📌 নারায়ণগঞ্জে ২৪০টি মণ্ডপে দুর্গাপূজার প্রস্তুতি চলছে। ১০ অক্টোবর মহালয়া থেকে শুরু করে ২১ অক্টোবর বিজয় দশমী পর্যন্ত পূজার আনুষ্ঠানিকতা চলবে। প্রতিমা তৈরির শেষ পর্যায়ে শিল্পীরা ব্যস্ত। পুলিশ নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে
নারায়ণগঞ্জে দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হওয়ার আগেই মণ্ডপে মণ্ডপে শুরু হয়েছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। প্রতিমা তৈরির শেষ পর্যায়ে শিল্পীরা প্রতিমার মুখাবয়ব, চোখ, চুল ও পোশাকের খুঁটিনাটি ফুটিয়ে তুলতে ব্যস্ত। ১০ অক্টোবর মহালয়া থেকে শুরু করে ২১ অক্টোবর বিজয় দশমী পর্যন্ত পূজার আনুষ্ঠানিকতা চলবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নারায়ণগঞ্জে এবারের দুর্গাপূজায় ২৪০টি মণ্ডপে অনুষ্ঠান হবে, যা আগের বছরের তুলনায় বেড়েছে
- 📌 ১০ অক্টোবর মহালয়া থেকে শুরু করে ২১ অক্টোবর বিজয় দশমীতে প্রতিমা বিসর্জন পর্যন্ত পূজার আনুষ্ঠানিকতা চলবে
- 📌 প্রতিমা তৈরির শেষ পর্যায়ে শিল্পীরা প্রতিমার মুখ, চোখ, চুল ও পোশাক সাজানোর কাজে ব্যস্ত
- 📌 পুলিশ ৭৫০ সদস্যের টিম নিয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে, প্রতিটি মণ্ডপে সিসিটিভি ও আলোকসজ্জা থাকবে
- 📌 সদর উপজেলা ও সিটি করপোরেশনে ৭৯টি, রূপগঞ্জে ৫৭টি, আড়াইহাজারে ৪০টি, সোনারগাঁয়ে ৩৫টি ও বন্দর উপজেলায় ২৯টি মণ্ডপ রয়েছে
📰 বিস্তারিত
নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন মণ্ডপে দুর্গাপূজার প্রস্তুতি চলছে। প্রতিমা তৈরির কাজ শুরু থেকেই নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য পুলিশের নজরদারি রয়েছে। প্রতিমা তৈরির শেষ পর্যায়ে শিল্পীরা প্রতিমার মুখাবয়ব, চোখ, চুল ও পোশাকের খুঁটিনাটি ফুটিয়ে তুলতে ব্যস্ত। প্রতিমা তৈরির কাজ সাধারণত কয়েক ধাপে সম্পন্ন হয়। প্রথমে বাঁশ ও খড় দিয়ে কাঠামো তৈরি করা হয়, তারপর মাটি লাগানো হয়। মাটি শুকানোর পর দেওয়া হয় প্রলেপ, মসৃণ করা, রং করা এবং শেষ পর্যন্ত অলংকার ও পোশাকে সাজানো হয়।
নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, এবারের দুর্গাপূজায় ২৪০টি মণ্ডপে অনুষ্ঠান হবে। সদর উপজেলা ও সিটি করপোরেশন এলাকায় ৭৯টি, রূপগঞ্জে ৫৭টি, আড়াইহাজারে ৪০টি, সোনারগাঁয়ে ৩৫টি এবং বন্দর উপজেলায় ২৯টি মণ্ডপ রয়েছে। প্রতিমা তৈরির পাশাপাশি মণ্ডপ নির্মাণ, আলোকসজ্জা, বিদ্যুৎ, সিসিটিভি, স্বেচ্ছাসেবক এবং দর্শনার্থীদের চলাচলের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির বলেছেন, নারায়ণগঞ্জে ধর্মীয় সম্প্রীতির ঐতিহ্য রয়েছে। তিনি শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপন করতে বলেছেন। পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান জানিয়েছেন, ৭৫০ পুলিশ সদস্য পূজার নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালন করবেন। তারা ইউনিফর্ম ও সাদা পোশাক পরিধান করবেন। প্রতিটি মণ্ডপে সিসিটিভি ক্যামেরা, আলোকসজ্জা, স্বেচ্ছাসেবক ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থা থাকবে।
"চোখ আঁকার পরই প্রতিমার মুখে যেন প্রাণের ছাপ ফুটে ওঠে। তাই এই কাজটি অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে করেন শিল্পীরা।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নারায়ণগঞ্জ জেলা (সদর উপজেলা, সিটি করপোরেশন, রূপগঞ্জ, আড়াইহাজার, সোনারগাঁ, বন্দর)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শিল্পীরা, জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির, পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৪০টি মণ্ডপ, ৭৫০ পুলিশ সদস্য, ৭৯টি (সদর), ৫৭টি (রূপগঞ্জ), ৪০টি (আড়াইহাজার), ৩৫টি (সোনারগাঁ), ২৯টি (বন্দর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!