📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৭:৪৩ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নাটোরে ইউএনও অফিসে হামলা ও সাংবাদিক মারধরের ঘটনায় দুই থানার ওসি প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন

নাটোরে ইউএনও অফিসে হামলা ও সাংবাদিক মারধরের ঘটনায় দুই থানার ওসি প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ফ্যামিলি কার্ড শুমারির নিয়োগ অনিয়মের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করতে গিয়ে নাটোরের লালপুর ও বাগাতিপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে হামলা ও ছয় সাংবাদিক মারধরের ঘটনা ঘটে। ঘটনার ২৪ ঘণ্টা পরও কোনো মামলা না হওয়ায় ক্ষুব্ধ সাংবাদিকরা দুই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রত্যাহার ও হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন

নাটোরের লালপুর ও বাগাতিপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে ফ্যামিলি কার্ড শুমারির নিয়োগ অনিয়মের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করতে গিয়ে হামলা ও ছয় সাংবাদিক মারধরের ঘটনা ঘটে। ঘটনার ২৪ ঘণ্টা পার হলেও এখনো কোনো মামলা দায়ের করা হয়নি। বৃহস্পতিবার জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নিয়ে সাংবাদিকরা হামলাকারীদের গ্রেপ্তার এবং দুই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে প্রত্যাহারের দাবি জানান।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ফ্যামিলি কার্ড শুমারির সুপারভাইজার ও তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে লালপুর ও বাগাতিপাড়া উপজেলা ইউএনও কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর
  • 📌 ইউএনও অফিসের গেট, ফুলের টব ভাঙচুর এবং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও অফিস সহকারীকে মারধরের অভিযোগ
  • 📌 ঢাকা পোস্ট, সংগ্রাম, প্রতিদিনের বাংলাদেশ, চ্যানেল ওয়ান, স্টার নিউজ টিভি, মানবজমিন ও এনটিভি অনলাইনের ছয় সাংবাদিক মারধরের শিকার
  • 📌 লাইভ সম্প্রচারে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ও সিসিটিভি ক্যামেরা ভাঙচুর
  • 📌 ঘটনার ২৪ ঘণ্টা পরও দুই ইউএনও ও দুই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কোনো আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ না করা
  • 📌 মানববন্ধনে অংশ নিয়ে সাংবাদিকরা ৭২ ঘণ্টার মধ্যে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও দুই থানার ওসি প্রত্যাহারের আল্টিমেটাম দিয়েছেন

📰 বিস্তারিত

গত বুধবার দুপুরে ফ্যামিলি কার্ড শুমারির তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগে অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ তুলে স্থানীয় ছাত্রদল নেতাকর্মীরা লালপুর ও বাগাতিপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ শুরু করেন। পরে তাঁরা মিছিল নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দেবাশীষ বসাকের কক্ষের সামনে অবস্থান নেন। এ সময় ইউএনও অফিসের গেট ও বেশ কিছু ফুলের টব ভাঙচুর করা হয়। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও এক অফিস সহকারী মারধরের শিকার হন বলে অভিযোগ রয়েছে।

ঘটনার ভিডিও ধারণ করতে গেলে ঢাকা পোস্টের নাটোর প্রতিনিধি আশিকুর রহমান, সংগ্রামের উপজেলা প্রতিনিধি ফজলুর রহমান ফজলু, প্রতিদিনের বাংলাদেশের প্রতিনিধি খাদেমুল ইসলামসহ ছয় সাংবাদিক মারধরের শিকার হন। চ্যানেল ওয়ান ও স্টার নিউজ টিভির সাংবাদিকদের লাইভ সম্প্রচারে বাধা দেওয়ার অভিযোগও ওঠে। একই সময় লালপুর উপজেলায় ইউএনও অফিস ঘেরাও করা হয়। সেখানে সিসিটিভি ক্যামেরা ভাঙচুর, সমাজসেবা কর্মকর্তা মাসুদ রানা ও আইসিটি কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমানাকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ ওঠে। লালপুরে ভিডিও ধারণ করতে গেলে মানবজমিনের সাংবাদিক রাসেদুল এবং এনটিভি অনলাইনের সাজিবুল ইসলাম হৃদয় মারধরের শিকার হন।

ঘটনার ২৪ ঘণ্টা পার হলেও দুই উপজেলার ইউএনও কোনো আইনগত ব্যবস্থা নেননি বলে অভিযোগ রয়েছে। লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম এবং বাগাতিপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল হান্নান জানান, এখন পর্যন্ত কেউ থানায় অভিযোগ করেনি। তবে অভিযোগ করা হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

"বুধবার ইউএনও অফিসে বাগাতিপাড়া উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সোহেল রানা ও পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোতালেব হোসেন পান্নার নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী আমাদের ওপর হামলা চালায়। তাঁরা ক্যামেরা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে ফুটেজ মুছে ফেলে এবং আমাদের শারীরিকভাবে নির্যাতন করে।"

নাটোর ইউনিক প্রেসক্লাবের সভাপতি ও চ্যানেল ২৪-এর স্টাফ রিপোর্টার দেবাশীষ সরকার পাঁচু বলেন, "পুলিশের দায়িত্ব ছিল সাংবাদিক এবং উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা দেওয়া। কিন্তু তাঁরা সেই দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। পুলিশের উপস্থিতিতেই ইউএনওকে অবরুদ্ধ করা এবং সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।"

নাটোর ইউনাইটেড প্রেসক্লাবের সভাপতি নাসিম উদ্দিন নাসিম জানান, "মব সৃষ্টি করে সাংবাদিকদের মারধর করা হয়েছে। ইউএনওর কলার ধরে ঝাঁকানো হয়েছে। ঘটনার পর নির্যাতিত সাংবাদিকরা থানায় অভিযোগ দিতে গেলেও পুলিশ তা দলীয় নেতাকর্মীদের জানিয়ে দেন। আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার এবং দুই থানার ওসিকে প্রত্যাহার করা না হলে কঠোর আন্দোলনের ঘোষণা গড়ে তোলা হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: লালপুর ও বাগাতিপাড়া, নাটোর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: দেবাশীষ বসাক (বাগাতিপাড়া ইউএনও), মো. বরকত উল্লাহ (লালপুর ইউএনও), শফিকুল ইসলাম (লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা), আব্দুল হান্নান (বাগাতিপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ (সাংবাদিক), ২৪ (ঘণ্টা), ৭২ (ঘণ্টা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖