📌 মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে অনলাইনে হেরোইন তৈরির নিয়ন্ত্রিত রাসায়নিক বিক্রির অভিযোগে ই-কেম প্রতিষ্ঠানের আইটি ম্যানেজারসহ একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার। জব্দ হয়েছে ছয় লিটার বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) অনলাইনে হেরোইন তৈরির নিয়ন্ত্রিত রাসায়নিক বিক্রির অভিযোগে রাজধানীর গুলশান ও কুড়িল এলাকায় অভিযান চালিয়ে ই-কেম নামের প্রতিষ্ঠানের আইটি ম্যানেজার মো. আব্দুল মোমিন পাটোয়ারীকে গ্রেপ্তার করেছে। অভিযানে প্রতিষ্ঠানটির কাছ থেকে ছয় লিটার বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ডিএনসি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ডিএনসির অভিযানে ই-কেম প্রতিষ্ঠানের আইটি ম্যানেজারসহ একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার
- 📌 অভিযানে জব্দ হয়েছে এসিটিক এ্যানহাইড্রাইড, এসিটোনসহ ছয় লিটার নিয়ন্ত্রিত রাসায়নিক পদার্থ
- 📌 অনলাইন প্ল্যাটফর্মে নিয়ন্ত্রিত প্রিকারসর কেমিক্যাল বিক্রির অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা
- 📌 ডিএনসি জানায়, অভিযানে পাওয়া কাগজপত্র ও আলামত পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে
📰 বিস্তারিত
ডিএনসির ঢাকা বিভাগীয় গোয়েন্দা দলের সদস্যরা গত ২৪ আগস্ট গুলশান থানাধীন নিকেতন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ই-কেম প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ৫০০ মিলিলিটার এসিটিক এ্যানহাইড্রাইড ও এক লিটার এসিটোন জব্দ করেন। এর আগে ডিএনসির সদস্যরা অনলাইন প্ল্যাটফর্মে প্রতিষ্ঠানটির বিজ্ঞাপন দেখে ৫০০ মিলিলিটার এসিটিক এ্যানহাইড্রাইড অর্ডার দেন। অভিযানের সময় প্রতিষ্ঠানটির কার্যালয় কুড়িল প্রগতি সরণী এলাকায় অবস্থিত বলে জানা যায়।
ডিএনসি জানায়, ই-কেম প্রতিষ্ঠানটি অনলাইনে বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ বিক্রির বিজ্ঞাপন প্রচার করছিল। প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে নিয়ন্ত্রিত প্রিকারসর কেমিক্যাল বৈধ অনুমোদন ছাড়াই বিক্রির অভিযোগ রয়েছে। অভিযানে প্রতিষ্ঠানটির কাছ থেকে সর্বমোট ছয় লিটার বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ জব্দ করা হয়েছে। এছাড়া যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়া নিয়ন্ত্রিত প্রিকারসর কেমিক্যাল বিক্রির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিছু কাগজপত্রও জব্দ করা হয়েছে।
ডিএনসির কর্মকর্তারা জানান, এসিটিক এ্যানহাইড্রাইড হেরোইন তৈরির প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত হতে পারে। এছাড়া এসিটোন, ইথাইল ইথার, হাইড্রোক্লোরিক এসিডসহ অন্যান্য রাসায়নিক পদার্থও অবৈধ মাদক উৎপাদনে ব্যবহৃত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। ডিএনসি বর্তমানে জব্দকৃত রাসায়নিক পদার্থ, উদ্ধার করা নথিপত্র ও অন্যান্য আলামত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছে।
"মাদক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম শুধু তৈরি মাদক উদ্ধার বা কারবারিদের গ্রেপ্তারের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। মাদক তৈরির কাঁচামাল কোথা থেকে আসে, কীভাবে সংগ্রহ করা হয় এবং বৈধ বাজারের কোন পথে তা অবৈধ কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে—সেসব উৎস ও সরবরাহব্যবস্থা শনাক্ত করাও গুরুত্বপূর্ণ।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গুলশান, নিকেতন ও কুড়িল প্রগতি সরণী, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. আব্দুল মোমিন পাটোয়ারী (ই-কেমের আইটি ম্যানেজার)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ লিটার (জব্দকৃত রাসায়নিক পদার্থ), ৫০০ মিলিলিটার (এসিটিক এ্যানহাইড্রাইড)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!