📌 পাবনার সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নে নির্মিত দুটি ব্রিজের সংযোগ সড়ক ও ভরাট কাজ শেষ না হওয়ায় গ্রামবাসীর চলাচল ও কৃষিপণ্য পরিবহনে মারাত্মক বাধা সৃষ্টি হয়েছে। ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান কাজ ছেড়ে গেলেও সরকারি কর্মকর্তারা জরুরি পদক্ষেপ নিতে অস্বীকার করছেন
পাবনার সুজানগর উপজেলায় নির্মিত দুটি ব্রিজের সংযোগ সড়ক ও ভরাট কাজ অসমাপ্ত থাকায় হাজারো মানুষের চলাচল ও কৃষিপণ্য পরিবহনে মারাত্মক দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। নির্মাণকাজ শুরু হওয়ার তিন বছর পরও ব্রিজ দুটোর কাজ শেষ হয়নি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 হাটখালী ইউনিয়নের স্বাগতা গ্রামে নির্মিত ১১.৫৮ মিটার দীর্ঘ দুটি ব্রিজের সংযোগ সড়ক ও ভরাট কাজ অসমাপ্ত রেখে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান কাজ ছেড়ে গেছে।
- 📌 গ্রামবাসী রানা হোসেন জানান, ব্রিজের কাজ অসমাপ্ত থাকায় বিল অঞ্চলের কৃষিপণ্য পরিবহনে মারাত্মক বাধা সৃষ্টি হয়েছে।
- 📌 সোহাগ মন্ডল বলেন, বৃষ্টিতে ব্রিজ পানিতে ডুবে যাবে, নৌকা চলাচলেও বাধা পড়বে।
- 📌 সুজানগর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শামীম এহসানকে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
- 📌 হাটখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফিরোজ আহমেদ বলেন, বর্ষা শেষে ব্রিজের কাজের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
- 📌 পাবনা জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম জানান, জরুরি ভিত্তিতে তদন্ত করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
📰 বিস্তারিত
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, হাটখালী ইউনিয়নের স্বাগতা গ্রামে ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের আওতায় ২০২২-২০২৩ অর্থ বছরে দুটি ব্রিজ নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছিল। কিন্তু তিন বছর পরও কাজ শেষ হয়নি। ব্রিজের সংযোগ সড়ক ও মাটি ভরাট সম্পূর্ণ না করে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান কাজ ছেড়ে গেছে।
গ্রামবাসী রানা হোসেন বলেন, “ব্রিজের কাজ অসমাপ্ত রেখে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান লাপাত্তা হয়েছে বহু আগেই। ফলে বিল অঞ্চলে উৎপাদিত কৃষিপণ্য পরিবহণসহ জনগণের চলাচলে মারাত্মক দুর্ভোগ নেমে এসেছে। অবিলম্বে ব্রিজ দুটোর কাজ শেষ করার দাবি জানিয়েছি।”
সোহাগ মন্ডল বলেন, “এই ব্রিজ নির্মাণ করা হয়েছে এমনভাবে যে সামান্য বৃষ্টি হলেই পানিতে তলিয়ে যাবে। এতে নৌকা চলাচলেও বাধা পড়বে। সাধারণ মানুষের কোনো সুবিধা পাবে না, বরং দুর্ভোগ আরও বাড়বে।”
ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের নাম ও কাজের বিস্তারিত জানতে বারবার সুজানগর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শামীম এহসানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে হাটখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফিরোজ আহমেদ জানান, “এখন বর্ষা মৌসুম চলছে। বর্ষা শেষে পানি নেমে যাওয়ার পরে ব্রিজগুলোর কাজের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”
পাবনা জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম বলেন, “জরুরি ভিত্তিতে তদন্ত করে এই ব্রিজগুলোর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সরকারি অর্থায়নে জনগণের উন্নয়নের জন্য তৈরি করা প্রকল্পগুলোর অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে, তা জনদুর্ভোগের পাশাপাশি অনিয়ম আরও বাড়াবে বলে সচেতন মহল ধারণা করছেন।”
"বর্ষা শেষে পানি নেমে যাওয়ার পরে ব্রিজগুলোর কাজের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: হাটখালী ইউনিয়ন, সুজানগর উপজেলা, পাবনা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রানা হোসেন, সোহাগ মন্ডল, ফিরোজ আহমেদ, আমিনুল ইসলাম, শামীম এহসান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১.৫৮ মিটার (ব্রিজের দৈর্ঘ্য)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!