📌 ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে সপ্তম শ্রেণির ১৪ বছর বয়সী এক ছাত্রীর ভুয়া জন্মনিবন্ধন দিয়ে বিয়ের নিবন্ধন করা হয়। উপজেলা প্রশাসন তাকে ৪ হাজার টাকা জরিমানা করে এবং বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা বন্ধের আদেশ দেয়। বিয়ের নিবন্ধক কাজিকে খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা চলছে
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলায় জাতীয় কন্যাশিশু দিবসের অনুষ্ঠান চলাকালে বাল্যবিবাহের খবর পাওয়া যায়। উপজেলা প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা নেয় এবং সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে বিয়ের বন্ধের আদেশ দেয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে সপ্তম শ্রেণির ১৪ বছর বয়সী এক ছাত্রীর বিয়ের নিবন্ধন করা হয় ভুয়া জন্মনিবন্ধন দিয়ে
- 📌 বাল্যবিবাহের শিকার মেয়েটির বাবাকে ৪ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা বন্ধের আদেশ দেওয়া হয়
- 📌 মেয়েটিকে শ্বশুরবাড়িতে পাঠানো হবে না, প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগ পর্যন্ত বিয়ের বন্ধের মুচলেকা নেওয়া হয়
- 📌 বিয়ের নিবন্ধক কাজি ওবাদুল্লাহকে খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা চলছে, তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা
- 📌 মেয়েটির বাবা দিনমজুর এবং মা মানসিকভাবে অসুস্থ
📰 বিস্তারিত
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা পরিষদের হলরুমে জাতীয় কন্যাশিশু দিবসের আলোচনা চলাকালে বাল্যবিবাহের খবর পাওয়া যায়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সানজিদা রহমান এবং উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা ফাতেমাতুজ্জহুরা দ্রুত অভিযান পরিচালনা করেন। তারা জানতে পারেন, গতকাল রোববার রাতেই ভুয়া জন্মনিবন্ধন সনদ দিয়ে মেয়েটির বিয়ের নিবন্ধন করা হয়েছে।
সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী মেয়েটির বয়স ১৪ বছর। তাঁর বাবা পেশায় দিনমজুর এবং মা মানসিকভাবে অসুস্থ। ঈশ্বরগঞ্জ পৌরসভার নয়াশিমুল গ্রামের বাসিন্দা এক পোশাকশ্রমিকের সঙ্গে মেয়েটির বিয়ের সম্বন্ধ করা হয়েছিল। বিয়ের নিবন্ধক কাজি ওবাদুল্লাহর মাধ্যমে দুই লাখ টাকা দেনমোহর নির্ধারণ করে বিয়ের কাবিন সম্পন্ন হয়েছিল।
উপজেলা প্রশাসন বাল্যবিবাহ নিরোধ আইনের অধীনে মেয়েটির বাবাকে ৪ হাজার টাকা জরিমানা করে। একই সঙ্গে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা বন্ধ রাখতে এবং বরপক্ষকে বিয়েবাড়িতে আসতে না দিতে মেয়ের বাবাকে নির্দেশনা দেওয়া হয়। ইউএনও সানজিদা রহমান জানান, মেয়েটির জন্মনিবন্ধন সনদে বয়স ১৮ বছর দেখানো হয়েছিল, কিন্তু খোঁজ নিয়ে সেটি ভুয়া বলে প্রমাণিত হয়।
বিয়ের নিবন্ধক কাজিকে ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়নি। তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া এবং বিয়ের নিবন্ধন বাতিলের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন ইউএনও।
"সপ্তম শ্রেণিতে পড়ুয়া ওই ছাত্রীর জন্মনিবন্ধন সনদে বয়স ১৮ বছর দেখানো হয়েছিল। খোঁজ নিয়ে সেটি ভুয়া বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় ছাত্রীর বাবাকে জরিমানা করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা, ময়মনসিংহ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সানজিদা রহমান (ইউএনও), ফাতেমাতুজ্জহুরা (মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা), কাজি ওবাদুল্লাহ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ হাজার টাকা (জরিমানা), ১৮ বছর (প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার বয়স), ১৪ বছর (মেয়েটির বয়স)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!