📅 ১২ অক্টোবর ২০২৬, ৩:০১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে জমা সোনা-রূপা ও বৈদেশিক মুদ্রার ৬ বছর পর গণনা শুরু, ১৫ কোটি টাকা নগদ পাওয়া গিয়েছিল

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে জমা সোনা-রূপা ও বৈদেশিক মুদ্রার ৬ বছর পর গণনা শুরু, ১৫ কোটি টাকা নগদ পাওয়া গিয়েছিল

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কিশোরগঞ্জের পাগলা মসজিদের দানবাক্সে জমা সোনা-রূপা ও বৈদেশিক মুদ্রার ৬ বছর পর গণনা শুরু হয়েছে। জেলা প্রশাসকের তত্ত্বাবধানে ৯টি কনটেইনার ও ৬টি সিলগালা খোলা হয়েছে। ২০২০ সালের ১১ মার্চের পর সর্বশেষ ২৭ জুনে ১৫ কোটি টাকা নগদ পাওয়া গিয়েছিল

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদ ও ইসলামিক কমপ্লেক্সের দানবাক্সে জমা সোনা, রূপা ও বৈদেশিক মুদ্রার ৬ বছর পর গণনা ও ওজন নির্ধারণের কাজ শুরু হয়েছে। সোমবার সকাল ৯টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ট্রেজারিতে সংরক্ষিত মূল্যবান সামগ্রী বের করে আজ থেকে এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 জেলা প্রশাসকের তত্ত্বাবধানে ৯টি কনটেইনার ও ৬টি সিলগালা খোলা হয়েছে, যেখানে সোনা-রূপার অলংকার ও বৈদেশিক মুদ্রা জমা আছে
  • 📌 বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির (বাজুস) ১০ জন কারিগর সোনা ও রূপার মান ও ওজন নির্ধারণ করছেন
  • 📌 ২০২০ সালের ১১ মার্চের পর সর্বশেষ ২৭ জুনে দানবাক্স খুলে পাওয়া গিয়েছিল ১৫ কোটি ৯০ লাখ ৮০ হাজার টাকা
  • 📌 ২০২০ সালের গণনা থেকে ১ কোটি ১৫ লাখ ৪ হাজার ১১০ টাকা পেয়েছিল মসজিদ, বৈদেশিক মুদ্রা বিক্রি করে ৭০ লাখ টাকা
  • 📌 মসজিদের নিজস্ব ওয়েবসাইটে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ৩৯ লাখ ৩২ হাজার ১০৬ টাকা অনুদান পাওয়া গেছে

📰 বিস্তারিত

জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিনের নেতৃত্বে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে গঠিত উপকমিটির তত্ত্বাবধানে গণনা ও ওজন নির্ধারণের কাজ চলছে। জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ, আনসার, ব্যাংক কর্মকর্তা ও স্বর্ণকারদের সহযোগিতা নিয়ে এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। জেলা প্রশাসক জানান, সঠিক ওজন ও মান নির্ধারণের পর বাজারদর বিবেচনায় জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। এরপর প্রকাশ্য নিলামের মাধ্যমে অলংকারগুলো বিক্রি করা হবে। বৈদেশিক মুদ্রাগুলো দেশ অনুযায়ী আলাদা করে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিনিময় হার অনুসারে স্থানীয় মুদ্রায় রূপান্তর করা হবে।

২০২০ সালের ১১ মার্চ সর্বশেষ পাগলা মসজিদের দানবাক্সে পাওয়া সোনা, রূপা ও বৈদেশিক মুদ্রার গণনা করা হয়েছিল। সে সময় প্রায় তিন বছর ধরে জমা হওয়া ৪২০ ভরি সোনা ও ১৮৮ ভরি রূপার অলংকার নিলামে বিক্রি করে ১ কোটি ১৫ লাখ ৪ হাজার ১১০ টাকা পাওয়া যায়। বৈদেশিক মুদ্রা বিক্রি করে পাওয়া গিয়েছিল ৭০ লাখ টাকা। জেলা প্রশাসক জানান, ২০২০ সালের মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত ১৮ বার দানবাক্স খোলা হলেও সোনা, রূপা ও বৈদেশিক মুদ্রার গণনা করা হয়নি।

গণনার কাজে স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের তিনজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ১০ জন পুলিশ সদস্য ও ছয়জন এসআরবি সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ইশতিয়াক ইমন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. এরশাদুল আহমেদ এবং কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল হাসান মারুফসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

মসজিদের নিজস্ব ওয়েবসাইট চালুর পর অনলাইনে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ৩৯ লাখ ৩২ হাজার ১০৬ টাকা অনুদান পাওয়া গেছে। মসজিদের অনুদানের অর্থে মুসল্লিদের সুবিধা বাড়াতে বিভিন্ন উন্নয়নকাজ চলছে। মসজিদ প্রাঙ্গণে তিনটি নতুন নামাজের শেড, বড় পরিসরের অজুখানা এবং নারীদের জন্য পৃথক ওয়াশব্লক নির্মাণে ১ কোটি ১০ লাখ ৮৮ হাজার ৪৬৪ টাকার কাজ চলছে। বহিরাগত মুসল্লিদের জন্য পাবলিক টয়লেট নির্মাণের কাজ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে।

"অলংকারগুলোর সঠিক ওজন ও মান নির্ধারণের পর বাজারদর বিবেচনায় নিয়ে জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। এরপর প্রকাশ্য নিলামের মাধ্যমে অলংকারগুলো বিক্রি করা হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, পাগলা মসজিদ ও ইসলামিক কমপ্লেক্স
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. এরশাদুল আহমেদ, জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ বছর, ৯টি কনটেইনার, ৬টি সিলগালা, ১৫ কোটি ৯০ লাখ ৮০ হাজার টাকা, ১ কোটি ১৫ লাখ ৪ হাজার ১১০ টাকা, ৭০ লাখ টাকা, ৩৯ লাখ ৩২ হাজার ১০৬ টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖