📌 নারায়ণগঞ্জ আদালত প্রাঙ্গণে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতা-কর্মী ও নিহতের স্বজনরা হত্যা মামলার প্রধান আসামি শেখ সিফাতকে গণপিটুনি দেন। আদালত পুলিশের পরিদর্শক জানান, উত্তেজিত জনতা তাকে মারধর করেন। রোববার দুপুরে ঘটনাটি ঘটে
নারায়ণগঞ্জ আদালত প্রাঙ্গণে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতা-কর্মী ও নিহতের স্বজনরা হত্যা মামলার প্রধান আসামি শেখ সিফাতকে গণপিটুনি দিয়েছেন। রোববার দুপুরে আসামিদের আদালতে হাজির করার সময় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশের পরিদর্শক আবদুস সামাদ জানান, উত্তেজিত জনতা তাকে মারধর করেন এবং পুলিশের ওপরও হামলার চেষ্টা করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতা-কর্মী ও নিহতের স্বজনরা আদালত প্রাঙ্গণে শেখ সিফাতকে গণপিটুনি দেন
- 📌 রোববার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ আদালতে আসামিদের হাজির করার সময় ঘটনাটি ঘটে
- 📌 আদালত পুলিশের পরিদর্শক আবদুস সামাদ জানান, উত্তেজিত জনতা তাকে মারধর করেন
- 📌 শেখ সিফাতকে পুলিশ হেফাজতে থাকা অবস্থায় গণপিটুনির ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও আকারে ছড়িয়ে পড়ে
- 📌 একই মামলায় শেখ সিফাতসহ ৭ আসামির ১০ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত
📰 বিস্তারিত
নারায়ণগঞ্জ আদালত প্রাঙ্গণে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতা-কর্মী ও নিহতের স্বজনরা হত্যা মামলার প্রধান আসামি শেখ সিফাতকে গণপিটুনি দিয়েছেন। রোববার দুপুরে আসামিদের আদালতে হাজির করার সময় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশের পরিদর্শক আবদুস সামাদ জানান, উত্তেজিত জনতা তাকে মারধর করেন এবং পুলিশের ওপরও হামলার চেষ্টা করেন। স্বজন হারানোর কারণে বিক্ষোভকারীরা উত্তেজিত হয়ে পড়েছিলেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এদিকে একই মামলায় আদালত শেখ সিফাতসহ ৭ আসামির ১০ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। একই মামলায় গ্রেপ্তার চার নারী আসামির তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে। রোববার শুনানি শেষে নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নুরুল হুদা চৌধুরীর আদালত এ আদেশ দেন।
গত বৃহস্পতিবার রাতে নারায়ণগঞ্জের বন্দরের সালেহনগর এলাকায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতা জাহিদ আল আমিনকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। পরদিন শুক্রবার নিহতের ছোট ভাই জোবাইদ আল আমিন ৪০ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করে বন্দর থানায় হত্যা মামলা করেন।
পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের খাবার সরবরাহকে কেন্দ্র করে শেখ সিফাতসহ কয়েকজনের সঙ্গে জাহিদের বিরোধ তৈরি হয়। পরে তার অটোরিকশার গ্যারেজে হামলা ও লুটপাটের ঘটনায় তিনি মামলা করেন। ওই মামলার জের ধরে তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছিল বলে পুলিশের ভাষ্য। হত্যাকাণ্ডের পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে ছয় ঘণ্টার মধ্যে শেখ সিফাতসহ ১১ জনকে গ্রেপ্তার করে। তাঁদের কাছ থেকে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধারের কথা জানিয়েছে পুলিশ।
"লোকজন উত্তেজিত হয়ে তাঁকে পিটিয়েছেন। তাঁরা পুলিশের ওপরও হামলার চেষ্টা করেছেন। স্বজন হারানোর কারণে বিক্ষোভকারীরা উত্তেজিত হয়ে পড়েছিলেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নারায়ণগঞ্জ আদালত প্রাঙ্গণ, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শেখ সিফাত, জাহিদ আল আমিন, পরিদর্শক আবদুস সামাদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ আসামির ১০ দিন রিমান্ড, ৪০ জনের নাম উল্লেখ, ১৫ থেকে ২০ জন অজ্ঞাত আসামি, ১১ জন গ্রেপ্তার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!