর্নেল ক্লাইভ শুধু দুটি কামান ব্যবহার করে নবাবের বাহিনীকে আক্রমণ করেছিলেন, আর বাকি চারটি কামান ও সৈন্যদের নিয়ে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেন।

"পলাশীর রণাঙ্গনে এই স্মরণীয় বিশ্বাসঘাতকতার কাজ করা হয়। যেখানে বিদ্রোহের পতাকা উত্তোলিত করা হয়, সেখানেই কয়েকজন ব্রিটিশ সৈনিক অমর সম্মান লাভ করেছিলেন বলে বলা হয়। সেই মহৎ কাজটি তাঁরা করেছিলেন সেই দেশের বৈধ নৃপতির রাজত্ব ও জীবনের বিরুদ্ধে রক্তাক্ত সংগ্রামের উসকানি দিয়ে এবং তাঁদের নেতাদের মৃত্যু বা রণক্ষেত্র পরিত্যাগের ফলে উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে শত্রুপক্ষের মধ্যে যে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছিল, সে সুযোগে তাঁরা এ কাজ করতে পেরেছিলেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: পলাশী, কলকাতা, ভারত
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জগৎশেঠ, মির জাফর, নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা, কর্নেল ক্লাইভ, নবাব মুর্শিদ কুলি খান, নবাব সরফরাজ খান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫০ বছর (পলাশীর যুদ্ধের ২৫০ বছর উপলক্ষে), ২১ সেপ্টেম্বর (প্রকাশিত তারিখ), ২৩ জুন (যুদ্ধের তারিখ), ৬০০ পদাতিক, ৫০ নৌ সৈন্য, ১৫০ গোলন্দাজ, ২ হাজার ১০০ সিপাহি, ৩ হাজার ১৫০ সৈন্য, ৫০ হাজার পদাতিক, ১৫ হাজার অশ্বারোহী, ৫০ কামান

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖