📌 জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ ক্ষমতায় আসার পরেও জনগণের জীবনে কোনো উন্নতি না হওয়ার অভিযোগ করেছেন। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধির বিরুদ্ধে তিনি রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে গণসমাবেশে বক্তব্য রাখেন
ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আয়োজিত গণসমাবেশে দলটির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ ক্ষমতায় আসার পরেও জনগণের জীবনে কোনো পরিবর্তন না আসার অভিযোগ তুলেছেন। তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ক্ষমতায় আসার পরেও সংস্কার, গ্যাস-বিদ্যুৎ সরবরাহ ও খাদ্য সংকটের কোনো সমাধান হয়নি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ক্ষমতায় আসার পরেও সংস্কার, গ্যাস-বিদ্যুৎ সরবরাহ ও খাদ্য সংকটের কোনো সমাধান হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ
- 📌 নির্বাচনের আগে বছরে ১ কোটি কর্মসংস্থান তৈরির প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও চাঁদাবাজির মাধ্যমে ইতোমধ্যে ৫০ লাখ কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি
- 📌 রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সংবিধানের ৭০ নম্বর অনুচ্ছেদ কার্যকর থাকবে না বলে ঘোষণা দেওয়া হলেও বিএনপি পুরোনো ব্যবস্থাতেই নির্বাচন করছে বলে অভিযোগ করেন আসিফ মাহমুদ
- 📌 স্থানীয় সরকার নির্বাচনের কোনো তারিখ এখনো পাওয়া যায়নি বলে জানান তিনি
- 📌 বিএনপি প্রশাসক নিয়োগ দিয়ে নির্বাচনি প্রচারণা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেন আসিফ মাহমুদ
📰 বিস্তারিত
জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ ক্ষমতায় আসার পরেও জনগণের জীবনে কোনো পরিবর্তন না আসার অভিযোগ করেছেন। তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ক্ষমতায় আসার পরেও সংস্কার, গ্যাস-বিদ্যুৎ সরবরাহ ও খাদ্য সংকটের কোনো সমাধান হয়নি। ক্ষমতায় আসার ৫ থেকে ৬ মাস পার হলেও জনগণের জীবনে কোনো পরিবর্তন আসেনি বলে তিনি উল্লেখ করেন।
আসিফ মাহমুদ বলেন, নির্বাচনের আগে ফ্যামিলি কার্ডসহ বিভিন্ন সুবিধা ও প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। তবে ক্ষমতায় আসার পর থেকে কোনো কিছুই জনগণের কাছে সহজলভ্য নয়। তিনি চাঁদাবাজির বিভিন্ন কৌশলের কথা তুলে ধরে বলেন, গ্রামাঞ্চলে জমিতে গরু-মহিষ চরাতে গেলেও ছাত্রদলকে চাঁদা দিতে হয়।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের আগে বছরে ১ কোটি কর্মসংস্থান তৈরির প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ছয় মাস পার না হতেই ছাত্রদল, যুবদল ও বিএনপির মাধ্যমে চাঁদাবাজিতে ইতোমধ্যে ৫০ লাখ কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে। এই চাঁদাবাজির মাধ্যমে নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর সংসার চললেও সাধারণ মানুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
‘নির্বাচনের আগে ফ্যামিলি কার্ডসহ নানা সুবিধা আর নানা ধরনের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। তবে ক্ষমতায় আসার পর এখন কোনো কিছুই আর জনগণের কাছে সহজলভ্য নেই।’
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রসঙ্গে আসিফ মাহমুদ বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সংবিধানের ৭০ নম্বর অনুচ্ছেদ কার্যকর থাকবে না বলে ঘোষণা দেওয়া হলেও বিএনপি পুরোনো ব্যবস্থাতেই নির্বাচন করছে। তিনি একে একটি ‘লোক দেখানো প্রক্রিয়া’ হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, সরকারি দলের ২১৩ জন সংসদ সদস্য দলের নির্ধারিত প্রার্থীর বাইরে ভোট দিতে পারবেন না। অন্যথায় তাদের সংসদ সদস্য পদ থাকবে না।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে তিনি বলেন, প্রায় ছয় মাস পার হলেও এখনো স্থানীয় সরকার নির্বাচনের কোনো তারিখ পাওয়া যায়নি। জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় অনুযায়ী সংস্কারের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনসহ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করার পর এই নির্বাচনগুলো অনুষ্ঠিত হলে একটি সমান সুযোগ তৈরি হতো বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি ইতোমধ্যেই সিটি করপোরেশন, জেলা পরিষদ এবং কিছু ক্ষেত্রে ইউনিয়ন ও উপজেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ করেছে। গত ১৭ বছর সংস্কার ও গণতন্ত্রের কথা বলে রাজনীতি করলেও, প্রশাসকরা সরকারি ও সিটি করপোরেশনের তহবিলের টাকা ব্যবহার করে দলীয় লোগো ও ছবি দিয়ে নির্বাচনি প্রচারণা চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
জাতীয় নাগরিক পার্টির পক্ষ থেকে তিনি দাবি জানিয়ে বলেন, যাদের প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, তাদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে দেওয়া যাবে না। অন্যথায় এই নির্বাচন আবারও প্রশ্নবিদ্ধ থেকে যাবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
শেখ হাসিনার দেশে ফেরা প্রসঙ্গে আসিফ মাহমুদ বলেন, বর্ডারের ওপার থেকে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ নেতাদের বাংলাদেশে আসার আকাঙ্ক্ষার কথা শোনা যাচ্ছে। তিনি একে বিনোদন হিসেবে না দেখে দেশে আসলে তাদের সঠিক বিচার নিশ্চিত করার জন্য জনগণ প্রস্তুত রয়েছে বলে জানান।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যাত্রাবাড়ী, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আসিফ মাহমুদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ থেকে ৬ মাস, ১ কোটি, ৫০ লাখ, ৭০, ২১৩, ১৭
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!