📅 ১২ অক্টোবর ২০২৬, ৯:০২ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কিশোরগঞ্জের পাগলা মসজিদের দানবাক্সে ১০৪৪ ভরি সোনা ও ৩০ দেশের বৈদেশিক মুদ্রা পাওয়া যায়

কিশোরগঞ্জের পাগলা মসজিদের দানবাক্সে ১০৪৪ ভরি সোনা ও ৩০ দেশের বৈদেশিক মুদ্রা পাওয়া যায়

📷 ছবি: Bangladesh Times

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বাংলাদেশ টাইমস ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স থেকে ছয় বছরে ১০৪৪ ভরি সোনা ও ১০৮৮ ভরি রুপা পাওয়ার পাশাপাশি ৩০টি দেশের বৈদেশিক মুদ্রা পাওয়া গেছে। জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে সোনা ও রুপার পরিমাপ ও বৈদেশিক মুদ্রার গণনা সম্পন্ন হয়েছে

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স থেকে ছয় বছরে জমা হওয়া ১০৪৪ ভরি সোনা ও ১০৮৮ ভরি রুপা পাওয়ার পাশাপাশি ৩০টি দেশের বৈদেশিক মুদ্রা পাওয়া গেছে। সোমবার (১২ অক্টোবর) জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে সোনা-রুপা ও বৈদেশিক মুদ্রার পরিমাপ ও গণনা সম্পন্ন হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 পাগলা মসজিদের দানবাক্সে ১০৪৪ ভরি সোনা ও ১০৮৮ ভরি রুপা পাওয়া গেছে, যা মোট ১২ কেজি ১৭৪ গ্রাম ও ১২ কেজি ৬৯০ গ্রামের সমান
  • 📌 ৩০টি দেশের বৈদেশিক মুদ্রা পাওয়া গেছে, তবে এগুলোর গণনা আরো সময় নেবে
  • 📌 জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিনের তত্ত্বাবধানে নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা ও গণনার দায়িত্ব পালন করা হয়
  • 📌 সোনা ও রুপার বাজারমূল্য নির্ধারণের পর নিলামে বিক্রি করা হবে, বৈদেশিক মুদ্রা ব্যাংক বিনিময়ে নগদায়ন করা হবে
  • 📌 সর্বশেষ ২০২০ সালে ৪২০ ভরি সোনা ও ১৮৮ ভরি রুপা পাওয়ার পরিমাণ ছিল, যা নিলামে ১ কোটি ১১ লাখ টাকার বেশি আয় করে

📰 বিস্তারিত

১২ অক্টোবর সকাল ৯টায় জেলা প্রশাসনের ট্রেজারি থেকে সিলগালা করা কন্টেইনার ও খাম বের করা হয়। কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা করে নেওয়া হয় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে। সেখানে নয়টি কন্টেইনারে রাখা সোনা-রুপা এবং ছয়টি সিলগালা খামে থাকা বৈদেশিক মুদ্রা গণনা ও পরিমাপের কাজ শুরু হয়। দিনভর এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়। জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিনের তত্ত্বাবধানে এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়। নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন তিনজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ১০ জন পুলিশ সদস্য ও ছয়জন এসআরবি সদস্য।

পরিমাপ ও মুদ্রা গণনার কাজে অংশ নেন জেলা প্রশাসন, পাগলা মসজিদ ও রূপালী ব্যাংকের কর্মকর্তারা। তাঁদের সহযোগিতা করেন জুয়েলারি সমিতির ১০ জন স্বর্ণকার। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. এরশাদুল আহমেদ জানান, ছয় বছরে জমা হওয়া সোনার পরিমাণ ১২ কেজি ১৭৪ গ্রাম, যা ১০৪৪ ভরি। আর রুপার পরিমাণ ১২ কেজি ৬৯০ গ্রাম, যা ১০৮৮ ভরি।

রূপালী ব্যাংকের কিশোরগঞ্জ শাখার সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) মোহাম্মদ আলী হারেছী জানান, ৩০টি দেশের বৈদেশিক মুদ্রা পাওয়া গেছে। তবে এসব মুদ্রা গণনা করতে আরো সময় লাগবে। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, সোনা ও রুপার বর্তমান বাজারমূল্য নির্ধারণের পর পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে নিলামের মাধ্যমে সেগুলো বিক্রি করা হবে। আর বৈদেশিক মুদ্রা ব্যাংকের বিনিময় হার অনুযায়ী নগদায়ন করা হবে।

"সোনা ও রুপার বাজারমূল্য নির্ধারণের পর পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে নিলামের মাধ্যমে সেগুলো বিক্রি করা হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষ, পাগলা মসজিদ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. এরশাদুল আহমেদ, এজিএম মোহাম্মদ আলী হারেছী
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০৪৪ ভরি সোনা, ১০৮৮ ভরি রুপা, ৩০টি দেশের বৈদেশিক মুদ্রা, ১২ কেজি ১৭৪ গ্রাম সোনা, ১২ কেজি ৬৯০ গ্রাম রুপা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖