📅 ৯ অক্টোবর ২০২৬, ৬:৫৩ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মোংলায় চার মাসেও উদ্ধার না হওয়া জেলে মিরাজ শেখকে জীবিত ফিরিয়ে দিতে মানবাধিকার সংগঠনের দাবি

মোংলায় চার মাসেও উদ্ধার না হওয়া জেলে মিরাজ শেখকে জীবিত ফিরিয়ে দিতে মানবাধিকার সংগঠনের দাবি

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাগেরহাটের মোংলায় কোস্টগার্ডের বিরুদ্ধে গুমের অভিযোগ তুলেছেন মানবাধিকার সংগঠনগুলি। চার মাসেও উদ্ধার না হওয়া জেলে মিরাজ শেখকে জীবিত অবস্থায় ফিরিয়ে দিতে হাইকোর্টের নির্দেশ বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে এইচআরএসএস ও ব্লাস্ট

বাগেরহাটের মোংলা উপজেলার জয়মনি এলাকার জেলে মিরাজ শেখকে গুম করার অভিযোগ তুলেছেন মানবাধিকার সংগঠনগুলি। তাঁকে জীবিত ও সুস্থ অবস্থায় ফিরিয়ে দিতে হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী কোস্টগার্ডকে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছে হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি (এইচআরএসএস)। আজ সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর আহমেদ চৌধুরী মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি তুলে ধরে সংগঠনটি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মিরাজ শেখ (৩০) নামে এক জেলেকে গত ১০ এপ্রিল কোস্টগার্ড সদস্য পরিচয়ে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর থেকে নিখোঁজ রয়েছেন
  • 📌 চার মাসেও তাঁর কোনো হদিস মেলেনি, যদিও হাইকোর্ট ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে আদালতে হাজির করার নির্দেশ দিয়েছেন
  • 📌 ঘটনার তদন্তে নিয়োজিত প্রতিনিধিদল স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বললেও কোস্টগার্ড কর্তৃপক্ষ আটকের বিষয়টি অস্বীকার করে আসছে
  • 📌 মিরাজের পরিবারসহ ৪৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে, যার মধ্যে অজ্ঞাতনামা আরও ৩০০ জনের নাম উল্লেখ রয়েছে

📰 বিস্তারিত

মিরাজ শেখ সুন্দরবনে মাছ ধরার পাশাপাশি ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালাতেন। গত ১০ এপ্রিল কোস্টগার্ড সদস্য পরিচয়ে কয়েকজন ব্যক্তি তাঁকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যাওয়ার পর থেকে তিনি নিখোঁজ রয়েছেন। ঘটনার পরপরই তাঁর পরিবার মোংলা থানায় সাধারণ ডায়েরি করে এবং বারবার কোস্টগার্ড কার্যালয়ে গিয়ে খোঁজখবর নেয়। তবে কোনো সদুত্তর না পেয়ে মানবাধিকার সংগঠনগুলির সহায়তায় তাঁরা হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন।

গত ১২ জুলাই হাইকোর্ট রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মিরাজ শেখকে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেন। কিন্তু কোস্টগার্ড কর্তৃপক্ষ শুরু থেকেই তাঁকে আটকের বিষয়টি অস্বীকার করে আসছে। ঘটনার তদন্তে নিয়োজিত এইচআরএসএসের প্রতিনিধিদল গত ২২ আগস্ট ঘটনাস্থল সরেজমিনে পরিদর্শন করে। স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী, পরিবারের সদস্য ও পুলিশের সঙ্গে কথা বলে তাঁরা জানতে পারেন যে গ্রামবাসীদের ওপর চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে এইচআরএসএসের নির্বাহী পরিচালক ইজাজুল ইসলাম লিখিত বক্তব্যে বলেন, ‘মিরাজ শেখকে গুমের ঘটনায় মুখ না খুলতে গ্রামবাসীকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এমনকি যাঁরা আগে সাক্ষ্য দিয়েছিলেন, তাঁরাও এখন ভয়ে মুখ খুলতে চান না।’ মানবাধিকারকর্মী নূর খান লিটন জানান, ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের ওপর লাঠিচার্জ করা হয় এবং মিরাজের মা, বোন ও স্ত্রীকে আটক করা হয়। পরে তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।

‘আমরা এই ঘটনায় কিছু তথ্য অর্জন করেছি, কিন্তু গ্রামবাসীরা ভয়ে মুখ খুলতে চান না। তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।’ — নূর খান লিটন, প্রধান উপদেষ্টা, এইচআরএসএস

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: জয়মনি এলাকা, মোংলা উপজেলা, বাগেরহাট
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মিরাজ শেখ (৩০), ইজাজুল ইসলাম (এইচআরএসএস নির্বাহী পরিচালক), নূর খান লিটন (এইচআরএসএস প্রধান উপদেষ্টা)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ মাস, ১৫ কার্যদিবস, ৪৪ জন (মামলাভুক্ত), ৩০০ জন (অজ্ঞাতনামা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖