📌 মৌলভীবাজার জেলায় প্রতিদিন ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টা লোডশেডিং চলছে, যার ফলে প্রায় ৫ লাখ বিদ্যুৎ গ্রাহক ভোগান্তিতে পড়েছেন। শিক্ষার্থী, শিশু ও বয়স্কদের পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান ও কলকারখানাগুলোও ব্যাহত হচ্ছে
মৌলভীবাজার জেলায় তীব্র গরমের মাঝে প্রতিদিন ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টা লোডশেডিং চলছে, যার ফলে প্রায় ৫ লাখ বিদ্যুৎ গ্রাহক ভোগান্তিতে পড়েছেন। জেলা শহরসহ সাতটি উপজেলায় সপ্তাহের সাত দিনই বিদ্যুৎ সংকটের শিকার হচ্ছেন গ্রাহকরা। শিক্ষার্থী, শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তিরা সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়ছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মৌলভীবাজারে প্রতিদিন ১২-১৪ ঘণ্টা লোডশেডিং চলছে, যার ফলে ৫ লাখ গ্রাহক ভোগান্তিতে পড়েছেন
- 📌 জেলায় বিদ্যুতের চাহিদা ৯৫ মেগাওয়াট, কিন্তু সরবরাহ হচ্ছে মাত্র ৭১ মেগাওয়াট
- 📌 শিক্ষার্থী ফয়ছল আহমেদ বলেছেন, লোডশেডিংয়ের কারণে পড়ালেখা করতে পারছেন না
- 📌 শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া কেন্দ্রের কর্মকর্তা মো. আনিসুর রহমান বলেছেন, অক্টোবর শেষে তাপমাত্রা কমলে লোডশেডিং কমবে
- 📌 মৌলভীবাজার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির প্রকৌশলী সুজিত কুমার বিশ্বাস বলেছেন, চাহিদা বেড়ে গেলেও উৎপাদন বাড়েনি
📰 বিস্তারিত
মৌলভীবাজার জেলায় প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত লোডশেডিং চলায় গ্রাহকদের জীবন কষ্টকর হয়ে পড়েছে। জেলা শহরসহ সাতটি উপজেলায় সপ্তাহের সাত দিনই বিদ্যুৎ সংকটের শিকার হচ্ছেন। শিক্ষার্থী, শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তিরা সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়ছেন। বিদ্যুৎ-নির্ভর স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান, কলকারখানা ও সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সেবাও ব্যাহত হচ্ছে।
শহীদনগর বাজারের একটি কারখানার মালিক হেলাল মিয়া বলেছেন, ‘অতিরিক্ত লোডশেডিংয়ের কারণে আমরা কাজ করতে পারছি না। দিন-রাত সমানভাবে বিদ্যুৎ আসা-যাওয়ায় যন্ত্রপাতির ক্ষতি হচ্ছে।’ শিক্ষার্থী ফয়ছল আহমেদ বলেছেন, ‘একদিকে তীব্র গরম, অন্যদিকে ভয়াবহ লোডশেডিং—এই দুইটা মিলে আমাদের পড়ালেখা করতে দিচ্ছে না। নভেম্বর থেকে পরীক্ষা শুরু হবে, কিন্তু ঘনঘন বিদ্যুৎ সংকট আমাদের পড়াশোনাকে ব্যাহত করছে।’
শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আনিসুর রহমান বলেছেন, ‘অক্টোবরের মাঝামাঝি সময় থেকে তাপমাত্রা কমে আসবে। সাধারণত ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার নিচে তাপমাত্রা নেমে গেলে আমরা শীত মৌসুমের আগমন মনে করি। তখন বিদ্যুতের চাহিদা কমার পাশাপাশি লোডশেডিংও কমে যাবে।’
মৌলভীবাজার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার প্রকৌশলী সুজিত কুমার বিশ্বাস বলেছেন, ‘আমরা চাহিদার তুলনায় কম বিদ্যুৎ পাচ্ছি। আগে মানুষের বিদ্যুতের চাহিদা কম ছিল, কিন্তু এখন চাহিদা বেড়ে গেছে। অথচ উৎপাদন বাড়েনি। এ অবস্থায় ভারসাম্য রক্ষা করতে আমাদের লোডশেডিং দিতে হচ্ছে।’
"অতিরিক্ত লোডশেডিংয়ের কারণে আমরা কাজ করতে পারছি না। দিন-রাত সমানভাবে বিদ্যুৎ আসা-যাওয়ায় যন্ত্রপাতির ক্ষতি হচ্ছে।"
"একদিকে তীব্র গরম, অন্যদিকে ভয়াবহ লোডশেডিং—এই দুইটা মিলে আমাদের পড়ালেখা করতে দিচ্ছে না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মৌলভীবাজার জেলা (শহীদনগর বাজার, শ্রীমঙ্গল, সাতটি উপজেলা)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হেলাল মিয়া, ফয়ছল আহমেদ, মো. আনিসুর রহমান, প্রকৌশলী সুজিত কুমার বিশ্বাস
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ লাখ গ্রাহক, ১২-১৪ ঘণ্টা লোডশেডিং, ৯৫ মেগাওয়াট চাহিদা, ৭১ মেগাওয়াট সরবরাহ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!