📌 নীলফামারীর সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে এক মাসের বেশি সময় ধরে এক্সরে সেবা বন্ধ রয়েছে। বিকল মেশিনের কারণে রোগীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। সরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে মেশিন মেরামতের উদ্যোগ চলছে বলে জানানো হয়েছে
নীলফামারীর সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে এক্সরে সেবা এক মাসের বেশি সময় ধরে সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। হাসপাতালের একমাত্র সচল ডিজিটাল এক্সরে মেশিনটি গত ২৭ জুলাই থেকে বিকল হওয়ার পর থেকে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ফলে জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজনে আসা রোগীদেরকে বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে গিয়ে পরীক্ষা করাতে হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে এক্সরে সেবা এক মাসের বেশি সময় ধরে বন্ধ
- 📌 হাসপাতালের একমাত্র ডিজিটাল এক্সরে মেশিনটি গত ২৭ জুলাই থেকে বিকল
- 📌 হাসপাতালটির অন্য এক্সরে মেশিনটি দীর্ঘদিন ধরে অকেজো অবস্থায় রয়েছে
- 📌 বিকল মেশিনটির ইউপিএস নষ্ট হয়ে যাওয়ায় মেরামতের জন্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানে পাঠানো হয়েছে
📰 বিস্তারিত
নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলায় অবস্থিত ১০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালটি এই অঞ্চলের প্রায় তিনটি উপজেলার মানুষের প্রধান চিকিৎসাসেবা কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। হাসপাতালটির একমাত্র সচল ডিজিটাল এক্সরে মেশিনটি গত ২৭ জুলাই বিকল হওয়ার পর থেকে এক্সরে পরীক্ষা সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, এখানে দুটি এক্সরে মেশিন থাকলেও এর মধ্যে একটি দীর্ঘদিন ধরে অকেজো অবস্থায় পড়ে আছে। সংশ্লিষ্ট সরকারি বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে যে, পুরাতন এনালগ মেশিনটি আর সচল করা সম্ভব নয় বলে তা পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে।
ডিজিটাল এক্সরে মেশিনটির ইউপিএস নষ্ট হয়ে যাওয়ায় এটি বিকল হয়ে পড়ে। এর আগেও বেশ কয়েকবার মেশিনটি বিকল হওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক (আরএমও) নাজমুল হুদা জানিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, ‘মেশিনটি মেরামতের জন্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের কাছে পাঠানো হয়েছে। হাসপাতালের জন্য দুটি এক্সরে মেশিন থাকলেও একটি বিকল হয়ে গেলে পুরো এক্সরে কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।’
এই পরিস্থিতিতে বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা রোগীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। সৈয়দপুর শহরের গোলাহাট এলাকার বাসিন্দা জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী এক্সরে করতে হাসপাতালে চার দিন ধরে আসছেন তিনি। কিন্তু মেশিন বিকল থাকায় বারবার ফিরে যেতে হচ্ছে। দিনাজপুরের রানীরবন্দর থেকে চিকিৎসা নিতে আসা সালেহা বেগম (৫৩) বলেন, ‘পায়ে আঘাত পেয়ে এক্সরে করতে বলা হয়েছে। কিন্তু মেশিন নষ্ট থাকায় বাইরে থেকে পরীক্ষা করাতে হবে বলে জানানো হয়েছে। গরিব মানুষ হিসেবে এটি আমার জন্য অত্যন্ত কষ্টকর।’
‘হাসপাতালে রোগীর চাপ অনেক। মেশিনটি মেরামতের জন্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের কাছে পাঠানো হয়েছে। আশা করছি দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে।’ — নাজমুল হুদা, আবাসিক চিকিৎসক, সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতাল
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সৈয়দপুর, নীলফামারী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নাজমুল হুদা (আরএমও), সালেহা বেগম (৫৩), জাহাঙ্গীর হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০০ (শয্যা), ২৭ জুলাই, ৫৩ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!