📅 ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:১৪ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নবাব পরিবারের ঐতিহ্য রক্ষায় বিজয়: আইন উদ্দিন হায়দার ও ফয়জুন্নেসা ওয়াকফ এস্টেটের বৈধ মোতাওয়াল্লি হিসেবে স্বীকৃতি

নবাব পরিবারের ঐতিহ্য রক্ষায় বিজয়: আইন উদ্দিন হায়দার ও ফয়জুন্নেসা ওয়াকফ এস্টেটের বৈধ মোতাওয়াল্লি হিসেবে স্বীকৃতি

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ঐতিহাসিক আইন উদ্দিন হায়দার ও ফয়জুন্নেসা ওয়াকফ এস্টেটের বৈধ মোতাওয়াল্লি হিসেবে ব্যারিস্টার ড. খাজা ইকবাল এহসান উল্লাহকে স্বীকৃতি দিয়েছে আদালত ও ওয়াকফ প্রশাসন। বহিরাগত আবুল কালাম আনসারি ওরফে জামালের অবৈধ দখল অবসানে দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর এই বিজয় এলো

ঢাকা, ২৭ আগস্ট ২০২৬: প্রায় দেড় শতাব্দীর ঐতিহাসিক আইন উদ্দিন হায়দার ও ফয়জুন্নেসা ওয়াকফ এস্টেটের বৈধ মোতাওয়াল্লি হিসেবে ব্যারিস্টার ড. খাজা ইকবাল এহসান উল্লাহকে স্বীকৃতি দিয়েছে আদালত ও ওয়াকফ প্রশাসন। একাধিক আদালতের রায় এবং ওয়াকফ প্রশাসনের অফিস স্মারকের মাধ্যমে এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২০২১ সালের ১৯ ডিসেম্বর ও ২০২৪ সালের ১১ সেপ্টেম্বর ওয়াকফ প্রশাসকের অফিস স্মারকের মাধ্যমে ড. খাজা ইকবাল এহসান উল্লাহকে বৈধ মোতাওয়াল্লি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়
  • 📌 ১৮৫৪ ও ১৮৭৭ সালে নিবন্ধিত তৌলিয়াতনামা অনুযায়ী এস্টেটের মোতাওয়াল্লি নবাব পরিবারের বংশীয় পুরুষদের মধ্য থেকে মনোনীত হওয়ার বিধান রয়েছে
  • 📌 বহিরাগত আবুল কালাম আনসারি ওরফে জামালকে অবৈধভাবে ওয়াকফ সম্পত্তির নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করার অভিযোগে মহামান্য হাইকোর্ট তাকে অপসারণের নির্দেশ দেন
  • 📌 সুপ্রিম কোর্টের আদেশে ড. খাজা ইকবাল এহসান উল্লাহকে ই.সি. ৪১১/এ, ৪১১/বি, ৪১১/সি ও ৪১১/ডি-এর মোতাওয়াল্লি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়

📰 বিস্তারিত

ঐতিহাসিক দলিল অনুযায়ী, ১৮৫৪ ও ১৮৭৭ সালে নিবন্ধিত তৌলিয়াতনামার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয় আইন উদ্দিন হায়দার ও ফয়জুন্নেসা ওয়াকফ এস্টেট। দলিলে স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে যে, এস্টেটের মোতাওয়াল্লি নবাব পরিবারের বংশীয় পুরুষদের মধ্য থেকে মনোনীত হবেন। এই বিধান অনুসারে দীর্ঘকাল ধরে নবাব পরিবারের সদস্যরা এস্টেট পরিচালনা করে আসছেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে বহিরাগত আবুল কালাম আনসারি ওরফে জামালকে প্রধান করে একটি কথিত মোতাওয়াল্লি কমিটি গঠন করা হয়।

এই অবৈধ কমিটির বিরুদ্ধে মহামান্য হাইকোর্ট ২০১৫ সালের ১ জুলাই আবুল কালাম আনসারি ওরফে জামালকে অপসারণের নির্দেশ দেন। পরবর্তীতে ব্যারিস্টার ড. খাজা ইকবাল এহসান উল্লাহ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে মামলা দায়ের করেন। আদালতের রায়ে ড. খাজা ইকবাল এহসান উল্লাহকে ই.সি. ৪১১/এ, ৪১১/বি, ৪১১/সি ও ৪১১/ডি-এর মোতাওয়াল্লি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

ব্যারিস্টার ড. খাজা ইকবাল এহসান উল্লাহ বলেন, ‘বহিরাগতদের নিয়ে গঠিত এই কমিটি নবাব পরিবারের উত্তরাধিকারভিত্তিক মোতাওয়াল্লি ব্যবস্থাকে উপেক্ষা করে ওয়াকফ সম্পত্তির ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেছে। এই পরিস্থিতিতে এস্টেট রক্ষায় আইনি লড়াই শুরু করি।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, আদালতের নির্দেশনা যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হলে ঐতিহাসিক এই সম্পত্তির সুরক্ষা নিশ্চিত হবে।

"যে সম্পত্তি দীর্ঘদিন ধরে ওয়াকফ হিসেবে নিবন্ধিত ছিল, তা কীভাবে ব্যক্তি মালিকানার নামে রেকর্ডভুক্ত হয়েছে এবং বিভিন্ন সরকারি নথিতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে? এ বিষয়ে তদন্ত ও জবাবদিহি প্রয়োজন।" — ব্যারিস্টার ড. খাজা ইকবাল এহসান উল্লাহ

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ব্যারিস্টার ড. খাজা ইকবাল এহসান উল্লাহ, আবুল কালাম আনসারি ওরফে জামাল
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯ ডিসেম্বর ২০২১, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ১ জুলাই ২০১৫, ই.সি. ৪১১/এ, ৪১১/বি, ৪১১/সি, ৪১১/ডি

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖