📅 ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৭:৩৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মায়ের শেষ মুখ দেখতে সীমান্তে আবেগের সাক্ষী হাফিজা খাতুন ও স্বামী ফিকির আলী

মায়ের শেষ মুখ দেখতে সীমান্তে আবেগের সাক্ষী হাফিজা খাতুন ও স্বামী ফিকির আলী

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মেহেরপুরের মুজিবনগরে বসবাসকারী হাফিজা খাতুন ভারতের নদীয়া জেলায় মায়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে সীমান্তে শেষবারের মতো মরদেহ দেখতে বিজিবি ও বিএসএফ-এর সহায়তায় সফল হন। শূন্যরেখায় মায়ের মুখ দেখে তারা আবেগাপ্লুত হন

মেহেরপুরের মুজিবনগরে বসবাসকারী হাফিজা খাতুন ও তার স্বামী ফিকির আলী ভারতের নদীয়া জেলায় মায়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে সীমান্তে শেষবারের মতো মরদেহ দেখতে সফল হন। মানবিক আবেদনের পর বিজিবি ও ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) সহায়তা করে শূন্যরেখায় মায়ের মুখ দেখার সুযোগ করে দেন। এই আবেগময় মুহূর্তে তারা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৭০ বছর বয়সী মা মোছা. জায়রা খাতুনের মৃত্যুর খবর পেয়ে মুজিবনগরের হাফিজা খাতুন সীমান্তে শেষবারের মতো মরদেহ দেখতে চান
  • 📌 বিজিবি ও বিএসএফের সহায়তায় ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের ১০৯ নম্বর প্রধান পিলারের কাছে শূন্যরেখায় মরদেহ দেখার ব্যবস্থা করা হয়
  • 📌 হাফিজার শ্বশুরবাড়ি মুজিবনগর উপজেলার ভবানীপুর গ্রামে, যেখানে ২০২০ সালে তার বিয়ে হয়
  • 📌 মায়ের মৃত্যুর খবর জানার পর বিজিবি ও বিএসএফের সহযোগিতায় মরদেহ দেখার ব্যবস্থা করা হয়
  • 📌 হাবিলদার শরিফুল ইসলাম বলেন, মানবিক আবেদনের পর বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ করে মরদেহ দেখানোর ব্যবস্থা করা হয়

📰 বিস্তারিত

মেহেরপুরের মুজিবনগরে বসবাসকারী হাফিজা খাতুনের মা মোছা. জায়রা খাতুনের (৭০) বাড়ি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার চাপড়া থানার গোবিন্দপুর গ্রামে। বার্ধক্যজনিত ও শারীরিক অসুস্থতার কারণে গতকাল রাতে তিনি নিজ বাড়িতে মারা যান। মায়ের মৃত্যুর খবর জানার পর হাফিজা খাতুন শেষবারের মতো মাকে দেখতে চেয়ে বিজিবির কাছে আবেদন করেন। বিজিবি ও বিএসএফের সহযোগিতায় আজ বৃহস্পতিবার সকালে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের ১০৯ নম্বর প্রধান পিলারের কাছে শূন্যরেখায় মরদেহ দেখার ব্যবস্থা করা হয়।

হাফিজা খাতুন প্রথম আলোকে বলেন, ‘বিয়ের পর ভিসা করে কয়েকবার ভারতে মাকে দেখতে যাওয়ার সুযোগ হয়েছিল। কিন্তু ভিসা জটিলতায় দীর্ঘদিন মাকে দেখতে পারিনি। হঠাৎ মায়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে শেষবারের মতো মরদেহ দেখার সুযোগ পেয়েছি।’

মুজিবনগর উপজেলার নাজিরাকোনা বিওপির কমান্ডার হাবিলদার শরিফুল ইসলামসহ পাঁচজন বিজিবি সদস্য এবং বিএসএফের পরিদর্শক এস কে রায়সহ পাঁচজন সদস্যের উপস্থিতিতে মরদেহ দেখানো হয়। হাবিলদার শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘মানবিক আবেদনের পর আমরা বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ করি। তারা সম্মতি দিলে শেষবারের মতো মায়ের মরদেহ দেখার ব্যবস্থা করা হয়।’

"বিয়ের পর ভিসা করে কয়েকবার ভারতে মাকে দেখতে যাওয়ার সুযোগ হয়েছিল। কিন্তু ভিসা জটিলতায় দীর্ঘদিন মাকে দেখতে পারিনি। হঠাৎ মায়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে শেষবারের মতো মরদেহ দেখার সুযোগ পেয়েছি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত (১০৯ নম্বর প্রধান পিলার), মুজিবনগর উপজেলা, মেহেরপুর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হাফিজা খাতুন, ফিকির আলী, মোছা. জায়রা খাতুন, হাবিলদার শরিফুল ইসলাম, এস কে রায়
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭০ বছর (মায়ের বয়স), ১০৯ (সীমান্ত পিলার নম্বর), ২০২০ (বিয়ের বছর)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖