📌 টিআইবির সনাক কমিটির আয়োজিত সভায় পৌর প্রশাসক জুলিয়া সুকায়না বলেছেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করতে পৌরসভা জমি অধিগ্রহণ ও বাসাবাড়ি থেকে সরাসরি বর্জ্য সংগ্রহের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। তবে পরিবেশ সুরক্ষায় নাগরিকদের সচেতনতা বৃদ্ধির দাবি করা হয়েছে
ঢাকা পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপনার স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করতে নাগরিকদের সচেতনতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন পৌর প্রশাসক জুলিয়া সুকায়না। টিআইবির সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক)-এর সহযোগী সংগঠন অ্যাকটিভ সিটিজেন্স গ্রুপ (এসিজি) আয়োজিত সভায় তিনি বলেছেন, পরিবেশ সুরক্ষায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে পৌর কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে জমি অধিগ্রহণের মাধ্যমে স্থায়ী বর্জ্য ব্যবস্থাপনা স্টেশন নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এছাড়াও বাসাবাড়ি থেকে সরাসরি বর্জ্য সংগ্রহের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, যা রাস্তাঘাট, ড্রেন, খাল ও নদী দূষণ থেকে রক্ষা পাবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **সনাক সভাপতি সত্যবান সেনগুপ্ত** বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টিআইবির সনাক কমিটির সভায়, যেখানে পরিবেশ বিষয়ক উপ-কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক **ইসমাঈল হোসাঈন** সভাপতিত্ব করেন।
- 📌 পৌর প্রশাসক **জুলিয়া সুকায়না** বলেছেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করতে পৌরসভা **বাসাবাড়ি থেকে সরাসরি বর্জ্য সংগ্রহ** এবং **ডাস্টবিন স্থাপনের পরিবর্তে** বর্জ্য সংগ্রহের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
- 📌 বর্জ্য ব্যবস্থাপনার **প্রধান সমস্যা** হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে: ড্রেন ও খালে বর্জ্য ফেলা, সুগন্ধা নদীর পাড়ে উন্মুক্ত ডাম্পিং স্টেশন, মশার উপদ্রব, গৃহস্থালি বর্জ্য অপসারণে স্থবিরতা, মেডিকেল বর্জ্য থেকে সংক্রামক রোগের ঝুঁকি, পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের অপর্যাপ্ততা এবং তাদের **পিপিই ও হ্যান্ডগ্লাভস** ব্যবহার না করা।
- 📌 **এসিজি** সুপারিশ করেছে: প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে আবর্জনা সংগ্রহ, নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার, হটলাইন ও অভিযোগ বাক্স স্থাপন, জনবল বৃদ্ধি, দ্রুত ডাম্পিং স্টেশন ও সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস) নির্মাণ, নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ওয়ার্ডভিত্তিক নাগরিক কমিটি গঠন।
- 📌 সভায় **মিজানুর রহমান** (টিআইবির এরিয়া কো-অর্ডিনেটর) পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সমস্যাগুলো বিশ্লেষণ করেন।
📰 বিস্তারিত
টিআইবির সনাক কমিটির আয়োজিত সভায় পৌর প্রশাসক জুলিয়া সুকায়না বলেছেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করতে পৌরসভা ইতোমধ্যে **জমি অধিগ্রহণের মাধ্যমে স্থায়ী বর্জ্য ব্যবস্থাপনা স্টেশন নির্মাণের পরিকল্পনা** গ্রহণ করেছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, বাসাবাড়ি থেকে সরাসরি বর্জ্য সংগ্রহের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, যা রাস্তাঘাট, ড্রেন, খাল ও নদী দূষণ থেকে রক্ষা পাবে। তবে তিনি নাগরিকদের সচেতনতা বৃদ্ধির দাবি করেছেন, কারণ পরিবেশকে দূষণমুক্ত রাখতে হলে পৌরসভার নাগরিকদেরও অধিক সচেতন ও আন্তরিক হতে হবে।
সভায় জানানো হয়, **এসিজি-এর স্বেচ্ছাসেবকরা** পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক কার্যক্রমের তথ্য সংগ্রহ এবং অংশীজনদের চিহ্নিত সমস্যাসমূহ নিয়ে মাঠপর্যায়ে কাজ করছেন। বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিদ্যমান সমস্যাগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: ড্রেন ও খালে বর্জ্য ফেলা, সুগন্ধা নদীর পাড়ে উন্মুক্ত ডাম্পিং স্টেশনের কারণে পানি, মাটি ও বায়ু দূষণ, মশার উপদ্রব, গৃহস্থালি বর্জ্য অপসারণে স্থবিরতা, মেডিকেল বর্জ্য থেকে সংক্রামক রোগের উচ্চ ঝুঁকি, পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের অপর্যাপ্ততা এবং তাদের **পিপিই ও হ্যান্ডগ্লাভস** ব্যবহার না করা।
সভায় **মিজানুর রহমান** (টিআইবির এরিয়া কো-অর্ডিনেটর) পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে এসব সমস্যা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করতে **সুনির্দিষ্ট সুপারিশ** করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে: প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে আবর্জনা সংগ্রহ, নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার, হটলাইন ও অভিযোগ বাক্স স্থাপন, জনবল ও সক্ষমতা বৃদ্ধি, দ্রুততম সময়ে ডাম্পিং স্টেশন ও সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস) নির্মাণ, নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধি ও ওয়ার্ডভিত্তিক নাগরিক কমিটি গঠন এবং নিয়মিত তদারকি নিশ্চিতকরণ।
"পরিবেশ সুরক্ষায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে পৌরসভা কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যেই বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। বাসাবাড়ি থেকে সরাসরি বর্জ্য সংগ্রহ করার পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। তবে পরিবেশকে দূষণমুক্ত রাখতে হলে পৌরসভার নাগরিকদেরও অধিক সচেতন ও আন্তরিক হতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা পৌরসভা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পৌর প্রশাসক জুলিয়া সুকায়না, সত্যবান সেনগুপ্ত, মিজানুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ (স্থায়ী বর্জ্য ব্যবস্থাপনা স্টেশন নির্মাণের পরিকল্পনা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!