📌 টেকনাফের নাফ নদীতে বিজিবির অভিযানে চার লাখ ইয়াবা, তিন কেজি ক্রিস্টাল মেথ আইস ও পঞ্চাশ হাজার ইয়াবা উদ্ধার হয়েছে। পালানোর চেষ্টাকালে মিয়ানমারের তিন নাগরিককে আটক করা হয়েছে
টেকনাফের নাফ নদীর বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় বিজিবির অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার মধ্যরাত থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত পরিচালিত অভিযানে চার লাখ ইয়াবা, তিন কেজি ক্রিস্টাল মেথ আইস ও পঞ্চাশ হাজার ইয়াবা জব্দ করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিজিবির অভিযানে টেকনাফের নাফ নদী থেকে চার লাখ ইয়াবা উদ্ধার
- 📌 পালানোর চেষ্টাকালে মিয়ানমারের তিন নাগরিককে আটক
- 📌 তিন কেজি ক্রিস্টাল মেথ আইসসহ এক নাগরিককে গ্রেপ্তার
- 📌 পঞ্চাশ হাজার ইয়াবাসহ আরেকটি অভিযানে আরও তিন ব্যক্তি পালিয়ে যায়
📰 বিস্তারিত
রোববার মধ্যরাত থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত টেকনাফের নাফ নদীর বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় বিজিবির অভিযান পরিচালিত হয়। উখিয়া-৬৪ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম জানান, রোববার রাত ১টার দিকে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বিজিবির একটি দল টেকনাফ উপজেলার নাফ নদীতে অভিযান চালায়। এক পর্যায়ে মিয়ানমার থেকে তিন ব্যক্তিকে বস্তা মাথায় নিয়ে আসতে দেখে বিজিবির সদস্যরা থামার নির্দেশ দেন। পালানোর চেষ্টাকালে তারা তিনটি বস্তা ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরে তল্লাশি চালিয়ে চার লাখ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
একই দিন সকাল ৭টার দিকে টেকনাফের সাবরাং সীমান্তে পৃথক অভিযানে তিন কেজি ক্রিস্টাল মেথ আইসসহ এক মিয়ানমারের নাগরিককে আটক করা হয়েছে বলে জানান টেকনাফ-২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান। তিনি বলেন, মধ্যরাতে বিজিবির সদস্যরা প্রযুক্তির সহায়তায় নাফ নদীর শূণ্যরেখা অতিক্রম করে মিয়ানমার দিকে একটি সন্দেহজনক নৌকা প্রবেশ করতে দেখেন। পরে সকাল ৭টার দিকে নৌকাটি বাংলাদেশের জলসীমায় প্রবেশ করলে বিজিবির সদস্যরা থামার নির্দেশ দেন। এতে নৌকার তিনজন নদীতে ঝাঁপ দিয়ে পালিয়ে গেলেও এক ব্যক্তিকে আটক করা সম্ভব হয়।
ভোররাতে টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের লেদা এলাকায় আরেকটি অভিযানে পঞ্চাশ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানান লেফটেন্যান্ট কর্নেল হানিফুর রহমান। তিনি বলেন, ভোররাতে মাদক চালানের খবর পেয়ে বিজিবির একটি দল অভিযান চালায়। পালানোর সময় তিন ব্যক্তি কেওড়া বাগানে নৌকাটি ফেলে রেখে মিয়ানমারের দিকে সাঁতরে পালিয়ে যায়। পরে নৌকাটি তল্লাশি চালিয়ে মাছের ঝুড়িতে রাখা পঞ্চাশ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
"বিজিবির সদস্যরা পালানোর চেষ্টাকালে তিন ব্যক্তিকে থামানোর নির্দেশ দিলে তারা বস্তা ও নৌকা ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: টেকনাফ, নাফ নদী, কক্সবাজার
- 👥 ব্যক্তি: শাহ আলম (৫০), লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম, লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: চার লাখ ইয়াবা, তিন কেজি ক্রিস্টাল মেথ আইস, পঞ্চাশ হাজার ইয়াবা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!