📅 ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

জাতীয় চিড়িয়াখানার হ্রদে নৌকাভ্রমণ: শব্দ ও পানিদূষণ নিয়ে বিলম্বিত প্রকল্পের নতুন চ্যালেঞ্জ

জাতীয় চিড়িয়াখানার হ্রদে নৌকাভ্রমণ: শব্দ ও পানিদূষণ নিয়ে বিলম্বিত প্রকল্পের নতুন চ্যালেঞ্জ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 জাতীয় চিড়িয়াখানার ৩২ একর দক্ষিণ হ্রদে নৌকাভ্রমণের আয়োজন করা হলেও শব্দ ও পানিদূষণের কারণে প্রকল্প বিলম্বিত। পরিচালক শাহিনুর আলম বলেছেন, শব্দহীন ইঞ্জিনের খোঁজ চলছে। প্রাণিবিদরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যে, নৌকাভ্রমণ প্রাণীদের পরিবেশে হুমকি সৃষ্টি করবে

জাতীয় চিড়িয়াখানার ৩২ একর দক্ষিণ হ্রদে দর্শনার্থীদের জন্য নৌকাভ্রমণের আয়োজন করা হলেও প্রকল্পের বাস্তবায়ন বিলম্বিত হয়েছে। শব্দ ও পানিদূষণের কারণে কর্তৃপক্ষ নৌকাভ্রমণ শুরু করতে পারছেন না। পরিচালক মো. শাহিনুর আলম জানান, নৌকার ইঞ্জিনের উচ্চ শব্দ এবং পানিতে তেলের মিশ্রণ প্রাণীদের জন্য ক্ষতিকর। তিনি বলেন, শব্দহীন ইঞ্জিনের খোঁজ চলছে, কিন্তু এখন পর্যন্ত সফল হয়নি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১৮ লাখ টাকায় নির্মিত জেটি ও ১৭ লাখ টাকায় কেনা দুটি নৌকা বর্তমানে ব্যবহৃত হচ্ছে না, কারণ ইঞ্জিনের শব্দ ও পানিদূষণ প্রাণীদের ক্ষতির কারণ হতে পারে;
  • 📌 ৩২ একর দক্ষিণ হ্রদে নৌকাভ্রমণের ব্যবস্থা করা হলেও ২৪ একর উত্তর হ্রদে পেলিকান পাখির কারণে নৌকাভ্রমণ বন্ধ রাখা হয়েছে;
  • 📌 ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জেটি ও সংযোগ সড়ক নির্মাণ সম্পন্ন হলেও নৌকাভ্রমণ শুরু হয়নি, কারণ শব্দহীন ইঞ্জিনের বিকল্প পাওয়া যায়নি;
  • 📌 প্রতি যাত্রী ১০০ টাকা মূল্যে নৌকাভ্রমণ করার অনুমোদন পেয়েছে চিড়িয়াখানা, তবে প্রকল্প বাস্তবায়নের তারিখ অজানা;
  • 📌 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ অধ্যাপক মোহাম্মদ ফিরোজ জামান উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যে, নৌকাভ্রমণ প্রাণীদের পরিবেশে হুমকি সৃষ্টি করবে এবং পরিযায়ী পাখিদের আসার সম্ভাবনাও কমবে;
  • 📌 ১৯৭৪ সালে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত জাতীয় চিড়িয়াখানার ১৮৬.৬৩ একর এলাকায় দুটি হ্রদ খনন করা হয়েছিল ১৯৭৮ সালে, কাজ শেষ হয় ১৯৮০ সালে;

📰 বিস্তারিত

রাজধানীর মিরপুরের জাতীয় চিড়িয়াখানায় দর্শনার্থীদের জন্য নৌকাভ্রমণের উদ্যোগ নেওয়া হলেও প্রকল্পের বাস্তবায়ন বিলম্বিত হয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানান, নৌকার ইঞ্জিনের উচ্চ শব্দ এবং পানিতে তেলের মিশ্রণ প্রাণীদের জন্য ক্ষতিকর। পরিচালক মো. শাহিনুর আলম বলেন, “শব্দহীন ইঞ্জিনের খোঁজ চলছে, কিন্তু এখন পর্যন্ত সফল হয়নি। না পেলে কম শব্দ করে এমন ইঞ্জিন লাগিয়ে নৌকাভ্রমণ চালুর বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।”

জাতীয় চিড়িয়াখানার দক্ষিণ হ্রদে নৌকাভ্রমণের ব্যবস্থা করা হয়েছে, তবে উত্তর হ্রদে দুটি পেলিকান পাখির কারণে নৌকাভ্রমণ বন্ধ রাখা হয়েছে। ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জেটি ও সংযোগ সড়ক নির্মাণ সম্পন্ন হলেও নৌকাভ্রমণ শুরু হয়নি। কর্তৃপক্ষ জানান, প্রতিটি নৌকায় ২০ জন যাত্রী একসঙ্গে নৌকাভ্রমণ করতে পারবেন। প্রতি যাত্রীর জন্য ১০০ টাকা মূল্যে নৌকাভ্রমণ করার অনুমোদন পেয়েছে চিড়িয়াখানা।

অধ্যাপক মোহাম্মদ ফিরোজ জামান উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যে, নৌকাভ্রমণ প্রাণীদের পরিবেশে হুমকি সৃষ্টি করবে। তিনি বলেন, “জাতীয় চিড়িয়াখানার এই উদ্যোগ ভালো হয়নি। তারা এ ধরনের স্থাপনা অজ্ঞতা থেকে করেছে। এটা অপসারণ করা উচিত।” তিনি আরও বলেন, কালিম, ডাহুক এবং অন্যান্য জলজ পশুপাখির জন্য নিরাপদ পরিবেশ নষ্ট করা হয়েছে।

"জাতীয় চিড়িয়াখানার এই উদ্যোগ ভালো হয়নি। তারা এ ধরনের স্থাপনা অজ্ঞতা থেকে করেছে। এটা অপসারণ করা উচিত।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মিরপুর, ঢাকা (জাতীয় চিড়িয়াখানা)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পরিচালক মো. শাহিনুর আলম, অধ্যাপক মোহাম্মদ ফিরোজ জামান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮ লাখ টাকা (জেটি নির্মাণ), ১৭ লাখ টাকা (নৌকা কেনা), ৩২ একর (দক্ষিণ হ্রদ), ২৪ একর (উত্তর হ্রদ), ২০ জন (প্রতি নৌকার ধারণ ক্ষমতা), ১০০ টাকা (প্রতি যাত্রীর মূল্য)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖