📌 মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী আহমেদ আযম খানের সভাপতিতে ঢাকায় অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় শহিদ বুদ্ধিজীবী ও বিজয় দিবস উদযাপনের জন্য কর্মসূচি নির্ধারণ করা হয়। মিরপুর শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ, জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদনসহ বিভিন্ন কর্মসূচির আলোচনা হয়
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে গৌরবময় শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস ও মহান বিজয় দিবস-২০২৬ উদযাপনের জন্য ঢাকার মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) আন্তঃমন্ত্রণালয় প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী আহমেদ আযম খান সভাপতিত্ব করেন। সভায় শহিদ বুদ্ধিজীবী ও বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে জাতীয় কর্মসূচির খসড়া উপস্থাপন করা হয় এবং কর্মসূচি বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী আহমেদ আযম খান সভাপতিত্ব করেন সভায়
- 📌 শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস ও বিজয় দিবসের কর্মসূচিতে মিরপুর শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ অন্তর্ভুক্ত
- 📌 জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন, সরকারি-বেসরকারি ভবনে পতাকা উত্তোলনসহ কর্মসূচি নির্ধারণ করা হয়
- 📌 আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যানবাহন নিয়ন্ত্রণসহ কর্মসূচির নিরাপদ বাস্তবায়নের আলোচনা হয়
- 📌 মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও শহিদদের আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা জাগ্রত করার লক্ষ্যে কর্মসূচি নির্ধারণ করা হয়
📰 বিস্তারিত
সভার শুরুতে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিবের স্বাগত বক্তব্যে সভাকর্মের সূচনা হয়। সভায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, সশস্ত্রবাহিনী বিভাগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন।
শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস ও বিজয় দিবসের কর্মসূচির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো মিরপুর শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ ও রায়েরবাজার বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ, জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন, সরকারি ও বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ, আলোচনা সভা, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বিশেষ প্রার্থনা এবং মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
সভায় আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যানবাহন নিয়ন্ত্রণ এবং অনুষ্ঠানস্থল ব্যবস্থাপনার বিষয়ে আলোচনা হয়। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে সমন্বয়ে নিজ নিজ দায়িত্ব পালনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। শহিদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মত্যাগ এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে শহিদদের অবদানকে স্মরণ করে সভায় গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয়।
"শহিদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মত্যাগ এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে শহিদদের অবদানকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে দিবস দুটির কর্মসূচিতে ব্যাপক জনসম্পৃক্ততা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়, মিরপুর শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী আহমেদ আযম খান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৯ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!