📌 বাংলাদেশে অনলাইন জিডি সেবা সম্পূর্ণ প্রসারিত হয়েছে। এখন থানায় যেতে না বসে ঘরে বসেই জিডি, তদন্তের অগ্রগতি চেক এবং সার্টিফাইড কপি সংগ্রহ করা যায়। এই সেবা মানুষের সময় ও খরচ বাঁচিয়ে পুলিশি সহায়তা পৌঁছে দিচ্ছে
বাংলাদেশে পুলিশি সেবা গ্রহণের পদ্ধতিতে বিপ্লবী পরিবর্তন এসেছে। এখন থানায় যেতে না বসে ঘরে বসেই অনলাইনে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার সুযোগ পেয়েছেন নাগরিকরা। এই ডিজিটাল ব্যবস্থা দেশব্যাপী প্রসারিত হওয়ায় মানুষের সময় ও যাতায়াতের খরচ কমছে এবং ভোগান্তি কমছে। পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে রেলওয়ে পুলিশের ২৪টি থানায় অনলাইন জিডি চালু করা হয়। এখন দেশের সব থানায় এই সেবা চালু রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ থেকে রেলওয়ে পুলিশের ২৪টি থানায় অনলাইন জিডি চালু হয়; এখন দেশের সব থানায় এই সেবা চালু
- 📌 ঘরে বসেই অভিযোগ দাখিল, তদন্তের অগ্রগতি চেক এবং জিডির সার্টিফাইড কপি সংগ্রহ করা যাচ্ছে
- 📌 ঢাকার মুগদার বাসিন্দা মাহিরা নূর ঘরে বসেই মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে জিডি করেছেন; কোনো ভোগান্তি ছাড়াই সনদ হারানোর অভিযোগ দাখিল করেছেন
- 📌 বেসরকারি ব্যাংকের কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ অফিসে বসেই জিডি করেছেন; ক্রেডিট কার্ড হারানোর জন্য জরুরি ভিত্তিতে সেবা নেন
- 📌 ৫০টি থানায় সরাসরি জিডি গ্রহণের পাশাপাশি অনলাইনেও সেবা চালু ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ
📰 বিস্তারিত
অনলাইন জিডি সেবা নাগরিকদের জন্য একটি বিপ্লবী পদক্ষেপ। এখন যেকোনো সময়, যেকোনো স্থান থেকে মোবাইল অ্যাপ বা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে পুলিশের কাছে অভিযোগ জানানো সম্ভব। এডিশনাল আইজিপি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) মো. সায়েদুর রহমান বলেছেন, অনলাইন জিডি অ্যাপের মাধ্যমে ২৪ ঘণ্টা পুলিশের সাথে যোগাযোগ করা যায়। হারানো বা প্রাপ্তিসহ বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ দাখিলের পাশাপাশি জিডির সার্টিফাইড কপি সংগ্রহ করা যাচ্ছে।
মুগদার বাসিন্দা মাহিরা নূর জানান, তিনি এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার সনদ হারিয়ে যাওয়ার পর ঘরে বসেই মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে জিডি করেছেন। তিনি বলেন, “কোনো ধরনের বাড়তি ভোগান্তি বা যাতায়াত খরচ করতে হয়নি। এতে আমার সময় ও অর্থ উভয়ই বাঁচেছে।” একই অভিজ্ঞতার কথা জানান একটি বেসরকারি ব্যাংকের কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ। তিনি বলেন, “মানিব্যাগ হারিয়ে যাওয়ার পর ক্রেডিট কার্ড ও জাতীয় পরিচয়পত্র পুনরুদ্ধারের জন্য জরুরি ভিত্তিতে জিডির প্রয়োজন হয়েছিল। অফিসে বসেই কয়েক মিনিটের মধ্যে অনলাইন জিডি করতে পেরেছি। পরে অনলাইনে আবেদনের অগ্রগতি দেখার পাশাপাশি জিডির কপিও সংগ্রহ করেছি।”
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) উপ-কমিশনার মো. আকতার হোসেন বলেছেন, “মানুষের কর্মব্যস্ততা ও যাতায়াতের ভোগান্তি বিবেচনায় বাসা, অফিস বা সুবিধাজনক যেকোনো স্থান থেকে মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে জিডি সেবা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। ডিএমপির ৫০টি থানায় সরাসরি জিডি গ্রহণের পাশাপাশি অনলাইনেও জিডি নেওয়া হচ্ছে। এই সেবা মানুষের কাছে পুলিশি সহায়তা পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।”
"অনলাইন জিডি অ্যাপ বা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে নাগরিকরা দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা পুলিশের কাছে সরাসরি অভিযোগ জানাতে পারছেন। হারানো বা প্রাপ্তিসহ বিভিন্ন ধরনের বিষয়ে সহজেই জিডি করা যাচ্ছে। এতে সময় ও যাতায়াতের খরচ বাঁচার পাশাপাশি মানুষের কাছে পুলিশি সেবা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে।"
"ঘরে বসেই মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে জিডি করার সুবিধা আমার জন্য অপরিহার্য। কোনো ভোগান্তি ছাড়াই সনদ হারানোর অভিযোগ দাখিল করতে পেরেছি।"
"অফিসে বসেই জিডি করার সুবিধা আমার জন্য অত্যন্ত সহায়ক। ক্রেডিট কার্ড হারানোর জন্য জরুরি ভিত্তিতে সেবা নেওয়ার সময়ও যাতায়াতের কোনো চাপ পড়েনি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (মুগদার), দেশের সব থানা, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ৫০টি থানা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাহিরা নূর, হারুন অর রশিদ, মো. সায়েদুর রহমান, মো. আকতার হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ২৪টি থানা, ২৪ ঘণ্টা, ৫০টি থানা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!