📌 মৌলভীবাজার সদর উপজেলায় শহর থেকে মাত্র দুই-আড়াই কিলোমিটার দূরে অবস্থিত বর্ষিজোড়া ইকোপার্ক। ১৯১৬ সালে সংরক্ষিত বন হিসেবে ঘোষিত এই ৮৮৭ একর বনাঞ্চল ২০০৬ সালে সরকারি ইকোপার্কে রূপান্তরিত হয়। শহরের কোলাহল থেকে দূরে সরে গিয়ে এখানে মানুষের হস্তক্ষেপের কমে যাওয়া সত্ত্বেও বনজুড়ে প্রাণবৈচিত্র্য ও নির্জনতা বজায় রয়েছে
মৌলভীবাজারের শহরতলির কোলে অবস্থিত বর্ষিজোড়া ইকোপার্ক একটি আশ্চর্য প্রাকৃতিক আশ্রয়স্থল। শহরের ঘন ঘন কোলাহল থেকে মাত্র দুই-আড়াই কিলোমিটার দূরে এই বনাঞ্চল মানুষের অকৃত্রিম প্রতিবেশী হিসেবে নিজের নির্জনতা ধরে রেখেছে। ১৯১৬ সালে সংরক্ষিত বন হিসেবে ঘোষিত এই ৮৮৭ একর বনাঞ্চল ২০০৬ সালে সরকারি ইকোপার্কে রূপান্তরিত হয়। বনের ভেতর দিয়ে চলে গেছে পাকা সড়ক, যেখানে দিনদুপুরেও গাছের নিবিড় ছায়া সড়কের ওপর ছায়া মাড়িয়ে ছুটে যায়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মৌলভীবাজার সদর উপজেলায় শহর থেকে মাত্র ২-২.৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত বর্ষিজোড়া ইকোপার্ক, যা ১৯১৬ সালে সংরক্ষিত বন হিসেবে ঘোষিত এবং ২০০৬ সালে ৮৮৭ একর আয়তনের ইকোপার্কে রূপান্তরিত হয়
- 📌 বনের ভেতরে শাল, গর্জন, শিমুল, সেগুন, জারুল, চিকরাশি, বহেড়া, আমলকী, লোহাকাঠসহ নানা প্রজাতির গাছের উপস্থিতি রয়েছে
- 📌 বনে বানর, হনুমান, শিয়াল, মেছো বাঘ, উদ্বিড়াল, কাঠবিড়ালি, বনরুই, গুইসাপ, খরগোশসহ প্রাণীদের দেখা মেলে, তবে তাদের সংখ্যা সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য নেই
- 📌 বনে বিভিন্ন প্রজাতির সাপ এবং ঘুঘু, শালিক, টিয়া, বাবুই, বক, দোয়েল, ফিঙে, মাছরাঙা, চিল, কাঠঠোকরা সহ বিভিন্ন পাখির উপস্থিতি রয়েছে
- 📌 বনের তোরণে কংক্রিটের তৈরি দুটি হরিণ, বানর ও ইগলের মূর্তি রয়েছে, তবে সময়ের ছাপ পড়েছে তোরণে
- 📌 বনের ছোট ছোট টিলাগুলো সবুজে ঢাকা এবং বনাঞ্চলে মানুষের হস্তক্ষেপের কমে যাওয়া সত্ত্বেও প্রাকৃতিক বৈচিত্র্য বজায় রয়েছে
📰 বিস্তারিত
মৌলভীবাজার সদর উপজেলার শহর থেকে প্রায় দুই-আড়াই কিলোমিটার পূর্ব-দক্ষিণে অবস্থিত বর্ষিজোড়া ইকোপার্ক। এই বনাঞ্চলটি শহরের ঘন ঘন কোলাহল থেকে দূরে সরে গিয়ে নিজের নির্জনতা ধরে রেখেছে। বনের ভেতর দিয়ে পাকা সড়ক চলে গেছে, যেখানে দিনদুপুরেও গাছের নিবিড় ছায়া সড়কের ওপর ছায়া মাড়িয়ে ছুটে যায়। বনের তোরণে কংক্রিটের তৈরি দুটি হরিণ, বানর ও ইগলের মূর্তি রয়েছে, তবে সময়ের ছাপ পড়েছে তোরণে।
বনের ভেতরে শাল, গর্জন, শিমুল, বনাক, সেগুন, জারুল, চিকরাশি, বহেড়া, আমলকী, লোহাকাঠসহ নানা ধরনের গাছের উপস্থিতি রয়েছে। বনের ভেতরে যেতেই ছায়া আরও ঘন হয়ে ওঠে। চারপাশে গভীর সবুজ। সরু পথ ধরে গ্রামের দু-একজন মানুষ হেঁটে যাচ্ছেন। বনে বানর, হনুমান, শিয়াল, মেছো বাঘ, উদ্বিড়াল, কাঠবিড়ালি, সজারু, বেজি, বনরুই, গুইসাপ, খরগোশসহ নানা বন্য প্রাণীর দেখা মেলে। তবে বর্তমানে এসব প্রাণীর কতগুলো এই বনে টিকে আছে তা নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি।
বনে বিভিন্ন প্রজাতির সাপ রয়েছে। এ ছাড়া ঘুঘু, শালিক, টিয়া, বাবুই, বক, দোয়েল, ফিঙে, মাছরাঙা, চিল, কাঠঠোকরাসহ বিভিন্ন পাখির উপস্থিতি রয়েছে। বনের ছোট ছোট টিলাগুলোও সবুজে ঢাকা। বনের ভেতরে ছোট কয়েকটি ছড়াও আছে, তবে দুপুরে সেগুলোর বেশিরভাগ পানি দেখা যায়নি। বৃষ্টির সময় হয়তো সেখানে পানির প্রবাহ তৈরি হয়।
"এই বনে বানর, হনুমান, শিয়াল, মেছো বাঘ, উদ্বিড়াল, কাঠবিড়ালি, সজারু, বেজি, বনরুই, গুইসাপ, খরগোশসহ নানা বন্য প্রাণী থাকার কথা জানা যায়। তবে বর্তমানে এসব প্রাণীর কতগুলো এই বনে টিকে আছে, তা নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মৌলভীবাজার সদর উপজেলা, শহর থেকে ২-২.৫ কিলোমিটার পূর্ব-দক্ষিণে
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বনাঞ্চলের প্রাকৃতিক বৈচিত্র্য ও বন্য প্রাণীরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮৮৭ একর (বনাঞ্চলের আয়তন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!