📅 ১১ অক্টোবর ২০২৬, ৮:০৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সাত বছরেও শেষ হয়নি নেত্রকোনা বাইপাস সড়ক: ঠিকাদারদের ১২ বার সতর্ক করা হলেও কাজের অগ্রগতি মাত্র ২৮ শতাংশ

সাত বছরেও শেষ হয়নি নেত্রকোনা বাইপাস সড়ক: ঠিকাদারদের ১২ বার সতর্ক করা হলেও কাজের অগ্রগতি মাত্র ২৮ শতাংশ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নেত্রকোনা শহর বাইপাস সড়ক নির্মাণ প্রকল্প সাত বছর পরও শেষ হয়নি। ২৯৪ কোটি টাকার প্রকল্পে চারটি প্যাকেজের মধ্যে দুটিতে কাজ প্রায় শেষ হলেও অন্য দুটিতে অগ্রগতি মাত্র ৪৬ ও ২৮ শতাংশ। ঠিকাদারদের ১২ বার সতর্ক করা হলেও কাজের গতি বাড়ছে না

নেত্রকোনা শহরের যানজট মুক্তির লক্ষ্যে সাত বছর আগে শুরু হওয়া ১৩.২ কিলোমিটার বাইপাস সড়ক নির্মাণ প্রকল্প এখনও শেষ হয়নি। ২৯৪ কোটি টাকার এই প্রকল্পে চারটি প্যাকেজের মধ্যে দুটিতে কাজ প্রায় শেষ হলেও অন্য দুটিতে অগ্রগতি মাত্র ৪৬ শতাংশ ও ২৮ শতাংশ। ঠিকাদারদের ১২ বার সতর্ক করা হলেও কাজের গতি বাড়ছে না।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সাত বছর পরও শেষ হয়নি নেত্রকোনা বাইপাস সড়ক নির্মাণ প্রকল্প। প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে তিন দফা।
  • 📌 ২৯৪ কোটি টাকার প্রকল্পে চারটি প্যাকেজে বিভক্ত। প্রথম ও দ্বিতীয় প্যাকেজে কাজের অগ্রগতি ৯২ শতাংশ করে, তৃতীয় প্যাকেজে ৪৬ শতাংশ, চতুর্থ প্যাকেজে মাত্র ২৮ শতাংশ।
  • 📌 ঠিকাদারদের ১২ বার সতর্ক করা হলেও কাজের গতি বাড়ছে না। তৃতীয় প্যাকেজের ঠিকাদার সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন।
  • 📌 মোহনগঞ্জ, খালিয়াজুরি, সুনামগঞ্জের তাহিরপুর সহ নেত্রকোনা ও সুনামগঞ্জের বিভিন্ন এলাকার যানবাহন বাইপাস সড়ক চালু হলে শহরের যানজট কমবে।
  • 📌 ৬১ একর জমি অধিগ্রহণের টাকা বিতরণের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। কিছু জমির কাগজপত্রে জটিলতা থাকায় টাকা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

📰 বিস্তারিত

নেত্রকোনা শহরের যানজট কমাতে ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদিত হয় ১৩.২ কিলোমিটার বাইপাস সড়ক নির্মাণ প্রকল্প। প্রকল্পের মোট বরাদ্দ ছিল ২৯৪ কোটি টাকা। প্রকল্পের কাজ চারটি প্যাকেজে বিভক্ত করা হয়। প্রথম প্যাকেজে ৩ কিলোমিটার সড়কের কাজ পায় রানা বিল্ডার্স অ্যান্ড তাহের ব্রাদার্স, দ্বিতীয় প্যাকেজে সাড়ে ৪ কিলোমিটার কাজ পায় তাহের ব্রাদার্স, তৃতীয় প্যাকেজে সাড়ে ৪ কিলোমিটার কাজ পায় জামিল ইকবাল, আর চতুর্থ প্যাকেজে ১.৯ কিলোমিটার কাজ পায় মোস্তফা জামান ট্রেডার্স লিমিটেড।

সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ) সূত্রে জানা যায়, প্রথম ও দ্বিতীয় প্যাকেজের কাজের অগ্রগতি ৯২ শতাংশ করে। তবে তৃতীয় প্যাকেজের কাজ হয়েছে মাত্র ৪৬ শতাংশ এবং চতুর্থ প্যাকেজের অগ্রগতি মাত্র ২৮ শতাংশ। চতুর্থ প্যাকেজের কার্যাদেশ অন্যগুলোর চেয়ে বেশ কিছুদিন পর দেওয়া হয়। প্রকল্পের কাজ শেষ করার সময়সীমা গত ৩০ জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

সড়কের বিভিন্ন অংশে নির্মাণকাজ বন্ধ আছে। চল্লিশা থেকে কুনিয়া পর্যন্ত অংশের কাজ প্রায় শেষ হলেও শালজান, পূর্বপুকুরিয়া, গজিনপুর, মেদনী, কৃষ্টপুর ও বাংলা বাজার অংশে কাজের অগ্রগতি সামান্য। পূর্বপুকুরিয়া গ্রামের বাসিন্দা রমজান মিয়া বলেন, ‘ঠিকাদারের লোকজন ঢিলেঢালাভাবে কাজ করতেছে। সড়কের উচ্চতা ঠিকভাবে করা হয় না। সেতু-কালভার্ট নিচু করে নির্মাণ করা হয়। আমরা বাধা দিলেও কোনো লাভ হয় না।’

নেত্রকোনা সদর উপজেলার চল্লিশা-কুনিয়া-মেদনী-বাংলা বাজার বাইপাস সড়ক চালু হলে মোহনগঞ্জ, খালিয়াজুরি, বারহাট্টা, সদর ও কলমাকান্দার পাশাপাশি সুনামগঞ্জের তাহিরপুর, মধ্যনগর ও ধর্মপাশার যানবাহন নেত্রকোনা শহরের ভেতর দিয়ে না গিয়ে বিকল্প পথে চলাচল করতে পারবে। বর্তমানে শহরের প্রধান সড়ক ব্যবহারে এসব যানবাহন চলাচল করায় গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে প্রায়ই যানজট হয়।

"বাইপাস সড়কটি হলে শহরের যানজট অনেকটাই কমত। কিন্তু বছরের পর বছর কাজ চললেও শেষ হচ্ছে না। আমাদের দুর্ভোগও কমছে না।"

— ফরিদ তালুকদার, কলমাকান্দার ঘনিচা গ্রামের বাসিন্দা

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নেত্রকোনা সদর উপজেলা, নেত্রকোনা, মোহনগঞ্জ, সুনামগঞ্জের তাহিরপুর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. ইলিয়াস হোসেন (সওজ নির্বাহী প্রকৌশলী), ফরিদ তালুকদার (বাসিন্দা), জামিল ইকবাল (ঠিকাদার), খন্দকার মুশফিকুর রহমান (জেলা প্রশাসক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩.২ কিলোমিটার (সড়ক দৈর্ঘ্য), ২৯৪ কোটি টাকা (মোট ব্যয়), ২১১ কোটি ৯২ লাখ টাকা (মোট বরাদ্দ), ৯২ শতাংশ (প্রথম ও দ্বিতীয় প্যাকেজের অগ্রগতি), ৪৬ শতাংশ (তৃতীয় প্যাকেজের অগ্রগতি), ২৮ শতাংশ (চতুর্থ প্যাকেজের অগ্রগতি), ১২ বার (ঠিকাদারদের সতর্কবার্তা), ৬১ একর (অধিগ্রহণ জমি)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖