📌 চট্টগ্রাম বন্ধুসভার আয়োজনে মুক্তিযুদ্ধের ২ নম্বর সেক্টরের বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ দেলোয়ার হোসেন একাত্তরের যুদ্ধের স্মৃতিচারণে বক্তব্য রাখেন। তিনি বর্ণনা করেন গোপনে কাটানো রমজান ও ঈদ, এবং পরিবারের ১১ সদস্যের মধ্যে ১১ জনের যুদ্ধে অংশগ্রহণের অনন্য ঘটনা
চট্টগ্রামের বন্ধুসভার একটি বিশেষ আয়োজনে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণে বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ দেলোয়ার হোসেনের জীবনানুভূতি শোনার জন্য উপস্থিতরা চুপচাপ অপেক্ষা করছিলেন। ১০ অক্টোবর চট্টগ্রাম বন্ধুসভা ‘মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠে একাত্তরের গল্প’ শিরোনামে একটি স্মৃতিচারণী অনুষ্ঠান আয়োজন করে। এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহান মুক্তিযুদ্ধের ২ নম্বর সেক্টরে যুদ্ধ করা বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ দেলোয়ার হোসেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১০ অক্টোবর চট্টগ্রাম বন্ধুসভার আয়োজনে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণে বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ দেলোয়ার হোসেনের জীবনানুভূতি শোনান।
- 📌 তিনি বর্ণনা করেন গোপনে কাটানো রমজান ও ঈদ এবং পশ্চিমা হানাদার বাহিনীর নির্যাতন সম্পর্কে।
- 📌 ৯ ভাই ও ২ বোনের পরিবারে তিনি সহযোগী ভাইদের সাথে একই সময়ে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।
- 📌 অনুষ্ঠান শুরু হয় জাতীয় সংগীত গাওয়ার মাধ্যমে এবং অতিথিকে ফুল দিয়ে বরণ করা হয়।
- 📌 আফিফ ইব্রাহীম সঞ্চালনা করেন এবং ইরফাতুর রহমান সাধারণ সম্পাদক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
📰 বিস্তারিত
চট্টগ্রাম বন্ধুসভার আয়োজিত ‘মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠে একাত্তরের গল্প’ অনুষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ দেলোয়ার হোসেনের বক্তব্য ছিল অত্যন্ত রোমহর্ষক। তিনি বর্ণনা করেন, একাত্তরের পবিত্র রমজান মাস এবং পরবর্তী ঈদুল ফিতর তিনি সহযোদ্ধাদের সাথে মাটির নিচে তৈরি গোপন ঘরে কাটিয়েছিলেন। তিনি বলেন, পশ্চিমা হানাদার বাহিনী মুক্তিকামী মানুষদের মানুষ বলেই গণ্য করত না, যা তিনি নিজের অভিজ্ঞতা থেকে জানিয়েছেন।
এই অনুষ্ঠানে অতিথির ব্যক্তিগত একটি অনন্য ঘটনা ছিল পরিবারের সদস্যদের মধ্যে যুদ্ধে অংশগ্রহণ। শেখ দেলোয়ার হোসেনের পরিবারে মোট ১১ সদস্য ছিল, যার মধ্যে তিনি সহযোগী ভাইদের সাথে একই সময়ে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। এই ঘটনা ছিল অপ্রতুল এবং স্মৃতিচারণে তিনি তার অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন।
অনুষ্ঠান শুরু হয় জাতীয় সংগীত গাওয়ার মাধ্যমে। এরপর সাধারণ সম্পাদক ইরফাতুর রহমান অতিথিকে ফুল দিয়ে বরণ করেন। সাংস্কৃতিক দল পরিবেশন করে দেশাত্মবোধক গান ‘একবার যেতে দে না আমায় ছোট্ট সোনার গাঁয়’। অনুষ্ঠানের সমন্বয়কারী ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ ও গবেষণা সম্পাদক আফিফ ইব্রাহীম, সহসভাপতি নুরুজ্জামান খান ও পাঠাগার ও পাঠচক্র সম্পাদক কামরান চৌধুরী।
"আমরা কেবল বইয়ের পাতায় পড়েছি যে পশ্চিমা হানাদার বাহিনী মানুষ বলেই গণ্য করত না। কিন্তু এ আয়োজনে আমার বর্ণনা শুনে তা সবার সামনে রীতিমতো জ্যান্ত হয়ে উঠেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম বন্ধুসভার কক্ষ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শেখ দেলোয়ার হোসেন (বীর মুক্তিযোদ্ধা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ অক্টোবর, ২ নম্বর সেক্টর, ৯ ভাই, ২ বোনের পরিবার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!