📅 ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:০৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ওসমানী উদ্যানের ৯ বছরের নির্মাণকাজে ১৪৭ কোটি টাকা খরচ, বন্ধ থাকায় নগরবাসীর স্বস্তির জায়গা হারিয়ে যায়

ওসমানী উদ্যানের ৯ বছরের নির্মাণকাজে ১৪৭ কোটি টাকা খরচ, বন্ধ থাকায় নগরবাসীর স্বস্তির জায়গা হারিয়ে যায়

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ঢাকার ওসমানী উদ্যান ৯ বছর ধরে নির্মাণকাজের কারণে বন্ধ রয়েছে। ১০৮ কোটি টাকার প্রকল্পে ১৪৭ কোটি টাকা খরচে কংক্রিটের জঙ্গলে পরিণত হয়েছে। নগর পরিকল্পনাবিদরা বলছেন, উন্নয়নকাজে বিধিমালা লঙ্ঘন ও পরিবেশের ক্ষতি হয়েছে

ঢাকার ওসমানী উদ্যান ৯ বছর ধরে জনসাধারণের জন্য বন্ধ থাকায় নগরবাসীর প্রিয় স্বস্তির জায়গা হারিয়ে গেছে। ১০৮ কোটি টাকার প্রকল্পে ১৪৭ কোটি টাকা খরচের পরও পার্কটি কংক্রিটের জঙ্গলে পরিণত হয়েছে। নির্মাণকাজে পরিবেশের ক্ষতি, বিধিমালা লঙ্ঘন এবং নাগরিকদের বঞ্চনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন নগর পরিকল্পনাবিদরা।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ওসমানী উদ্যান ২০১৭ সাল থেকে ৯ বছর ধরে নির্মাণকাজের কারণে বন্ধ রয়েছে।
  • 📌 ১০৮ কোটি টাকার প্রকল্পে ১৪৭ কোটি টাকা খরচে নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে।
  • 📌 পার্কের ২১.৮৫ একর জমির মধ্যে ৫ শতাংশের বেশি স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে বিধিমালা লঙ্ঘন করে।
  • 📌 ১১ হাজার গাছ কেটে ফেলা হয়েছে, যার বিরুদ্ধে পরিবেশবাদীরা প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন।
  • 📌 নির্মাণকাজে সিভিল কাজের উপর বেশি জোর দেওয়া হয়েছে, যা পার্কের চরিত্র নষ্ট করেছে।
  • 📌 ডিএসসিসি আশা করছে, অক্টোবর মাসে পার্কটি জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হবে।

📰 বিস্তারিত

ঢাকার গুলিস্তানের ওসমানী উদ্যান, যা ‘ঢাকার ফুসফুস’ নামে পরিচিত, ২০১৭ সাল থেকে নির্মাণকাজের কারণে বন্ধ রয়েছে। ২০১৭ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই প্রকল্পে ১০৮ কোটি টাকা বরাদ্দ ছিল। তবে প্রকল্পের সময়সীমা অতিবাহিত হওয়ার পরও নির্মাণকাজ চলতে থাকে। ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে তৎকালীন মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন ‘গোস্বা নিবারণী পার্ক’ নামে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকল্প উদ্বোধন করেন। কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২০ সালের ডিসেম্বরে, কিন্তু তা বাস্তবায়িত হয়নি।

প্রকল্পের দায়িত্ব প্রথমে দ্য বিল্ডার্স ইঞ্জিনিয়ার্স প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু নানা অভিযোগের পর তাদের কার্যাদেশ বাতিল করা হয়। পরে ২০২৩ সালে পিএফ করপোরেশন প্রতিষ্ঠানকে কাজ দেওয়া হয়। এছাড়াও, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে ৪৬ কোটি টাকা ব্যয়ে স্মৃতিস্তম্ভ ও দুটি ফটক নির্মাণ করা হয়। নকশায় পরিবর্তনের কারণে নির্মাণ ব্যয় কমে ৩৯ কোটি টাকা হয়। এভাবে গত ৯ বছরে প্রায় ১৪৭ কোটি টাকা খরচে পার্কটিতে বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে।

ওসমানী উদ্যানের অবস্থান রাজধানীর গুলিস্তানে, ডিএসসিসির প্রধান কার্যালয় নগর ভবন ও বাংলাদেশ সচিবালয়ের মাঝখানে। পার্কের আয়তন ২১ দশমিক ৮৫ একর। মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি জেনারেল মোহাম্মদ আতাউল গনি ওসমানীর নামে নামকরণ করা হয়েছে। তবে নির্মাণকাজে পরিবেশের ক্ষতি হয়েছে। ১১ হাজার গাছ কেটে ফেলা হয়েছে, যার বিরুদ্ধে পরিবেশবাদীরা ‘ওসমানী উদ্যানের ১১ হাজার গাছ রক্ষা আন্দোলন’ নামে আন্দোলন করেছিলেন। কিন্তু তৎকালীন সরকার তাদের আপত্তি উপেক্ষা করে গেছে।

নগর পরিকল্পনাবিদ ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আদিল মুহাম্মদ খান বলেছেন, পার্কের উন্নয়নকাজে ইমারত বিধিমালা অনুসরণ করা হয়নি। বিধিমালা অনুযায়ী, পার্কের আয়তনের সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ জায়গা স্থাপনা নির্মাণ করা যায়। কিন্তু তা উপেক্ষা করা হয়েছে। এছাড়াও, নির্মাণকাজে সিভিল কাজের উপর বেশি জোর দেওয়া হয়েছে, যা পার্কের চরিত্র নষ্ট করেছে।

"একটি চক্র আছে যারা সিভিল বা ভারী কাজ বেশি করতে পছন্দ করে। কারণ, যত বেশি ভারী কাজ হবে, তত বাজেটও বাড়বে। এতে তাদের পকেটও ভারী হবে। ঠিক সেই কাজটি ওসমানী উদ্যানে হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ওসমানী উদ্যান, ঢাকার গুলিস্তান, নগর ভবন ও বাংলাদেশ সচিবালয়ের মাঝখান
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জেনারেল মোহাম্মদ আতাউল গনি ওসমানী, মোহাম্মদ সাঈদ খোকন, আদিল মুহাম্মদ খান, শফিকুল ইসলাম (পিএফ করপোরেশন)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪৭ কোটি টাকা (মোট খরচ), ৯ বছর (বন্ধ থাকা), ২১.৮৫ একর (পার্কের আয়তন), ১১ হাজার (গাছ কেটে ফেলা), ৫ শতাংশ (বিধিমালা অনুযায়ী স্থাপনা জায়গা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖