📌 কিশোরগঞ্জের পাগলা মসজিদের রত্নভান্ডার থেকে উন্মোচিত হয়েছে ৯ কনটেইনার সোনা-রুপা এবং বৈদেশিক মুদ্রা। জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিনের তত্ত্বাবধানে নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত মহা হিসাব নিরীক্ষণে জানা গেছে, ৬ বছরে জমা হয়েছে ১ হাজার ৪৪ ভরি সোনা ও ১ হাজার ৮৮ ভরি রুপা
কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের রত্নভান্ডার থেকে সোমবার (১২ অক্টোবর) সকাল ৯টায় উন্মোচিত হয়েছে ৯ কনটেইনার সোনা-রুপা এবং বৈদেশিক মুদ্রা। কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় এই রত্নভান্ডারের দরজা খোলা হয় এবং সেখানে ৯টি কনটেইনার সোনা-রুপা এবং ৬টি সিলগালা খাম বৈদেশিক মুদ্রা পাওয়ার পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিনের তত্ত্বাবধানে এই মহা হিসাব নিরীক্ষণ পরিচালিত হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **৯ কনটেইনার সোনা-রুপা** ও **৬টি সিলগালা খাম বৈদেশিক মুদ্রা** উন্মোচিত হয়েছে পাগলা মসজিদের রত্নভান্ডার থেকে
- 📌 **১ হাজার ৪৪ ভরি সোনা** ও **১ হাজার ৮৮ ভরি রুপা** পাওয়ার পরিমাণ জানানো হয়েছে
- 📌 **৩০টি দেশের বৈদেশিক মুদ্রা** পাওয়া গেছে, যা ব্যাংক বিনিময় হার অনুযায়ী নগদায়ন করা হবে
- 📌 **১৩১ কোটি ৮৫ লাখ টাকা** বর্তমানে মসজিদের তহবিলে জমা আছে, এছাড়া ওয়েবসাইটে ৩৯ লাখ টাকা অনুদান পেয়েছে
- 📌 **১৮ বার** দানবাক্স খোলা হয়েছে, কিন্তু এই প্রথম সোনা-রুপা পরিমাপ ও বৈদেশিক মুদ্রা গণনার আয়োজন করা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
সকাল ৯টায় পাগলা মসজিদের রত্নভান্ডারের দরজা খোলা হয়। এরপর নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় ৯টি কনটেইনার সোনা-রুপা এবং ৬টি সিলগালা খাম বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ে আসা হয় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে। দিনভর চলে এই মহা হিসাব নিরীক্ষণ। জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিনের তত্ত্বাবধানে এই কার্যক্রম পরিচালিত হয়। নিরাপত্তায় ছিলেন তিনজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ১০ জন পুলিশ সদস্য এবং ছয়জন এসআরবি সদস্য। পরিমাপ ও মুদ্রা গণনার কাজ করেন জেলা প্রশাসন ও পাগলা মসজিদের কর্মীরা। তাদের সহায়তা করেন রূপালী ব্যাংকের কর্মকর্তা ও জুয়েলারি সমিতির ১০ জন স্বর্ণকার।
বিকেল সাড়ে ৫টায় জানানো হয়, ৬ বছরে জমা হয়েছে ১ হাজার ৪৪ ভরি সোনা ও ১ হাজার ৮৮ ভরি রুপা। পাওয়ার গেছে প্রায় ৩০টি দেশের বৈদেশিক মুদ্রা। এই তথ্য দেন কার্যক্রমের দায়িত্বে থাকা রূপালী ব্যাংকের কিশোরগঞ্জ শাখার এ জি এম মোহাম্মদ আলী হারেছী। সোনা ও রুপার বর্তমান বাজারমূল্য নির্ধারণ করে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে নিলামে বিক্রি করা হবে। বৈদেশিক মুদ্রাগুলো ব্যাংকের বিনিময় হার অনুযায়ী নগদায়ন করা হবে।
পাগলা মসজিদের দানবাক্স খোলা হয় তিন মাস পরপর। বাক্সে পাওয়া যায় টাকা-পয়সাসহ সোনা-দানা। খোলার সাথে সাথেই টাকার অঙ্ক হিসাব করে জানিয়ে দেয়া হয়। কিন্তু বাক্সে পাওয়া সোনা-দানা পাঠিয়ে দেয়া হয় জেলা প্রশাসনের ট্রেজারিতে। সবশেষ এই রত্নভান্ডারের হিসাব হয়েছিল ২০২০ সালের ১১ মার্চ। ওই সময় প্রায় তিন বছরে জমা হওয়া ৪২০ ভরি সোনা ও ১৮৮ ভরি রুপা নিলামে বিক্রি করা হয়। দাম পাওয়া যায় ১ কোটি ১১ লাখ ১০ হাজার ১২০ টাকা। এ ছাড়া বৈদেশিক মুদ্রা নগদায়ন করে পাওয়া যায় ১ লাখ ২৭ হাজার ৬৫১ টাকা।
"এই রত্নভান্ডারের হিসাব নিরীক্ষণে অংশগ্রহণকারী রূপালী ব্যাংকের কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী হারেছী বলেন, ‘সোনা ও রুপার বর্তমান বাজারমূল্য নির্ধারণ করে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে নিলামে বিক্রি করা হবে। বৈদেশিক মুদ্রাগুলো ব্যাংকের বিনিময় হার অনুযায়ী নগদায়ন করা হবে।’"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পাগলা মসজিদ, কিশোরগঞ্জ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন, এ জি এম মোহাম্মদ আলী হারেছী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯ কনটেইনার সোনা-রুপা, ১ হাজার ৪৪ ভরি সোনা, ১ হাজার ৮৮ ভরি রুপা, ৩০টি দেশের মুদ্রা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!