📅 ৩ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৫৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নড়াইলে শিশু ধর্ষণ ও হত্যার মামলায় মৃত্যুদণ্ড, ৩০ দিনেই রায় কার্যকর

নড়াইলে শিশু ধর্ষণ ও হত্যার মামলায় মৃত্যুদণ্ড, ৩০ দিনেই রায় কার্যকর

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নড়াইলে পাঁচ বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ঘটনার মাত্র ৩০ দিনের মধ্যে বিচার শেষে রায় ঘোষণা করা হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষ দ্রুত রায় কার্যকরের দাবি জানিয়েছে

নড়াইলের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন বিচারক শেখ ছামিদুল ইসলাম। একই সঙ্গে তাঁকে তিন লাখ টাকা জরিমানাও করা হয়েছে। ঘটনার ৩০ দিনের মধ্যে অভিযোগ গঠনের মাত্র নয় কর্মদিবসের মধ্যে বিচারিক কার্যক্রম সম্পন্ন করে আদালত এই রায় ঘোষণা করেন বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি তারিকুজ্জামান।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 নড়াইলে পাঁচ বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে এক ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড
  • 📌 বিচারক শেখ ছামিদুল ইসলামের নেতৃত্বে ট্রাইব্যুনালে রায় ঘোষণা
  • 📌 ঘটনার ৩০ দিনের মধ্যে অভিযোগ গঠনের নয় কর্মদিবসের মধ্যে বিচার সম্পন্ন
  • 📌 মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম রবিউল সিকদার (৩৭), তিনি নড়াইল সদর উপজেলার মৃত আতিয়ার সিকদারের ছেলে
  • 📌 রাষ্ট্রপক্ষে সরকারি কৌঁসুলি আজিবুর রহমান ও তারিকুজ্জামান লিটু মামলার শুনানি পরিচালনা করেন

📰 বিস্তারিত

নড়াইল জেলা ও দায়রা জজ আদালতের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে আজ বুধবার দুপুরে রায় ঘোষণা করা হয়। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি রবিউল সিকদারকে তিন লাখ টাকা জরিমানাও করা হয়েছে। ঘটনার মাত্র ৩০ দিনের মধ্যে অভিযোগ গঠনের নয় কর্মদিবসের মধ্যে বিচারিক কার্যক্রম সম্পন্ন করে আদালত এই রায় প্রদান করেন বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি তারিকুজ্জামান। তিনি বলেন, ‘এই মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য স্থানীয় জনগণের দাবি ছিল। আদালতের মাধ্যমে তা আজ পূরণ হয়েছে।’

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, গত ২০ জুলাই বিকেলে শিশুটি তার বাবার সঙ্গে বাজার থেকে বাড়ি ফিরছিল। ঘরে নুডলস রান্না করছিলেন শিশুটির মা, আর ঘরে ছিলেন শিশুটির বাবাও। কয়েক মিনিট পর শিশুটি ঘর থেকে বের হয়ে যায়। ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে পরিবার বাইরে খোঁজ শুরু করে। সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটের দিকে প্রতিবেশী রবিউলের বাড়ির উঠানে দাঁড়িয়ে শিশুটির বাবা ডাকাডাকি করলে রবিউল পালিয়ে যায়। পরে ঘরে ঢুকে শিশুটির বাবা দেখতে পান খাটের ওপর চাদর দিয়ে ঢাকা অবস্থায় রক্তাক্ত শিশুটিকে। হাসপাতালে নিয়ে গেলেও চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পরের দিন সকালে স্থানীয় লোকজন রবিউলকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। একই দিন ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে রবিউলের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন শিশুটির বাবা। আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন রবিউল। পরে ময়নাতদন্ত ও ডিএনএ প্রতিবেদনের ভিত্তিতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। ৬ আগস্ট অভিযোগপত্র গ্রহণের পর ৯ আগস্ট আদালত চার্জ গঠন করেন। এই মামলায় মোট ২৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। কোনো সাফাই সাক্ষী ছিল না বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

‘নড়াইলের জনগণের দাবি ছিল, চাঞ্চল্যকর এ ধর্ষণ ও হত্যা মামলাটি দ্রুত সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হবে। আদালতের মাধ্যমে আজ এ মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে। আমাদের দাবি থাকবে, এই মামলায় যে আদেশ হয়েছে, এটা যেন দ্রুততম সময়ে বাস্তবায়ন হয়।’ — অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি তারিকুজ্জামান

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নড়াইল সদর, নড়াইল জেলা
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি: রবিউল সিকদার (৩৭), বিচারক শেখ ছামিদুল ইসলাম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ দিন, ৯ কর্মদিবস, ৩ লাখ টাকা, ২৮ জন সাক্ষী

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖