📌 নির্বাচন কমিশন (ইসি) এনআইডি সংশোধনের ৬৫ লাখ ৭০ হাজার ৮৪২টি আবেদনের মধ্যে ৬৪ লাখ ৪২ হাজার ৮৩২টি নিষ্পত্তি করেছে। তবে ১ লাখ ২৮ হাজার ১০টি আবেদন অপেক্ষায় রয়েছে এবং ১৩ লাখ ৫৫ হাজার ১৫৭টি আবেদন বাতিল হয়েছে
নির্বাচন কমিশন (ইসি) এনআইডি সংশোধনের বড় অগ্রগতি অর্জন করেছে। জমা পড়া ৬৫ লাখ ৭০ হাজার ৮৪২টি সংশোধন আবেদনের মধ্যে ৬৪ লাখ ৪২ হাজার ৮৩২টি নিষ্পত্তি করা হয়েছে। তবে ১ লাখ ২৮ হাজার ১০টি আবেদন এখনও অপেক্ষায় রয়েছে এবং ১৩ লাখ ৫৫ হাজার ১৫৭টি আবেদন বাতিল হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নির্বাচন কমিশন (ইসি) এনআইডি সংশোধনের ৬৫ লাখ ৭০ হাজার ৮৪২টি আবেদনের মধ্যে ৬৪ লাখ ৪২ হাজার ৮৩২টি নিষ্পত্তি করেছে।
- 📌 বর্তমানে ১ লাখ ২৮ হাজার ১০টি আবেদন অপেক্ষায় রয়েছে এবং ১৩ লাখ ৫৫ হাজার ১৫৭টি আবেদন বাতিল হয়েছে।
- 📌 ‘ঘ’ ক্যাটাগরিতে ৬৯ হাজার ২৫২টি আবেদন নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে, যার মধ্যে ঢাকা ও কুমিল্লায় সর্বাধিক চাপ।
- 📌 আবেদন নিষ্পত্তির সময়সীমা কমানো হয়েছে এবং অঞ্চলভিত্তিক তদারকি জোরদার করা হয়েছে।
- 📌 জন্মতারিখ সংশোধনের ক্ষেত্রে অনলাইনে যাচাইযোগ্য শিক্ষাসনদকে গুরুত্ব দিয়ে নতুন নজরদারি চালু করেছে ইসি।
📰 বিস্তারিত
নির্বাচন কমিশন (ইসি) এনআইডি সংশোধনের কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত হালনাগাদ তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, এনআইডি সংশোধন কার্যক্রমে আবেদন নিষ্পত্তি, অযৌক্তিক আবেদন বাছাই এবং জালিয়াতি প্রতিরোধে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
ইসি কর্মকর্তারা জানান, ২০২৪ সাল পর্যন্ত জমা পড়া এনআইডি সংশোধনের আবেদন নিষ্পত্তি করা হয়েছে। ২০২৫ সালের আবেদনগুলোর নিষ্পত্তিও প্রায় শেষ পর্যায়ে। তবে প্রতি মাসে গড়ে ৮০ থেকে ৯০ হাজার নতুন আবেদন জমা পড়ায় কিছু আবেদন অপেক্ষমাণ থাকছে। এর মধ্যে যুক্ত হচ্ছে সংশোধনের অযোগ্য আবেদন এবং একই বিষয়ে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুনরায় আবেদন করার প্রবণতা।
অঞ্চলভিত্তিকভাবে, ঢাকা অঞ্চলে ১০ হাজার ৬১৫টি, ফরিদপুরে ৫ হাজার ১৪০টি, খুলনায় ৫ হাজার ৮৭১টি, ময়মনসিংহে ৮ হাজার ৩৩২টি এবং রংপুরে ৪ হাজার ৪৭৭টি আবেদন অপেক্ষায় রয়েছে। সিলেটে ৬ হাজার ৪৬৯টি, রাজশাহীতে ৬ হাজার ৮৭৫টি, বরিশালে ৪ হাজার ২২৬টি, চট্টগ্রামে ৬ হাজার ৬৮৮টি এবং কুমিল্লায় ১০ হাজার ৫৫৯টি আবেদন নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে।
ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বাসস বলেছেন, আবেদন নিষ্পত্তির মূল লক্ষ্য নির্ভুলভাবে কাজ করা। তিনি বলেন, অতীতে অযৌক্তিক আবেদনগুলো যথাযথভাবে যাচাই করা হয়নি। এখন যুক্তিসংগত নয়—এমন আবেদন বাতিল করা হচ্ছে এবং প্রতিটি আবেদন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
জন্মতারিখ সংশোধনের ক্ষেত্রে অনলাইনে যাচাইযোগ্য শিক্ষাসনদকে গুরুত্ব দিয়ে নতুন করে তদারকি জোরদার করেছে নির্বাচন কমিশন। গত ১৩ আগস্ট জারি করা পরিপত্র অনুযায়ী, অনলাইনে যাচাইযোগ্য জেএসসি, মাধ্যমিক বা সমমানের শিক্ষাসনদের ভিত্তিতে জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন ‘ক’ ক্যাটাগরিতে অন্তর্ভুক্ত করে সংশ্লিষ্ট উপজেলা বা থানা নির্বাচন কর্মকর্তা নিষ্পত্তি করতে পারবেন।
"অতীতে অযৌক্তিক আবেদনগুলো সব ক্ষেত্রে যথাযথভাবে যাচাই করা হয়নি। এখন যুক্তিসংগত নয়—এমন আবেদন বাতিল করা হচ্ছে এবং প্রতিটি আবেদন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, সিলেট, বরিশাল, রংপুর, ময়মনসিংহ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আখতার আহমেদ বাসস (ইসি সিনিয়র সচিব), কর্মকর্তারা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৪ লাখ ৪২ হাজার ৮৩২টি নিষ্পত্তি, ১ লাখ ২৮ হাজার ১০টি অপেক্ষায়, ১৩ লাখ ৫৫ হাজার ১৫৭টি বাতিল
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!