📅 ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নেত্রকোনা বাইপাস সড়ক: ২৯৪ কোটি টাকার প্রকল্প সাত বছর পরও অসমাপ্ত, ঠিকাদার জামিল ইকবালের অবহেলা ও সরকারি অব্যবস্থাপনার নজির

নেত্রকোনা বাইপাস সড়ক: ২৯৪ কোটি টাকার প্রকল্প সাত বছর পরও অসমাপ্ত, ঠিকাদার জামিল ইকবালের অবহেলা ও সরকারি অব্যবস্থাপনার নজির

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নেত্রকোনা শহরের বাইপাস সড়ক নির্মাণ প্রকল্প ২০১৯ সালে অনুমোদিত হলেও সাত বছর পরও অসমাপ্ত। ২৯৪ কোটি টাকার এই প্রকল্পে ঠিকাদার জামিল ইকবালের অবহেলা ও সরকারি অব্যবস্থাপনা জনদুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে

নেত্রকোনা শহরের বাইপাস সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের অগ্রগতি বন্ধের কারণে শহরটি দিনে দিনে যানজটের শিকার হয়ে পড়েছে। ২৯৪ কোটি টাকার এই প্রকল্পের কাজ ২০১৯ সালে অনুমোদিত হলেও সাত বছর পরও সম্পূর্ণ হয়নি। প্রকল্পের চারটি প্যাকেজের মধ্যে দুটিতে কাজ প্রায় শেষ হলেও অন্য দুটিতে অগ্রগতি মাত্র ৪৫ শতাংশের নিচে এবং এক-তৃতীয়াংশেরও কম।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২৯৪ কোটি টাকার বাইপাস সড়ক নির্মাণ প্রকল্প ২০১৯ সালে অনুমোদিত হলেও সাত বছর পরও অসমাপ্ত, মেয়াদ চারবার বাড়ানো হয়েছে
  • 📌 ১৩.২ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়কটি নির্মাণের উদ্দেশ্য ছিল নেত্রকোনা ও সুনামগঞ্জের দূরপাল্লার যানবাহনগুলিকে শহরের সংকীর্ণ সড়ক থেকে রক্ষা করা
  • 📌 ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান জামিল ইকবাল ১২ বার সতর্ক করা সত্ত্বেও কাজ ঝুলিয়ে রেখেছে, বিল পরিশোধের পরও অগ্রগতি নেই
  • 📌 কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে — সেতু-কালভার্ট নিচু নির্মাণ এবং সড়কের উচ্চতা সঠিকভাবে দেওয়া হয়নি
  • 📌 জমি অধিগ্রহণের টাকা পাওয়ার দীর্ঘসূত্রতা এবং ঠিকাদারদের ফেলে রাখা বালু-পাথরের কারণে বর্ষায় নতুন সংকট সৃষ্টি হয়েছে

📰 বিস্তারিত

২০১৯ সালে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটিতে (একনেক) অনুমোদিত এই প্রকল্পের কাজ ২০২১ সালের জুনে শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বাস্তবতা হলো, এ পর্যন্ত তিন দফা মেয়াদ বাড়িয়ে চতুর্থ দফায় মেয়াদ বাড়ানোর তোড়জোড় চলছে। প্রকল্পের চারটি প্যাকেজের মধ্যে দুটির কাজ প্রায় শেষ হলেও একটি প্যাকেজের অগ্রগতি মাত্র ৪৫ শতাংশের নিচে এবং অন্যটির কাজ এক-তৃতীয়াংশেরও কম। সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ) তথ্য অনুযায়ী, কাজের গতি বাড়াতে ঠিকাদারদের অন্তত ১২ বার চিঠি দিয়ে সতর্ক করা হয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, ১২ বার সতর্ক করা সত্ত্বেও কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কেন চুক্তি বাতিল ও জামানত বাজেয়াপ্ত করার মতো কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিতে এত দিন অপেক্ষা করা হলো?

নেত্রকোনা শহরের বাইপাস সড়ক চালু হলে মোহনগঞ্জ, খালিয়াজুরি, বারহাট্টা, কলমাকান্দা, সুনামগঞ্জের তাহিরপুর, মধ্যনগর ও ধর্মপাশার দূরপাল্লার ও ভারী যানবাহন শহরের ভেতর না ঢুকে বিকল্প পথে যাতায়াত করতে পারত। কিন্তু বাইপাস না থাকায় শহরের সংকীর্ণ সড়কগুলো দিয়ে এসব যানবাহন চলাচল করায় প্রধান মোড়গুলোতে নিত্যদিনের স্থবিরতা দেখা দিচ্ছে। ব্যাহত হচ্ছে সাধারণ মানুষের নিরাপদ চলাচল।

কাজের মান নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ, সেতু-কালভার্ট নিচু করে নির্মাণ করা হচ্ছে এবং সড়কের উচ্চতাও সঠিকভাবে দেওয়া হচ্ছে না। এছাড়া জমি অধিগ্রহণের টাকা পাওয়ার দীর্ঘসূত্রতা এবং ঠিকাদারদের ফেলে রাখা বালু-পাথরের কারণে বর্ষায় নতুন সংকট সৃষ্টি হয়েছে।

"উন্নয়ন মানে কেবল প্রকল্প অনুমোদন আর শত শত কোটি টাকার বাজেট তৈরি নয়; নির্দিষ্ট সময়ে মান বজায় রেখে কাজ বুঝিয়ে দেওয়াই প্রকৃত উন্নয়ন। বারবার মেয়াদ বাড়িয়ে জনগণের অর্থের অপচয় ও ধৈর্যের পরীক্ষা নেওয়া বন্ধ করতে হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নেত্রকোনা শহর, মোহনগঞ্জ, খালিয়াজুরি, বারহাট্টা, কলমাকান্দা, সুনামগঞ্জের তাহিরপুর, মধ্যনগর ও ধর্মপাশা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান জামিল ইকবাল, স্থানীয় লোকজন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৯৪ কোটি টাকা, ১৩.২ কিলোমিটার, ৪৫ শতাংশ, ১২ বার

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖