📌 নীলফামারীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হলেও নিয়োগপত্র না পাওয়ায় ৫১ জন প্রার্থী জেলা শিক্ষা অফিসের সামনে মানববন্ধন করে। তারা দাবি করে, নিয়োগ প্রক্রিয়ার সব ধাপ সফল হলেও তাদের বিরুদ্ধে কোনো স্পষ্ট অভিযোগ প্রকাশ করা হয়নি
নীলফামারী জেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হলেও নিয়োগপত্র না পাওয়ায় ৫১ জন প্রার্থী আজ রোববার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন করে। এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা ঘণ্টাব্যাপী আন্দোলন করে এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে লিখিত আবেদন জমা দেন। তারা অভিযোগ করেন, নিয়োগ প্রক্রিয়ার সব ধাপ সফলভাবে সম্পন্ন করার পরও তাদের নিয়োগপত্র আটকে রাখা হয়েছে। তবে তাদের বিরুদ্ধে কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ, নেতিবাচক ভেরিফিকেশন বা অযোগ্যতার কারণ প্রকাশ করা হয়নি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নীলফামারীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে ২১৯ জন প্রার্থী সুপারিশপ্রাপ্ত, এর মধ্যে ৫১ জন নিয়োগবঞ্চিত
- 📌 ১৬২ জন প্রার্থীকে নিয়োগপত্র দেওয়া হলেও ৫১ জনের ক্ষেত্রে কোনো স্পষ্ট কারণ প্রকাশ করা হয়নি
- 📌 মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী মো. নূর উদ্দিন বলেন, পুলিশ ও ব্যাকগ্রাউন্ড ভেরিফিকেশনে কোনো নেতিবাচক তথ্য থাকলে তা স্পষ্টভাবে জানানো দরকার ছিল
- 📌 জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. রবিউল ইসলাম বলেন, আন্দোলনকারীদের দাবি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জানানো হয়েছে
- 📌 নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলার খালুয়া দাখিল মাদ্রাসায় ১১ জন শিক্ষকের পদ শূন্য থাকায় ১০ জন শিক্ষক ৪১৩ জন শিক্ষার্থীর পাঠদান করছে
📰 বিস্তারিত
নীলফামারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের সামনে আজ রোববার বেলা ৩টার দিকে মানববন্ধন কর্মসূচি শুরু হয়। এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী ৫১ জন প্রার্থী প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে লিখিত আবেদন জমা দেন। তারা দাবি করেন, চূড়ান্ত সুপারিশের পরও তাদের নিয়োগপত্র না দেওয়ার কারণ স্পষ্টভাবে জানানো হয়নি। তারা বলেন, পুলিশ ভেরিফিকেশন, ব্যাকগ্রাউন্ড ভেরিফিকেশন বা এনএসআই প্রতিবেদনে কোনো নেতিবাচক তথ্য থাকলে তা অবশ্যই জানানো দরকার ছিল।
নিয়োগবঞ্চিতদের মধ্যে একজন মো. নূর উদ্দিন বলেন, ‘একই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অন্যান্য প্রার্থীদের নিয়োগপত্র দেওয়া হলেও আমাদের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম হওয়ার কোনো যৌক্তিক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। আমরা চরম মানসিক যন্ত্রণা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছি।’ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. রবিউল ইসলাম বলেন, ‘আন্দোলনকারীদের দাবি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জানানো হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশনা পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এই সমস্যার পাশাপাশি নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলার খালুয়া দাখিল মাদ্রাসায় শিক্ষকসংকটের সমস্যা জটিল হয়ে পড়েছে। এখানে দীর্ঘদিন ধরে ১১ জন শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ১০ জন শিক্ষক দিয়ে ৪১৩ জন শিক্ষার্থীর পাঠদান চালিয়ে যাচ্ছে। শিক্ষকসংকটের পাশাপাশি পর্যাপ্ত শ্রেণিকক্ষ, ওয়াশব্লক ও যাতায়াতের উপযোগী সড়ক না থাকায় শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সমস্যা বাড়ছে।
"আমাদের নিয়োগপত্র আটকে রাখা হয়েছে। লিখিতভাবে আমাদের বিরুদ্ধে কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রকাশ করা হয়নি। এতে করে আমরা চরম মানসিক যন্ত্রণা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নীলফামারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়, খালুয়া দাখিল মাদ্রাসা (নেত্রকোনা)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. নূর উদ্দিন, মো. রবিউল ইসলাম, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫১ জন (নিয়োগবঞ্চিত), ২১৯ জন (সুপারিশপ্রাপ্ত), ১৬২ জন (নিয়োগপ্রাপ্ত), ১১ জন (শূন্য পদ), ৪১৩ জন (শিক্ষার্থী)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!