📅 ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ৬:১৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নবগঙ্গা সেতুর অসমাপ্ত কাজে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন লোহাগড়ার লক্ষাধিক বাসিন্দা, এলজিইডি নতুন ঠিকাদার নিয়োগের প্রক্রিয়া শেষে নির্মাণ শুরু করবে

নবগঙ্গা সেতুর অসমাপ্ত কাজে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন লোহাগড়ার লক্ষাধিক বাসিন্দা, এলজিইডি নতুন ঠিকাদার নিয়োগের প্রক্রিয়া শেষে নির্মাণ শুরু করবে

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নবগঙ্গা নদীর ওপর নির্মাণাধীন নবগঙ্গা সেতুর কাজ ৭০ শতাংশ সম্পন্ন হলেও চুক্তি মেয়াদ শেষ হওয়ায় ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান আইসিএলের চুক্তি বাতিল করে এলজিইডি। ৩৪ লাখ টাকা জরিমানা এবং ৪ কোটি ৯৮ লাখ টাকা ব্যয়ে নতুন দরপত্রের প্রক্রিয়া চলছে। লোহাগড়া উপজেলার বাসিন্দারা দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পাওয়ার আশায় দাবি জানাচ্ছেন

নবগঙ্গা নদীর ওপর নির্মাণাধীন নবগঙ্গা সেতুর অসমাপ্ত কাজে লোহাগড়া উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের লক্ষাধিক বাসিন্দা দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। সেতুর কাজ ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন না হওয়ায় ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান আইসিএলের চুক্তি বাতিল করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। এখন নতুন ঠিকাদার নিয়োগের প্রক্রিয়া শেষে নির্মাণ কাজ শুরু হবে বলে জানা গেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **৭০ শতাংশ কাজ অসমাপ্ত** থাকায় আইসিএলের চুক্তি বাতিল করে এলজিইডি, ৩৪ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে
  • 📌 **৪ কোটি ৯৮ লাখ টাকা** ব্যয়ে নতুন দরপত্রের প্রক্রিয়া চলছে, দ্রুত নতুন ঠিকাদার নিয়োগের আশা
  • 📌 **লোহাগড়া উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের বাসিন্দারা** জরুরি চিকিৎসা, শিক্ষা ও ব্যবসায়ে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন
  • 📌 **নদী পারাপারে নৌকায় নির্ভর** করে ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছেন স্থানীয়রা, শিক্ষার্থীদের স্কুল-কলেজে যাতায়াত ব্যাহত
  • 📌 **নবগঙ্গা সেতুর প্রকল্প** ২০২১ সালে শুরু হলেও ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত সময় বাড়ানো হলেও কাজ শেষ হয়নি

📰 বিস্তারিত

নড়াইল সদর ও লোহাগড়া উপজেলার মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনের লক্ষ্যে নবগঙ্গা নদীর ওপর ফেদি বাজার ঘাটে নির্মাণাধীন নবগঙ্গা সেতুর কাজ ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়েছিল। ১০ কোটি ৬৫ লাখ টাকা ব্যয়ের এই প্রকল্পে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আইসিএলকে কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছিল। চুক্তি অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর পর্যন্ত সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন না হওয়ায় বারবার সময় বাড়ানো হলেও ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই মাত্র ৭০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছিল। বাকি ৩০ শতাংশ কাজ অসমাপ্ত রেখে চুক্তি মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে।

এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী সরদার ইকরামুল কবীর জানান, চুক্তি অনুযায়ী কাজ শেষ করতে ব্যর্থ হওয়ায় আইসিএলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটিকে ৩৪ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং চুক্তি বাতিল করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, অসমাপ্ত ৩০ শতাংশ কাজ শেষ করতে ৪ কোটি ৯৮ লাখ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে নতুন দরপত্র আহ্বানের প্রক্রিয়া চলছে। দ্রুত নতুন ঠিকাদার নিয়োগ দিয়ে নির্মাণ কাজ শুরু করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সেতুর কাজ আটকে থাকায় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন লোহাগড়া উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের বাসিন্দারা। জরুরি চিকিৎসা, শিক্ষা, ব্যবসা-বাণিজ্যসহ নানা প্রয়োজনে প্রতিদিন তাদের জেলা সদরে যাতায়াত করতে হয়। কিন্তু সরাসরি সেতু না থাকায় নদী পারাপারে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বর্তমানে ফেদি বাজার ঘাটে দুটি ছোট নৌকার ওপর নির্ভর করে ঝুঁকি নিয়ে নদী পার হচ্ছেন স্থানীয়রা। বিকল্প পথে যাতায়াত করতে গিয়ে তাদের অতিরিক্ত সময় ও অর্থ ব্যয় হচ্ছে। এতে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয় ও কলেজে যাতায়াত ব্যাহত হচ্ছে এবং জরুরি রোগীদের হাসপাতালে নিতে বিলম্ব হওয়ায় চিকিৎসাসেবা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। স্থানীয় ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরাও আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন।

"বারবার সময় দেওয়ার পরও চুক্তি অনুযায়ী কাজ শেষ করতে ব্যর্থ হওয়ায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আইসিএলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটিকে ৩৪ লাখ টাকা জরিমানা করার পাশাপাশি চুক্তি বাতিল করা হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নবগঙ্গা নদী (ফেদি বাজার ঘাট, নড়াইল)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সরদার ইকরামুল কবীর (এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী), লোহাগড়া উপজেলার বাসিন্দারা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৪ লাখ টাকা (জরিমানা), ৪ কোটি ৯৮ লাখ টাকা (নতুন দরপত্র ব্যয়), ৭০ শতাংশ (কাজ সম্পন্ন), ৩০ শতাংশ (অসমাপ্ত), ১০ কোটি ৬৫ লাখ টাকা (মোট প্রকল্প ব্যয়)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖