📅 ১২ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৪৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কিশোরগঞ্জের পাগলা মসজিদের দানবাক্সে ১২ কেজি সোনা ও ১২ কেজি রূপা পাওয়া যায়, গণনা শেষে ঘোষণা করা হয় চূড়ান্ত পরিমাণ

কিশোরগঞ্জের পাগলা মসজিদের দানবাক্সে ১২ কেজি সোনা ও ১২ কেজি রূপা পাওয়া যায়, গণনা শেষে ঘোষণা করা হয় চূড়ান্ত পরিমাণ

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কিশোরগঞ্জের পাগলা মসজিদের দানবাক্স থেকে ১২ কেজি ১৭৪ গ্রাম সোনা ও ১২ কেজি ৬৯০ গ্রাম রূপা পাওয়া গেছে। জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে গণনা শেষে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. এরশাদুল আহমেদ ঘোষণা করেন চূড়ান্ত পরিমাণ। দীর্ঘ ছয় বছর পর এই গণনা সম্পন্ন হয়

কিশোরগঞ্জের পাগলা মসজিদের দানবাক্স থেকে প্রাপ্ত সোনা ও রূপার অলংকারের চূড়ান্ত পরিমাণ ঘোষণা করা হয়েছে। আজ সোমবার সন্ধ্যা ৬টায় জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে গণনা শেষে জানা যায়, সোনার অলংকারের মোট ওজন ১২ কেজি ১৭৪ গ্রাম এবং রূপার অলংকারের ওজন ১২ কেজি ৬৯০ গ্রাম। দীর্ঘ সাড়ে ছয় বছর পর এই গণনা সম্পন্ন হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 কিশোরগঞ্জের পাগলা মসজিদের দানবাক্স থেকে ১২ কেজি ১৭৪ গ্রাম সোনা ও ১২ কেজি ৬৯০ গ্রাম রূপা পাওয়া যায়
  • 📌 গণনা শেষে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. এরশাদুল আহমেদ ঘোষণা করেন চূড়ান্ত পরিমাণ
  • 📌 ৯টি কনটেইনার ও ৬টি সিলগালা খাম খুলে গণনা করা হয়, বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির ১০ জন কারিগর অংশ নেন
  • 📌 জেলা প্রশাসনের ৩জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ১০ জন পুলিশ ও ৬জন এসআরবি সদস্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন
  • 📌 ২০২০ সালের ১১ মার্চ সর্বশেষ গণনা করা হয়েছিল, তখন ৪২০ ভরি সোনা ও ১৮৮ ভরি রূপা পাওয়া যায়
  • 📌 মসজিদের হিসাবে রূপালী ব্যাংকে ১৩১ কোটি টাকা জমা রয়েছে, অনলাইনে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ৩৯ লাখ টাকা অনুদান পাওয়া গেছে

📰 বিস্তারিত

কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ট্রেজারিতে সংরক্ষিত সোনা ও রূপার অলংকারের গণনা আজ সকাল ৯টায় শুরু হয়। জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ৯টি মাঝারি আকারের কনটেইনার ও ছয়টি সিলগালা খাম খুলে কার্যক্রম শুরু করা হয়। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির (বাজুস) ১০ জন কারিগর সোনা ও রূপার অলংকারের মান অনুযায়ী পৃথক করে ওজন নির্ধারণ করেন। গণনা শেষে সন্ধ্যা ৬টায় চূড়ান্ত পরিমাণ ঘোষণা করেন কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও দানবাক্স খোলা কমিটির আহ্বায়ক মো. এরশাদুল আহমেদ।

সোনা-রূপার ওজন পরিমাপ ও বৈদেশিক মুদ্রা গণনার কাজে স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের তিনজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ১০ জন পুলিশ সদস্য ও ছয়জন এসআরবি সদস্য দায়িত্ব পালন করেছেন। উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ইশতিয়াক ইমন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. এরশাদুল আহমেদ এবং কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল হাসান মারুফসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন বলেন, ‘অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে গঠিত উপকমিটির তত্ত্বাবধানে গণনা ও ওজন নির্ধারণের কাজ করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ, আনসার, ব্যাংক কর্মকর্তা ও স্বর্ণকারদের সহযোগিতা নিয়ে কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। অলংকারগুলোর সঠিক ওজন ও মান নির্ধারণের পর বাজারদর বিবেচনায় নিয়ে জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে প্রকাশ্য নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে। বৈদেশিক মুদ্রাগুলো দেশ অনুযায়ী আলাদা করে বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ বিনিময় হার অনুসারে স্থানীয় মুদ্রায় রূপান্তর করা হবে।’

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের ১১ মার্চ সর্বশেষ পাগলা মসজিদের দানবাক্সে পাওয়া সোনা, রূপা ও বৈদেশিক মুদ্রা গণনা করা হয়েছিল। সে সময় প্রায় তিন বছর ধরে জমা হওয়া ৪২০ ভরি স্বর্ণ ও ১৮৮ ভরি রূপার অলংকার নিলামে বিক্রি করে ১ কোটি ১৫ লাখ টাকা পাওয়া যায়। অলংকারগুলো বিভিন্ন শ্রেণিতে ভাগ করে বিক্রি করা হয়েছিল। এ ছাড়া বৈদেশিক মুদ্রা বিক্রি করে পাওয়া গিয়েছিল ৭০ লাখ টাকা।

"অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে গঠিত উপকমিটির তত্ত্বাবধানে গণনা ও ওজন নির্ধারণের কাজ করা হয়েছে। অলংকারগুলোর সঠিক ওজন ও মান নির্ধারণের পর বাজারদর বিবেচনায় নিয়ে প্রকাশ্য নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, পাগলা মসজিদ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. এরশাদুল আহমেদ (অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট), সোহানা নাসরিন (জেলা প্রশাসক), খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান (জেলা পরিষদের প্রশাসক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ কেজি ১৭৪ গ্রাম সোনা, ১২ কেজি ৬৯০ গ্রাম রূপা, ৯টি কনটেইনার, ৬টি সিলগালা খাম, ১০ জন কারিগর, ১ কোটি ১৫ লাখ টাকা (২০২০ সালের বিক্রি)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖